
দেশের ১০ জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে ৭৬৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষ করে হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের মধ্যে ৬০ শতাংশই নয় মাসের কম বয়সী।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সাধারণত ৯–১৫ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বয়সসীমা কমিয়ে টিকাদান কার্যক্রম চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসার পাশাপাশি ইসলামী দোয়া ও আমলও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ধর্মীয় বিশ্লেষকরা। হাদিসে বর্ণিত আছে, মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন—যে ব্যক্তি কোনো রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে দেখে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করবে, সে ওই রোগ থেকে নিরাপদ থাকবে (তিরমিজি: ৩৪৩২)।
সংক্রামক ব্যাধি থেকে বাঁচার দোয়া
উচ্চারণ: আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আ-ফানি মিম্মাবতালাকা বিহি, ওয়া ফাদদলানি আলা কাছিরিম মিম্মান খলাকা তাফদিলা।
অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে অন্যের আক্রান্ত হওয়া রোগ থেকে নিরাপদ রেখেছেন এবং অসংখ্য সৃষ্টির ওপর আমাকে সম্মান দান করেছেন।
শরীর ও ইন্দ্রিয়ের সুস্থতার দোয়া
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি সাময়ি; আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাসারি। লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমার দেহ, শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি সুস্থ রাখুন। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।
দুরারোগ্য রোগ থেকে আশ্রয় প্রার্থনার দোয়া
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনূনি ওয়াল জুযামি ওয়া মিন সাইয়্যিইল আসকাম।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি শ্বেত, পাগলামি, কুষ্ঠসহ সব ধরনের কঠিন রোগ থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
ধর্মীয় বর্ণনায় উল্লেখ আছে, আইয়ুব (আ.) কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়েও ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত সুস্থতা লাভ করেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে টিকাদান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং চিকিৎসার পাশাপাশি দোয়া ও ধৈর্য ধারণ-সবকিছুর সমন্বয়ই সবচেয়ে কার্যকর।

দেশের ১০ জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে ৭৬৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষ করে হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের মধ্যে ৬০ শতাংশই নয় মাসের কম বয়সী।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সাধারণত ৯–১৫ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বয়সসীমা কমিয়ে টিকাদান কার্যক্রম চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসার পাশাপাশি ইসলামী দোয়া ও আমলও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ধর্মীয় বিশ্লেষকরা। হাদিসে বর্ণিত আছে, মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন—যে ব্যক্তি কোনো রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে দেখে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করবে, সে ওই রোগ থেকে নিরাপদ থাকবে (তিরমিজি: ৩৪৩২)।
সংক্রামক ব্যাধি থেকে বাঁচার দোয়া
উচ্চারণ: আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আ-ফানি মিম্মাবতালাকা বিহি, ওয়া ফাদদলানি আলা কাছিরিম মিম্মান খলাকা তাফদিলা।
অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে অন্যের আক্রান্ত হওয়া রোগ থেকে নিরাপদ রেখেছেন এবং অসংখ্য সৃষ্টির ওপর আমাকে সম্মান দান করেছেন।
শরীর ও ইন্দ্রিয়ের সুস্থতার দোয়া
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি সাময়ি; আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাসারি। লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমার দেহ, শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি সুস্থ রাখুন। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।
দুরারোগ্য রোগ থেকে আশ্রয় প্রার্থনার দোয়া
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনূনি ওয়াল জুযামি ওয়া মিন সাইয়্যিইল আসকাম।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি শ্বেত, পাগলামি, কুষ্ঠসহ সব ধরনের কঠিন রোগ থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
ধর্মীয় বর্ণনায় উল্লেখ আছে, আইয়ুব (আ.) কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়েও ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত সুস্থতা লাভ করেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে টিকাদান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং চিকিৎসার পাশাপাশি দোয়া ও ধৈর্য ধারণ-সবকিছুর সমন্বয়ই সবচেয়ে কার্যকর।

দেশের ১০ জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে ৭৬৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষ করে হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের মধ্যে ৬০ শতাংশই নয় মাসের কম বয়সী।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সাধারণত ৯–১৫ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বয়সসীমা কমিয়ে টিকাদান কার্যক্রম চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসার পাশাপাশি ইসলামী দোয়া ও আমলও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ধর্মীয় বিশ্লেষকরা। হাদিসে বর্ণিত আছে, মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন—যে ব্যক্তি কোনো রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে দেখে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করবে, সে ওই রোগ থেকে নিরাপদ থাকবে (তিরমিজি: ৩৪৩২)।
সংক্রামক ব্যাধি থেকে বাঁচার দোয়া
উচ্চারণ: আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আ-ফানি মিম্মাবতালাকা বিহি, ওয়া ফাদদলানি আলা কাছিরিম মিম্মান খলাকা তাফদিলা।
অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে অন্যের আক্রান্ত হওয়া রোগ থেকে নিরাপদ রেখেছেন এবং অসংখ্য সৃষ্টির ওপর আমাকে সম্মান দান করেছেন।
শরীর ও ইন্দ্রিয়ের সুস্থতার দোয়া
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি সাময়ি; আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাসারি। লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমার দেহ, শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি সুস্থ রাখুন। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।
দুরারোগ্য রোগ থেকে আশ্রয় প্রার্থনার দোয়া
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনূনি ওয়াল জুযামি ওয়া মিন সাইয়্যিইল আসকাম।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি শ্বেত, পাগলামি, কুষ্ঠসহ সব ধরনের কঠিন রোগ থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
ধর্মীয় বর্ণনায় উল্লেখ আছে, আইয়ুব (আ.) কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়েও ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত সুস্থতা লাভ করেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে টিকাদান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং চিকিৎসার পাশাপাশি দোয়া ও ধৈর্য ধারণ-সবকিছুর সমন্বয়ই সবচেয়ে কার্যকর।

দেশের ১০ জেলায় হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। ৩০ মার্চ পর্যন্ত দেশে ৭৬৪ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে এবং কিছু মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। বিশেষ করে হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের মধ্যে ৬০ শতাংশই নয় মাসের কম বয়সী।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সাধারণত ৯–১৫ মাস বয়সে হামের টিকা দেওয়া হলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে বিশেষ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে বয়সসীমা কমিয়ে টিকাদান কার্যক্রম চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসার পাশাপাশি ইসলামী দোয়া ও আমলও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন ধর্মীয় বিশ্লেষকরা। হাদিসে বর্ণিত আছে, মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন—যে ব্যক্তি কোনো রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে দেখে নির্দিষ্ট দোয়া পাঠ করবে, সে ওই রোগ থেকে নিরাপদ থাকবে (তিরমিজি: ৩৪৩২)।
সংক্রামক ব্যাধি থেকে বাঁচার দোয়া
উচ্চারণ: আলহামদু লিল্লাহিল্লাজি আ-ফানি মিম্মাবতালাকা বিহি, ওয়া ফাদদলানি আলা কাছিরিম মিম্মান খলাকা তাফদিলা।
অর্থ: সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমাকে অন্যের আক্রান্ত হওয়া রোগ থেকে নিরাপদ রেখেছেন এবং অসংখ্য সৃষ্টির ওপর আমাকে সম্মান দান করেছেন।
শরীর ও ইন্দ্রিয়ের সুস্থতার দোয়া
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাদানি, আল্লাহুম্মা আফিনি ফি সাময়ি; আল্লাহুম্মা আফিনি ফি বাসারি। লা ইলাহা ইল্লা আনতা, আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল কুফরি ওয়াল ফাকরি।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমার দেহ, শ্রবণ ও দৃষ্টিশক্তি সুস্থ রাখুন। আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই।
দুরারোগ্য রোগ থেকে আশ্রয় প্রার্থনার দোয়া
উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিনাল বারাসি ওয়াল জুনূনি ওয়াল জুযামি ওয়া মিন সাইয়্যিইল আসকাম।
অর্থ: হে আল্লাহ, আমি শ্বেত, পাগলামি, কুষ্ঠসহ সব ধরনের কঠিন রোগ থেকে আপনার আশ্রয় প্রার্থনা করছি।
ধর্মীয় বর্ণনায় উল্লেখ আছে, আইয়ুব (আ.) কঠিন রোগে আক্রান্ত হয়েও ধৈর্য ধারণ করে আল্লাহর কাছে দোয়া করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত সুস্থতা লাভ করেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে টিকাদান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং চিকিৎসার পাশাপাশি দোয়া ও ধৈর্য ধারণ-সবকিছুর সমন্বয়ই সবচেয়ে কার্যকর।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!