জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে দীন ইসলাম বেপারী হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি কামরুল হাসান রিপনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে রিপনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় মারধরের ঘটনায় তিনি আহত হন। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরদিন ২১ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল সরদার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে সেদিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
আজ শুনানিকালে রিপনকে আদালতে হাজির করা হলে তার পক্ষে অ্যাডভোকেট ওবায়দুল ইসলামসহ আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন।
শুনানিকালে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং সরকারের পতনের সময় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, অসুস্থ অবস্থায় পরিবারের সামনে তাকে মারধর করা হয়েছে। তার হার্টের সমস্যা রয়েছে এবং তিনি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সরকার পতনের দিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর দেড়টার দিকে ছাত্রজনতা শাহবাগের উদ্দেশে মিছিল বের করে। মিছিলটি যাত্রাবাড়ী থানার সামনে চৌরাস্তায় পৌঁছালে পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্রসহ অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় দীন ইসলাম বেপারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে এবং তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে দীন ইসলাম বেপারী হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি কামরুল হাসান রিপনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে রিপনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় মারধরের ঘটনায় তিনি আহত হন। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরদিন ২১ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল সরদার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে সেদিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
আজ শুনানিকালে রিপনকে আদালতে হাজির করা হলে তার পক্ষে অ্যাডভোকেট ওবায়দুল ইসলামসহ আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন।
শুনানিকালে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং সরকারের পতনের সময় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, অসুস্থ অবস্থায় পরিবারের সামনে তাকে মারধর করা হয়েছে। তার হার্টের সমস্যা রয়েছে এবং তিনি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সরকার পতনের দিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর দেড়টার দিকে ছাত্রজনতা শাহবাগের উদ্দেশে মিছিল বের করে। মিছিলটি যাত্রাবাড়ী থানার সামনে চৌরাস্তায় পৌঁছালে পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্রসহ অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় দীন ইসলাম বেপারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে এবং তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে দীন ইসলাম বেপারী হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি কামরুল হাসান রিপনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে রিপনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় মারধরের ঘটনায় তিনি আহত হন। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরদিন ২১ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল সরদার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে সেদিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
আজ শুনানিকালে রিপনকে আদালতে হাজির করা হলে তার পক্ষে অ্যাডভোকেট ওবায়দুল ইসলামসহ আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন।
শুনানিকালে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং সরকারের পতনের সময় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, অসুস্থ অবস্থায় পরিবারের সামনে তাকে মারধর করা হয়েছে। তার হার্টের সমস্যা রয়েছে এবং তিনি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সরকার পতনের দিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর দেড়টার দিকে ছাত্রজনতা শাহবাগের উদ্দেশে মিছিল বের করে। মিছিলটি যাত্রাবাড়ী থানার সামনে চৌরাস্তায় পৌঁছালে পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্রসহ অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় দীন ইসলাম বেপারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে এবং তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
জুলাই আন্দোলনের সময় যাত্রাবাড়ীতে দীন ইসলাম বেপারী হত্যা মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ স্বেচ্ছাসেবক লীগের (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সভাপতি কামরুল হাসান রিপনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য হলে যোগ করা যাবে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম এ আদেশ দেন।
এর আগে গত ২০ জানুয়ারি রাত আড়াইটার দিকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে রিপনকে আটক করে পুলিশ। এ সময় মারধরের ঘটনায় তিনি আহত হন। পরে তাকে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
পরদিন ২১ জানুয়ারি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাসেল সরদার তাকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে সেদিন আদালত তাকে কারাগারে পাঠিয়ে রিমান্ড শুনানির জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য করেন।
আজ শুনানিকালে রিপনকে আদালতে হাজির করা হলে তার পক্ষে অ্যাডভোকেট ওবায়দুল ইসলামসহ আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন।
শুনানিকালে আদালতের অনুমতি নিয়ে রিপন বলেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ এবং সরকারের পতনের সময় হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তিনি দাবি করেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ ছিল না। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্বও তিনি পালন করেছেন।
তিনি আরও বলেন, অসুস্থ অবস্থায় পরিবারের সামনে তাকে মারধর করা হয়েছে। তার হার্টের সমস্যা রয়েছে এবং তিনি কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নন। বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং আদালতের কাছে ন্যায়বিচার প্রার্থনা করেন।
উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মহিন উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, জুলাই অভ্যুত্থানের সময় সরকার পতনের দিন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট দুপুর দেড়টার দিকে ছাত্রজনতা শাহবাগের উদ্দেশে মিছিল বের করে। মিছিলটি যাত্রাবাড়ী থানার সামনে চৌরাস্তায় পৌঁছালে পুলিশ, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আগ্নেয়াস্ত্রসহ অতর্কিত হামলা চালায়। এ সময় দীন ইসলাম বেপারীর শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুলি লাগে এবং তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান। এ ঘটনায় গত বছরের ২০ ফেব্রুয়ারি যাত্রাবাড়ী থানায় হত্যা মামলা দায়ের করা হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!