দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের যাতায়াতের পাশাপাশি রাতযাপনের সুযোগও থাকছে। এ নিয়ে আগের নির্দেশনায় যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটাতে নির্দেশনা সংশোধন করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াত করতে পারবেন। এ সময় দ্বীপে রাতযাপনে কোনো বাধা থাকবে না। দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে এ বিষয়ে সংশোধিত নির্দেশনা জারি করা হয়।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনায় জানানো হয়েছিল, ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত শুরু হবে এবং তা চলবে আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত।
তবে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনে নভেম্বরে দিনের বেলায় দ্বীপে গিয়ে একই দিনে ফিরে আসার বাধ্যবাধকতা থাকায় নতুন সিদ্ধান্তের সঙ্গে পুরোনো বিধানের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পর্যটকদের যাতায়াত চালু রেখে রাতযাপনের সুযোগ না রাখার বিষয়টি নিয়েও সমালোচনা হয়।
মঙ্গলবারের সংশোধিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের প্রজ্ঞাপনের গ, ঘ, ঙ ও চ অনুচ্ছেদ আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশোধিত বলে গণ্য হবে।
আগের প্রজ্ঞাপনে নভেম্বরে রাতযাপন নিষিদ্ধ, ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে রাতযাপনের অনুমতি, দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটকের সীমা এবং ফেব্রুয়ারিতে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ রাখার বিধান ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটক যাতায়াত এবং দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটকের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং যাতায়াত ব্যবস্থাপনার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পর্যটন মৌসুমের সময়সীমা ও পর্যটকের সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না। কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আগের প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য নির্দেশনা বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে টিকিট কিনতে হবে। টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড থাকতে হবে।
দ্বীপে রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টি করা যাবে না। কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ এবং কেনাবেচাও নিষিদ্ধ থাকবে।
এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চালানো নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ পলিথিন বহন করা যাবে না এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পর্যটকদের সঙ্গে পানির ফ্লাস্ক রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, পুলিশ সুপার ও ট্যুরিস্ট পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের যাতায়াতের পাশাপাশি রাতযাপনের সুযোগও থাকছে। এ নিয়ে আগের নির্দেশনায় যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটাতে নির্দেশনা সংশোধন করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াত করতে পারবেন। এ সময় দ্বীপে রাতযাপনে কোনো বাধা থাকবে না। দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে এ বিষয়ে সংশোধিত নির্দেশনা জারি করা হয়।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনায় জানানো হয়েছিল, ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত শুরু হবে এবং তা চলবে আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত।
তবে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনে নভেম্বরে দিনের বেলায় দ্বীপে গিয়ে একই দিনে ফিরে আসার বাধ্যবাধকতা থাকায় নতুন সিদ্ধান্তের সঙ্গে পুরোনো বিধানের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পর্যটকদের যাতায়াত চালু রেখে রাতযাপনের সুযোগ না রাখার বিষয়টি নিয়েও সমালোচনা হয়।
মঙ্গলবারের সংশোধিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের প্রজ্ঞাপনের গ, ঘ, ঙ ও চ অনুচ্ছেদ আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশোধিত বলে গণ্য হবে।
আগের প্রজ্ঞাপনে নভেম্বরে রাতযাপন নিষিদ্ধ, ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে রাতযাপনের অনুমতি, দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটকের সীমা এবং ফেব্রুয়ারিতে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ রাখার বিধান ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটক যাতায়াত এবং দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটকের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং যাতায়াত ব্যবস্থাপনার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পর্যটন মৌসুমের সময়সীমা ও পর্যটকের সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না। কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আগের প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য নির্দেশনা বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে টিকিট কিনতে হবে। টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড থাকতে হবে।
দ্বীপে রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টি করা যাবে না। কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ এবং কেনাবেচাও নিষিদ্ধ থাকবে।
এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চালানো নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ পলিথিন বহন করা যাবে না এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পর্যটকদের সঙ্গে পানির ফ্লাস্ক রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, পুলিশ সুপার ও ট্যুরিস্ট পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের যাতায়াতের পাশাপাশি রাতযাপনের সুযোগও থাকছে। এ নিয়ে আগের নির্দেশনায় যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটাতে নির্দেশনা সংশোধন করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াত করতে পারবেন। এ সময় দ্বীপে রাতযাপনে কোনো বাধা থাকবে না। দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে এ বিষয়ে সংশোধিত নির্দেশনা জারি করা হয়।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনায় জানানো হয়েছিল, ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত শুরু হবে এবং তা চলবে আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত।
তবে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনে নভেম্বরে দিনের বেলায় দ্বীপে গিয়ে একই দিনে ফিরে আসার বাধ্যবাধকতা থাকায় নতুন সিদ্ধান্তের সঙ্গে পুরোনো বিধানের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পর্যটকদের যাতায়াত চালু রেখে রাতযাপনের সুযোগ না রাখার বিষয়টি নিয়েও সমালোচনা হয়।
মঙ্গলবারের সংশোধিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের প্রজ্ঞাপনের গ, ঘ, ঙ ও চ অনুচ্ছেদ আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশোধিত বলে গণ্য হবে।
আগের প্রজ্ঞাপনে নভেম্বরে রাতযাপন নিষিদ্ধ, ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে রাতযাপনের অনুমতি, দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটকের সীমা এবং ফেব্রুয়ারিতে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ রাখার বিধান ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটক যাতায়াত এবং দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটকের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং যাতায়াত ব্যবস্থাপনার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পর্যটন মৌসুমের সময়সীমা ও পর্যটকের সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না। কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আগের প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য নির্দেশনা বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে টিকিট কিনতে হবে। টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড থাকতে হবে।
দ্বীপে রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টি করা যাবে না। কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ এবং কেনাবেচাও নিষিদ্ধ থাকবে।
এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চালানো নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ পলিথিন বহন করা যাবে না এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পর্যটকদের সঙ্গে পানির ফ্লাস্ক রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, পুলিশ সুপার ও ট্যুরিস্ট পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে আগামী ১ নভেম্বর থেকে পর্যটকদের যাতায়াতের পাশাপাশি রাতযাপনের সুযোগও থাকছে। এ নিয়ে আগের নির্দেশনায় যে জটিলতা তৈরি হয়েছিল, তা কাটাতে নির্দেশনা সংশোধন করেছে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়।
সংশোধিত নির্দেশনা অনুযায়ী, আগামী ১ নভেম্বর থেকে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটকেরা সেন্টমার্টিনে যাতায়াত করতে পারবেন। এ সময় দ্বীপে রাতযাপনে কোনো বাধা থাকবে না। দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটক যাওয়ার সুযোগ পাবেন।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) মন্ত্রণালয়ের পরিবেশ-২ শাখা থেকে এ বিষয়ে সংশোধিত নির্দেশনা জারি করা হয়।
এর আগে গত ১২ অক্টোবর অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে ২৫ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনায় জানানো হয়েছিল, ১ নভেম্বর থেকে সেন্টমার্টিনে পর্যটক যাতায়াত শুরু হবে এবং তা চলবে আগামী বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত।
তবে ২০২৫ সালের ২২ অক্টোবরের প্রজ্ঞাপনে নভেম্বরে দিনের বেলায় দ্বীপে গিয়ে একই দিনে ফিরে আসার বাধ্যবাধকতা থাকায় নতুন সিদ্ধান্তের সঙ্গে পুরোনো বিধানের সামঞ্জস্য নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পর্যটকদের যাতায়াত চালু রেখে রাতযাপনের সুযোগ না রাখার বিষয়টি নিয়েও সমালোচনা হয়।
মঙ্গলবারের সংশোধিত নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের প্রজ্ঞাপনের গ, ঘ, ঙ ও চ অনুচ্ছেদ আন্তমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সংশোধিত বলে গণ্য হবে।
আগের প্রজ্ঞাপনে নভেম্বরে রাতযাপন নিষিদ্ধ, ডিসেম্বর ও জানুয়ারিতে রাতযাপনের অনুমতি, দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটকের সীমা এবং ফেব্রুয়ারিতে পর্যটক যাতায়াত বন্ধ রাখার বিধান ছিল। নতুন সিদ্ধান্তে ১ নভেম্বর থেকে ১৫ মার্চ পর্যন্ত পর্যটক যাতায়াত এবং দৈনিক গড়ে সর্বোচ্চ সাড়ে তিন হাজার পর্যটকের সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
গত ১২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টুর সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। দ্বীপের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, পর্যটকদের নিরাপত্তা এবং যাতায়াত ব্যবস্থাপনার বিষয় বিবেচনায় নিয়ে পর্যটন মৌসুমের সময়সীমা ও পর্যটকের সংখ্যা পুনর্নির্ধারণ করা হয়।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ ও নৌপরিবহন অধিদপ্তর সেন্টমার্টিনে নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না। কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া ঘাট থেকে অনুমোদিত পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল অব্যাহত থাকবে।
এদিকে আগের প্রজ্ঞাপনের অন্যান্য নির্দেশনা বহাল রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে টিকিট কিনতে হবে। টিকিটে ট্রাভেল পাস ও কিউআর কোড থাকতে হবে।
দ্বীপে রাতে সমুদ্রসৈকত ও আশপাশের এলাকায় আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি এবং বারবিকিউ পার্টি করা যাবে না। কেয়াবনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ এবং কেনাবেচাও নিষিদ্ধ থাকবে।
এ ছাড়া সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, শামুক, ঝিনুক, তারামাছ, রাজকাঁকড়া, সামুদ্রিক ঘাস ও শৈবালসহ দ্বীপের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা যাবে না। সমুদ্রসৈকতে মোটরসাইকেল ও সি-বাইক চালানো নিষিদ্ধ। নিষিদ্ধ পলিথিন বহন করা যাবে না এবং একবার ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিকের ব্যবহার নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পর্যটকদের সঙ্গে পানির ফ্লাস্ক রাখার পরামর্শও দেওয়া হয়েছে।
নতুন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, পরিবেশ অধিদপ্তর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড, পুলিশ সুপার ও ট্যুরিস্ট পুলিশকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!
২৭ অক্টোবর, ২০২৬
জাতীয়