দেশে হামের উদ্বেগজনক বিস্তার ঠেকাতে আগামী ৫ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইউনিসেফের মাধ্যমে ইতোমধ্যে টিকা সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যে টিকা ও সিরিঞ্জ সংগ্রহ করে তা সারা দেশে পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, যেসব এলাকায় হামের সংক্রমণ বেশি, সেসব এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা টিকা পাবে।
হাম মোকাবিলায় সরকার ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত শয্যা ও ভেন্টিলেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, গাভি থেকে ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা ধার নেওয়া হচ্ছে, যা পরবর্তীতে কিনে পরিশোধ করা হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্য বিভাগ মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউনিসেফ থেকে ১৯ লাখ টিকা পেয়েছি। এই টিকা দেওয়া হবে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সীদের এ টিকা দেওয়া হবে।
দেশে হামের উদ্বেগজনক বিস্তার ঠেকাতে আগামী ৫ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইউনিসেফের মাধ্যমে ইতোমধ্যে টিকা সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যে টিকা ও সিরিঞ্জ সংগ্রহ করে তা সারা দেশে পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, যেসব এলাকায় হামের সংক্রমণ বেশি, সেসব এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা টিকা পাবে।
হাম মোকাবিলায় সরকার ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত শয্যা ও ভেন্টিলেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, গাভি থেকে ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা ধার নেওয়া হচ্ছে, যা পরবর্তীতে কিনে পরিশোধ করা হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্য বিভাগ মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউনিসেফ থেকে ১৯ লাখ টিকা পেয়েছি। এই টিকা দেওয়া হবে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সীদের এ টিকা দেওয়া হবে।
দেশে হামের উদ্বেগজনক বিস্তার ঠেকাতে আগামী ৫ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইউনিসেফের মাধ্যমে ইতোমধ্যে টিকা সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যে টিকা ও সিরিঞ্জ সংগ্রহ করে তা সারা দেশে পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, যেসব এলাকায় হামের সংক্রমণ বেশি, সেসব এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা টিকা পাবে।
হাম মোকাবিলায় সরকার ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত শয্যা ও ভেন্টিলেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, গাভি থেকে ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা ধার নেওয়া হচ্ছে, যা পরবর্তীতে কিনে পরিশোধ করা হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্য বিভাগ মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউনিসেফ থেকে ১৯ লাখ টিকা পেয়েছি। এই টিকা দেওয়া হবে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সীদের এ টিকা দেওয়া হবে।
দেশে হামের উদ্বেগজনক বিস্তার ঠেকাতে আগামী ৫ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি আরও বলেন, মাঠ পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
বুধবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ইউনিসেফের মাধ্যমে ইতোমধ্যে টিকা সরবরাহের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবারের মধ্যে টিকা ও সিরিঞ্জ সংগ্রহ করে তা সারা দেশে পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, যেসব এলাকায় হামের সংক্রমণ বেশি, সেসব এলাকায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকাদান কার্যক্রম শুরু করা হবে। এ কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা টিকা পাবে।
হাম মোকাবিলায় সরকার ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, টিকাদান কার্যক্রম সফল করতে স্বাস্থ্যকর্মীদের সব ধরনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া পর্যাপ্ত শয্যা ও ভেন্টিলেটর প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও জানান, গাভি থেকে ২ কোটি ১৯ লাখ ডোজ টিকা ধার নেওয়া হচ্ছে, যা পরবর্তীতে কিনে পরিশোধ করা হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনার কারণেই বর্তমান পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। তবে দ্রুত পদক্ষেপের মাধ্যমে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনার আশা প্রকাশ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের দ্রুত টিকার আওতায় আনতে স্বাস্থ্য বিভাগ মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইউনিসেফ থেকে ১৯ লাখ টিকা পেয়েছি। এই টিকা দেওয়া হবে। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সীদের এ টিকা দেওয়া হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!