
হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি প্যারা-মিক্সোভাইরাসের মাধ্যমে ঘটে থাকে। এটি হাম ছড়ানোর সবচেয়ে সাধারণ মাধ্যম। যখন আক্রান্ত ব্যক্তি কথা বলেন— কাশেন বা হাঁচি দেন, তখন ক্ষুদ্র জলকণা বা অ্যারোসল বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। সে কারণে দেশজুড়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ।
হঠাৎ করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে ১০ জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আর মার্চ মাসেই কমপক্ষে ২১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, টিকাদানের ঘাটতি, শিশুদের পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ না পাওয়া, কৃমিনাশক সেবনে অনীহা এবং অপুষ্টিই এ সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
কেমন করে হাম ছড়িয়ে পড়ে, তার একটি ব্যাখ্যা আমরা দিতে পারি ঠিক এভাবে—প্রথম ৩-৪ দিন শুষ্ক কাশি, সর্দি, গলাব্যথা, চোখ লাল হওয়া, আলোতে অস্বস্তি, শরীরে ব্যথা ও ক্লান্তি দেখা দেবে। এই কয়েক দিনের মধ্যে কানের পেছন থেকে শুরু হয়ে মুখ, ঘাড় হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে লালচে-বাদামি ফুসকুড়ি। এটি ৫-৭ দিন স্থায়ী হতে পারে এবং এ সময় জ্বর ওঠানামা করতে পারে।
আর এ সময় মুখের ভেতরে, বিশেষ করে গালে ছোট সাদা দাগ দেখা দিতে পারে, যাকে কোপলিক স্পট বলা হয়। এটি হামের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক লক্ষণ।
হাম হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির নাক ও গলার মিউকাসে থাকা ভাইরাস কাশি, হাঁচি কিংবা কাছাকাছি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটি বাতাসে বা কোনো পৃষ্ঠে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। ফলে দূষিত বস্তু স্পর্শ করে চোখ, নাক বা মুখে হাত দিলেও সংক্রমণ হতে পারে।
আর ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর দ্রুত গলা, ফুসফুস ও লিম্ফ নোডে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এটি চোখ, রক্তনালি—এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে। সংক্রমণের ৯ থেকে ১১ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। আর একই ঘরে বসবাসকারী ৯০ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লক্ষণ প্রকাশের আগেই একজন আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের সংক্রমিত করতে পারেন। সাধারণত ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন আগে থেকে এবং চার দিন পর পর্যন্ত রোগটি সবচেয়ে বেশি ছোঁয়াচে হয়ে থাকে।
তারা আরও বলেন, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে হওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, বিশেষ করে যেখানে টিকাদানের হার কম, সেখানে এ রোগ থেকে নিউমোনিয়া, কানের সংক্রমণ কিংবা মস্তিষ্কের প্রদাহের (এনসেফালাইটিস) মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। আর তাই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচি। এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা এবং সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা ভীষণ জরুরি।

হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি প্যারা-মিক্সোভাইরাসের মাধ্যমে ঘটে থাকে। এটি হাম ছড়ানোর সবচেয়ে সাধারণ মাধ্যম। যখন আক্রান্ত ব্যক্তি কথা বলেন— কাশেন বা হাঁচি দেন, তখন ক্ষুদ্র জলকণা বা অ্যারোসল বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। সে কারণে দেশজুড়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ।
হঠাৎ করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে ১০ জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আর মার্চ মাসেই কমপক্ষে ২১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, টিকাদানের ঘাটতি, শিশুদের পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ না পাওয়া, কৃমিনাশক সেবনে অনীহা এবং অপুষ্টিই এ সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
কেমন করে হাম ছড়িয়ে পড়ে, তার একটি ব্যাখ্যা আমরা দিতে পারি ঠিক এভাবে—প্রথম ৩-৪ দিন শুষ্ক কাশি, সর্দি, গলাব্যথা, চোখ লাল হওয়া, আলোতে অস্বস্তি, শরীরে ব্যথা ও ক্লান্তি দেখা দেবে। এই কয়েক দিনের মধ্যে কানের পেছন থেকে শুরু হয়ে মুখ, ঘাড় হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে লালচে-বাদামি ফুসকুড়ি। এটি ৫-৭ দিন স্থায়ী হতে পারে এবং এ সময় জ্বর ওঠানামা করতে পারে।
আর এ সময় মুখের ভেতরে, বিশেষ করে গালে ছোট সাদা দাগ দেখা দিতে পারে, যাকে কোপলিক স্পট বলা হয়। এটি হামের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক লক্ষণ।
হাম হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির নাক ও গলার মিউকাসে থাকা ভাইরাস কাশি, হাঁচি কিংবা কাছাকাছি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটি বাতাসে বা কোনো পৃষ্ঠে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। ফলে দূষিত বস্তু স্পর্শ করে চোখ, নাক বা মুখে হাত দিলেও সংক্রমণ হতে পারে।
আর ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর দ্রুত গলা, ফুসফুস ও লিম্ফ নোডে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এটি চোখ, রক্তনালি—এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে। সংক্রমণের ৯ থেকে ১১ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। আর একই ঘরে বসবাসকারী ৯০ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লক্ষণ প্রকাশের আগেই একজন আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের সংক্রমিত করতে পারেন। সাধারণত ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন আগে থেকে এবং চার দিন পর পর্যন্ত রোগটি সবচেয়ে বেশি ছোঁয়াচে হয়ে থাকে।
তারা আরও বলেন, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে হওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, বিশেষ করে যেখানে টিকাদানের হার কম, সেখানে এ রোগ থেকে নিউমোনিয়া, কানের সংক্রমণ কিংবা মস্তিষ্কের প্রদাহের (এনসেফালাইটিস) মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। আর তাই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচি। এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা এবং সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা ভীষণ জরুরি।

হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি প্যারা-মিক্সোভাইরাসের মাধ্যমে ঘটে থাকে। এটি হাম ছড়ানোর সবচেয়ে সাধারণ মাধ্যম। যখন আক্রান্ত ব্যক্তি কথা বলেন— কাশেন বা হাঁচি দেন, তখন ক্ষুদ্র জলকণা বা অ্যারোসল বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। সে কারণে দেশজুড়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ।
হঠাৎ করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে ১০ জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আর মার্চ মাসেই কমপক্ষে ২১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, টিকাদানের ঘাটতি, শিশুদের পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ না পাওয়া, কৃমিনাশক সেবনে অনীহা এবং অপুষ্টিই এ সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
কেমন করে হাম ছড়িয়ে পড়ে, তার একটি ব্যাখ্যা আমরা দিতে পারি ঠিক এভাবে—প্রথম ৩-৪ দিন শুষ্ক কাশি, সর্দি, গলাব্যথা, চোখ লাল হওয়া, আলোতে অস্বস্তি, শরীরে ব্যথা ও ক্লান্তি দেখা দেবে। এই কয়েক দিনের মধ্যে কানের পেছন থেকে শুরু হয়ে মুখ, ঘাড় হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে লালচে-বাদামি ফুসকুড়ি। এটি ৫-৭ দিন স্থায়ী হতে পারে এবং এ সময় জ্বর ওঠানামা করতে পারে।
আর এ সময় মুখের ভেতরে, বিশেষ করে গালে ছোট সাদা দাগ দেখা দিতে পারে, যাকে কোপলিক স্পট বলা হয়। এটি হামের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক লক্ষণ।
হাম হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির নাক ও গলার মিউকাসে থাকা ভাইরাস কাশি, হাঁচি কিংবা কাছাকাছি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটি বাতাসে বা কোনো পৃষ্ঠে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। ফলে দূষিত বস্তু স্পর্শ করে চোখ, নাক বা মুখে হাত দিলেও সংক্রমণ হতে পারে।
আর ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর দ্রুত গলা, ফুসফুস ও লিম্ফ নোডে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এটি চোখ, রক্তনালি—এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে। সংক্রমণের ৯ থেকে ১১ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। আর একই ঘরে বসবাসকারী ৯০ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লক্ষণ প্রকাশের আগেই একজন আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের সংক্রমিত করতে পারেন। সাধারণত ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন আগে থেকে এবং চার দিন পর পর্যন্ত রোগটি সবচেয়ে বেশি ছোঁয়াচে হয়ে থাকে।
তারা আরও বলেন, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে হওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, বিশেষ করে যেখানে টিকাদানের হার কম, সেখানে এ রোগ থেকে নিউমোনিয়া, কানের সংক্রমণ কিংবা মস্তিষ্কের প্রদাহের (এনসেফালাইটিস) মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। আর তাই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচি। এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা এবং সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা ভীষণ জরুরি।

হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা প্রধানত বাতাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এটি প্যারা-মিক্সোভাইরাসের মাধ্যমে ঘটে থাকে। এটি হাম ছড়ানোর সবচেয়ে সাধারণ মাধ্যম। যখন আক্রান্ত ব্যক্তি কথা বলেন— কাশেন বা হাঁচি দেন, তখন ক্ষুদ্র জলকণা বা অ্যারোসল বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। সে কারণে দেশজুড়ে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে হাম রোগের সংক্রমণ।
হঠাৎ করে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ইতোমধ্যে ১০ জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। আর মার্চ মাসেই কমপক্ষে ২১ শিশুর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, টিকাদানের ঘাটতি, শিশুদের পর্যাপ্ত মাতৃদুগ্ধ না পাওয়া, কৃমিনাশক সেবনে অনীহা এবং অপুষ্টিই এ সংক্রমণ বৃদ্ধির প্রধান কারণ।
কেমন করে হাম ছড়িয়ে পড়ে, তার একটি ব্যাখ্যা আমরা দিতে পারি ঠিক এভাবে—প্রথম ৩-৪ দিন শুষ্ক কাশি, সর্দি, গলাব্যথা, চোখ লাল হওয়া, আলোতে অস্বস্তি, শরীরে ব্যথা ও ক্লান্তি দেখা দেবে। এই কয়েক দিনের মধ্যে কানের পেছন থেকে শুরু হয়ে মুখ, ঘাড় হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে লালচে-বাদামি ফুসকুড়ি। এটি ৫-৭ দিন স্থায়ী হতে পারে এবং এ সময় জ্বর ওঠানামা করতে পারে।
আর এ সময় মুখের ভেতরে, বিশেষ করে গালে ছোট সাদা দাগ দেখা দিতে পারে, যাকে কোপলিক স্পট বলা হয়। এটি হামের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাথমিক লক্ষণ।
হাম হচ্ছে বিশ্বের অন্যতম একটি সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। আক্রান্ত ব্যক্তির নাক ও গলার মিউকাসে থাকা ভাইরাস কাশি, হাঁচি কিংবা কাছাকাছি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। ভাইরাসটি বাতাসে বা কোনো পৃষ্ঠে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সক্রিয় থাকতে পারে। ফলে দূষিত বস্তু স্পর্শ করে চোখ, নাক বা মুখে হাত দিলেও সংক্রমণ হতে পারে।
আর ভাইরাস শরীরে প্রবেশের পর দ্রুত গলা, ফুসফুস ও লিম্ফ নোডে ছড়িয়ে পড়ে। পরে এটি চোখ, রক্তনালি—এমনকি মস্তিষ্কেও প্রভাব ফেলতে পারে। সংক্রমণের ৯ থেকে ১১ দিনের মধ্যে লক্ষণ দেখা দিতে শুরু করে।
এক গবেষণায় দেখা গেছে, টিকা না নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সংক্রমণের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি। আর একই ঘরে বসবাসকারী ৯০ শতাংশ মানুষ আক্রান্ত হতে পারে।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, লক্ষণ প্রকাশের আগেই একজন আক্রান্ত ব্যক্তি অন্যদের সংক্রমিত করতে পারেন। সাধারণত ফুসকুড়ি ওঠার চার দিন আগে থেকে এবং চার দিন পর পর্যন্ত রোগটি সবচেয়ে বেশি ছোঁয়াচে হয়ে থাকে।
তারা আরও বলেন, হাম অত্যন্ত ছোঁয়াচে হওয়ায় দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, বিশেষ করে যেখানে টিকাদানের হার কম, সেখানে এ রোগ থেকে নিউমোনিয়া, কানের সংক্রমণ কিংবা মস্তিষ্কের প্রদাহের (এনসেফালাইটিস) মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। আর তাই লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচি। এবং আক্রান্ত ব্যক্তিকে আলাদা রাখা এবং সময়মতো টিকা নিশ্চিত করা ভীষণ জরুরি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!