আন্তর্জাতিক সামরিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের পুঁজিবাজারে টানা অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ইরানে হামলার পর বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বাজারে। ঈদ ঘনিয়ে আসায় কিছু বিনিয়োগকারীর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতাও বিক্রির চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
বুধবার (৪ মার্চ) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শুরুটা ছিল নিম্নমুখী। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচক ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত সামান্য পতনেই দিন শেষ হয়। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২ দশমিক ০৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩২৩ দশমিক ০৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।
ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যেও নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ০ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬২ দশমিক ৫০ পয়েন্টে এবং ব্লু-চিপভিত্তিক ডিএসই-৩০ সূচক ৪ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৪৫ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২৭টির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১১২টির কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৮০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৩০২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা কম। লেনদেন কমে যাওয়াকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ছিল মিশ্র চিত্র। এদিন ১৭০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬০টির দর বেড়েছে, ৮৯টির কমেছে এবং ২১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৭ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৭২ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে নেমেছে। মোট লেনদেন হয়েছে ৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
সব মিলিয়ে সূচকের সামান্য পতনের মধ্যেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বৃদ্ধি বাজারে আস্থার কিছু ইঙ্গিত দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আন্তর্জাতিক সামরিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের পুঁজিবাজারে টানা অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ইরানে হামলার পর বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বাজারে। ঈদ ঘনিয়ে আসায় কিছু বিনিয়োগকারীর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতাও বিক্রির চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
বুধবার (৪ মার্চ) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শুরুটা ছিল নিম্নমুখী। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচক ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত সামান্য পতনেই দিন শেষ হয়। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২ দশমিক ০৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩২৩ দশমিক ০৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।
ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যেও নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ০ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬২ দশমিক ৫০ পয়েন্টে এবং ব্লু-চিপভিত্তিক ডিএসই-৩০ সূচক ৪ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৪৫ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২৭টির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১১২টির কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৮০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৩০২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা কম। লেনদেন কমে যাওয়াকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ছিল মিশ্র চিত্র। এদিন ১৭০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬০টির দর বেড়েছে, ৮৯টির কমেছে এবং ২১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৭ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৭২ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে নেমেছে। মোট লেনদেন হয়েছে ৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
সব মিলিয়ে সূচকের সামান্য পতনের মধ্যেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বৃদ্ধি বাজারে আস্থার কিছু ইঙ্গিত দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আন্তর্জাতিক সামরিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের পুঁজিবাজারে টানা অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ইরানে হামলার পর বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বাজারে। ঈদ ঘনিয়ে আসায় কিছু বিনিয়োগকারীর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতাও বিক্রির চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
বুধবার (৪ মার্চ) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শুরুটা ছিল নিম্নমুখী। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচক ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত সামান্য পতনেই দিন শেষ হয়। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২ দশমিক ০৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩২৩ দশমিক ০৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।
ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যেও নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ০ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬২ দশমিক ৫০ পয়েন্টে এবং ব্লু-চিপভিত্তিক ডিএসই-৩০ সূচক ৪ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৪৫ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২৭টির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১১২টির কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৮০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৩০২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা কম। লেনদেন কমে যাওয়াকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ছিল মিশ্র চিত্র। এদিন ১৭০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬০টির দর বেড়েছে, ৮৯টির কমেছে এবং ২১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৭ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৭২ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে নেমেছে। মোট লেনদেন হয়েছে ৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
সব মিলিয়ে সূচকের সামান্য পতনের মধ্যেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বৃদ্ধি বাজারে আস্থার কিছু ইঙ্গিত দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আন্তর্জাতিক সামরিক উত্তেজনার প্রভাবে দেশের পুঁজিবাজারে টানা অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে ইরানে হামলার পর বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা বাড়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে সতর্কতা বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রভাব পড়েছে বাজারে। ঈদ ঘনিয়ে আসায় কিছু বিনিয়োগকারীর মুনাফা তুলে নেওয়ার প্রবণতাও বিক্রির চাপ বাড়িয়েছে বলে মনে করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
বুধবার (৪ মার্চ) সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে লেনদেনের শুরুটা ছিল নিম্নমুখী। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সূচক ঘুরে দাঁড়ালেও শেষ পর্যন্ত সামান্য পতনেই দিন শেষ হয়। প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ২ দশমিক ০৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৩২৩ দশমিক ০৩ পয়েন্টে অবস্থান করে।
ডিএসইর অন্য সূচকগুলোর মধ্যেও নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। শরিয়াহভিত্তিক ডিএসইএস সূচক ০ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৬২ দশমিক ৫০ পয়েন্টে এবং ব্লু-চিপভিত্তিক ডিএসই-৩০ সূচক ৪ দশমিক ৭৪ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ৪৫ দশমিক ৩৭ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
এদিন ডিএসইতে মোট ৩৯৩টি প্রতিষ্ঠান লেনদেনে অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২৭টির শেয়ার ও ইউনিটের দর বেড়েছে, ১১২টির কমেছে এবং ৫৪টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৫৮০ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় ৩০২ কোটি ৫৬ লাখ টাকা কম। লেনদেন কমে যাওয়াকে বিনিয়োগকারীদের সতর্ক অবস্থানের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
অন্যদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও ছিল মিশ্র চিত্র। এদিন ১৭০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৬০টির দর বেড়েছে, ৮৯টির কমেছে এবং ২১টির দর অপরিবর্তিত রয়েছে। সার্বিক সূচক সিএএসপিআই ৭৭ দশমিক ৬৮ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৭২ দশমিক ৫৪ পয়েন্টে নেমেছে। মোট লেনদেন হয়েছে ৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, যা আগের দিনের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
সব মিলিয়ে সূচকের সামান্য পতনের মধ্যেও অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দর বৃদ্ধি বাজারে আস্থার কিছু ইঙ্গিত দিচ্ছে। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাজারে স্থিতিশীলতা ফেরার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!