
আগামী ১০ মার্চ থেকে দেশের ১৩টি উপজেলায় শুরু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম। এদিন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে যেসব এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে সেগুলো হলো-বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জ।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
এছাড়া মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এর প্রতিনিধিরা জানান, এ কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে এবং সরেজমিন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সুবিধাভোগী চূড়ান্ত করা হবে।
নির্বাচিত পরিবারগুলোর নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে নিয়মিত নগদ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আগামী ১০ মার্চ থেকে দেশের ১৩টি উপজেলায় শুরু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম। এদিন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে যেসব এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে সেগুলো হলো-বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জ।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
এছাড়া মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এর প্রতিনিধিরা জানান, এ কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে এবং সরেজমিন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সুবিধাভোগী চূড়ান্ত করা হবে।
নির্বাচিত পরিবারগুলোর নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে নিয়মিত নগদ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আগামী ১০ মার্চ থেকে দেশের ১৩টি উপজেলায় শুরু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম। এদিন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে যেসব এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে সেগুলো হলো-বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জ।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
এছাড়া মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এর প্রতিনিধিরা জানান, এ কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে এবং সরেজমিন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সুবিধাভোগী চূড়ান্ত করা হবে।
নির্বাচিত পরিবারগুলোর নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে নিয়মিত নগদ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আগামী ১০ মার্চ থেকে দেশের ১৩টি উপজেলায় শুরু হচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রম। এদিন কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর সভাপতিত্বে ফ্যামিলি কার্ড সংক্রান্ত কমিটির সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সভায় জানানো হয়, শুরুতে দুটি উপজেলায় পাইলট প্রকল্প চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্প্রসারণ করে দেশের ১৩টি উপজেলার ১৩টি ওয়ার্ডে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিকভাবে যেসব এলাকায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে সেগুলো হলো-বনানীর কড়াইল বস্তি, পাংশা, পতেঙ্গা, বাঞ্ছারামপুর, লামা, খালিশপুর, চরফ্যাশন, দিরাই, ভৈরব, বগুড়া সদর, লালপুর, ঠাকুরগাঁও ও নবাবগঞ্জ।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি ফ্যামিলি কার্ডে পাঁচজন সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বড় পরিবারের ক্ষেত্রে প্রতি পাঁচজনের জন্য আলাদা কার্ড দেওয়া হবে। একই ব্যক্তি একাধিক ভাতা পাবেন না, তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন।
এছাড়া মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়-এর প্রতিনিধিরা জানান, এ কার্ডের মাধ্যমে হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারকে সুসংগঠিতভাবে নগদ সহায়তা দেওয়া হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা হবে এবং সরেজমিন যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে সুবিধাভোগী চূড়ান্ত করা হবে।
নির্বাচিত পরিবারগুলোর নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে নিয়মিত নগদ সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা নারীর ক্ষমতায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!