
অভিনেতাদের নানা কারণে কটাক্ষের শিকার হতে হয়। কখনও তাদের লুক নিয়ে, কখনও আবার তাদের কোনও মন্তব্য নিয়ে। যেমন চার বছর আগে বিতর্কে জড়িয়েছিল অভিনেতা অক্ষয় কুমারের নাম। ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ ছবিতে কেন নকল গোঁফ লাগিয়েছিলেন তিনি, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় অভিনেতাকে।
এবার সেই বিষয়ে কথা বলেছেন অক্ষয়। ২০২২ সালে মুক্তি পেয়েছিল যশরাজ ফিল্মসের বিগ বাজেটের ছবি ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’। তবে সিনেমাটি মুক্তির আগে থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। পর্দায় সম্রাটের চরিত্রে অক্ষয়ের গোঁফ কেন ‘নকল’ এই প্রশ্নে উত্তাল ছিল সোশ্যাল মিডিয়া।
নেটিজেনদের দাবি ছিল, ঐতিহাসিক চরিত্রের প্রতি সুবিচার করতে অক্ষয় কেন নিজের গোঁফ বড় করেননি? দীর্ঘদিন এই বিষয়ে মুখ না খুললেও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার জবাব দিয়েছেন অক্ষয়। তিনি জানান, কেন সেদিন তাকে মেকআপের আশ্রয় নিতে হয়েছিল।
অক্ষয় কুমারের ভাষ্যমতে, যেকোনো চরিত্রের প্রস্তুতির জন্য তিনি সাধারণত অন্তত এক মাস সময় নিয়ে থাকেন। কিন্তু ওই সময় তার হাতে একসঙ্গে অনেকগুলো প্রজেক্টের কাজ ছিল। অক্ষয় বলেন, ‘সেই সময় আমি একসঙ্গে অনেকগুলো সিনেমার কাজ করছিলাম। তবে আসল সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়।’
‘‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ চরিত্রে যে ধরনের রাজকীয় গোঁফের প্রয়োজন ছিল, তা আমার নিজের গোঁফে ফুটিয়ে তোলা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। ফলে বাস্তবের খাতিরেই নকল গোঁফ ব্যবহার করা ছাড়া উপায় ছিল না।’
উল্লেখ্য, ছবিটির শুটিং চলাকালীন শুধু মেকআপ নয়, আইনি জটিলতাতেও পড়তে হয়েছিল অক্ষয় ও প্রযোজনা সংস্থাকে। রাজস্থানের শ্রী রাজপুত করণি সেনা দাবি করেছিল, ছবির নামে পৃথ্বীরাজকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি। তাদের আন্দোলনের মুখেই ছবির নাম ‘পৃথ্বীরাজ’ থেকে বদলে ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ করতে বাধ্য হয় যশরাজ ফিল্মস।

অভিনেতাদের নানা কারণে কটাক্ষের শিকার হতে হয়। কখনও তাদের লুক নিয়ে, কখনও আবার তাদের কোনও মন্তব্য নিয়ে। যেমন চার বছর আগে বিতর্কে জড়িয়েছিল অভিনেতা অক্ষয় কুমারের নাম। ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ ছবিতে কেন নকল গোঁফ লাগিয়েছিলেন তিনি, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় অভিনেতাকে।
এবার সেই বিষয়ে কথা বলেছেন অক্ষয়। ২০২২ সালে মুক্তি পেয়েছিল যশরাজ ফিল্মসের বিগ বাজেটের ছবি ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’। তবে সিনেমাটি মুক্তির আগে থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। পর্দায় সম্রাটের চরিত্রে অক্ষয়ের গোঁফ কেন ‘নকল’ এই প্রশ্নে উত্তাল ছিল সোশ্যাল মিডিয়া।
নেটিজেনদের দাবি ছিল, ঐতিহাসিক চরিত্রের প্রতি সুবিচার করতে অক্ষয় কেন নিজের গোঁফ বড় করেননি? দীর্ঘদিন এই বিষয়ে মুখ না খুললেও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার জবাব দিয়েছেন অক্ষয়। তিনি জানান, কেন সেদিন তাকে মেকআপের আশ্রয় নিতে হয়েছিল।
অক্ষয় কুমারের ভাষ্যমতে, যেকোনো চরিত্রের প্রস্তুতির জন্য তিনি সাধারণত অন্তত এক মাস সময় নিয়ে থাকেন। কিন্তু ওই সময় তার হাতে একসঙ্গে অনেকগুলো প্রজেক্টের কাজ ছিল। অক্ষয় বলেন, ‘সেই সময় আমি একসঙ্গে অনেকগুলো সিনেমার কাজ করছিলাম। তবে আসল সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়।’
‘‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ চরিত্রে যে ধরনের রাজকীয় গোঁফের প্রয়োজন ছিল, তা আমার নিজের গোঁফে ফুটিয়ে তোলা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। ফলে বাস্তবের খাতিরেই নকল গোঁফ ব্যবহার করা ছাড়া উপায় ছিল না।’
উল্লেখ্য, ছবিটির শুটিং চলাকালীন শুধু মেকআপ নয়, আইনি জটিলতাতেও পড়তে হয়েছিল অক্ষয় ও প্রযোজনা সংস্থাকে। রাজস্থানের শ্রী রাজপুত করণি সেনা দাবি করেছিল, ছবির নামে পৃথ্বীরাজকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি। তাদের আন্দোলনের মুখেই ছবির নাম ‘পৃথ্বীরাজ’ থেকে বদলে ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ করতে বাধ্য হয় যশরাজ ফিল্মস।

অভিনেতাদের নানা কারণে কটাক্ষের শিকার হতে হয়। কখনও তাদের লুক নিয়ে, কখনও আবার তাদের কোনও মন্তব্য নিয়ে। যেমন চার বছর আগে বিতর্কে জড়িয়েছিল অভিনেতা অক্ষয় কুমারের নাম। ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ ছবিতে কেন নকল গোঁফ লাগিয়েছিলেন তিনি, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় অভিনেতাকে।
এবার সেই বিষয়ে কথা বলেছেন অক্ষয়। ২০২২ সালে মুক্তি পেয়েছিল যশরাজ ফিল্মসের বিগ বাজেটের ছবি ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’। তবে সিনেমাটি মুক্তির আগে থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। পর্দায় সম্রাটের চরিত্রে অক্ষয়ের গোঁফ কেন ‘নকল’ এই প্রশ্নে উত্তাল ছিল সোশ্যাল মিডিয়া।
নেটিজেনদের দাবি ছিল, ঐতিহাসিক চরিত্রের প্রতি সুবিচার করতে অক্ষয় কেন নিজের গোঁফ বড় করেননি? দীর্ঘদিন এই বিষয়ে মুখ না খুললেও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার জবাব দিয়েছেন অক্ষয়। তিনি জানান, কেন সেদিন তাকে মেকআপের আশ্রয় নিতে হয়েছিল।
অক্ষয় কুমারের ভাষ্যমতে, যেকোনো চরিত্রের প্রস্তুতির জন্য তিনি সাধারণত অন্তত এক মাস সময় নিয়ে থাকেন। কিন্তু ওই সময় তার হাতে একসঙ্গে অনেকগুলো প্রজেক্টের কাজ ছিল। অক্ষয় বলেন, ‘সেই সময় আমি একসঙ্গে অনেকগুলো সিনেমার কাজ করছিলাম। তবে আসল সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়।’
‘‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ চরিত্রে যে ধরনের রাজকীয় গোঁফের প্রয়োজন ছিল, তা আমার নিজের গোঁফে ফুটিয়ে তোলা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। ফলে বাস্তবের খাতিরেই নকল গোঁফ ব্যবহার করা ছাড়া উপায় ছিল না।’
উল্লেখ্য, ছবিটির শুটিং চলাকালীন শুধু মেকআপ নয়, আইনি জটিলতাতেও পড়তে হয়েছিল অক্ষয় ও প্রযোজনা সংস্থাকে। রাজস্থানের শ্রী রাজপুত করণি সেনা দাবি করেছিল, ছবির নামে পৃথ্বীরাজকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি। তাদের আন্দোলনের মুখেই ছবির নাম ‘পৃথ্বীরাজ’ থেকে বদলে ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ করতে বাধ্য হয় যশরাজ ফিল্মস।

অভিনেতাদের নানা কারণে কটাক্ষের শিকার হতে হয়। কখনও তাদের লুক নিয়ে, কখনও আবার তাদের কোনও মন্তব্য নিয়ে। যেমন চার বছর আগে বিতর্কে জড়িয়েছিল অভিনেতা অক্ষয় কুমারের নাম। ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ ছবিতে কেন নকল গোঁফ লাগিয়েছিলেন তিনি, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় অভিনেতাকে।
এবার সেই বিষয়ে কথা বলেছেন অক্ষয়। ২০২২ সালে মুক্তি পেয়েছিল যশরাজ ফিল্মসের বিগ বাজেটের ছবি ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’। তবে সিনেমাটি মুক্তির আগে থেকেই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। পর্দায় সম্রাটের চরিত্রে অক্ষয়ের গোঁফ কেন ‘নকল’ এই প্রশ্নে উত্তাল ছিল সোশ্যাল মিডিয়া।
নেটিজেনদের দাবি ছিল, ঐতিহাসিক চরিত্রের প্রতি সুবিচার করতে অক্ষয় কেন নিজের গোঁফ বড় করেননি? দীর্ঘদিন এই বিষয়ে মুখ না খুললেও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই তিক্ত অভিজ্ঞতার জবাব দিয়েছেন অক্ষয়। তিনি জানান, কেন সেদিন তাকে মেকআপের আশ্রয় নিতে হয়েছিল।
অক্ষয় কুমারের ভাষ্যমতে, যেকোনো চরিত্রের প্রস্তুতির জন্য তিনি সাধারণত অন্তত এক মাস সময় নিয়ে থাকেন। কিন্তু ওই সময় তার হাতে একসঙ্গে অনেকগুলো প্রজেক্টের কাজ ছিল। অক্ষয় বলেন, ‘সেই সময় আমি একসঙ্গে অনেকগুলো সিনেমার কাজ করছিলাম। তবে আসল সমস্যা ছিল অন্য জায়গায়।’
‘‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ চরিত্রে যে ধরনের রাজকীয় গোঁফের প্রয়োজন ছিল, তা আমার নিজের গোঁফে ফুটিয়ে তোলা কোনোভাবেই সম্ভব ছিল না। ফলে বাস্তবের খাতিরেই নকল গোঁফ ব্যবহার করা ছাড়া উপায় ছিল না।’
উল্লেখ্য, ছবিটির শুটিং চলাকালীন শুধু মেকআপ নয়, আইনি জটিলতাতেও পড়তে হয়েছিল অক্ষয় ও প্রযোজনা সংস্থাকে। রাজস্থানের শ্রী রাজপুত করণি সেনা দাবি করেছিল, ছবির নামে পৃথ্বীরাজকে যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি। তাদের আন্দোলনের মুখেই ছবির নাম ‘পৃথ্বীরাজ’ থেকে বদলে ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ’ করতে বাধ্য হয় যশরাজ ফিল্মস।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!