
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শুটার রনিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতারের পর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।
তিনি জানান, দিনের বেলায় সাহেব আলীকে গুলি করে হত্যার ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে সেই ফুটেজ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হত্যাকাণ্ডের পর জড়িতরা পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে এসআরবি। একপর্যায়ে মূল অভিযুক্ত রনি নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সাহেব আলীকে প্রথমবার গুলি করার পর তিনি পাশের একটি নালায় পড়ে যান। পরে রনি আবারও গুলি চালিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। গ্রেফতারের পর রনিকে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক জানান, এ ঘটনায় এর আগে ১৩ অক্টোবর সাব্বির নামে তিন নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।
হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ বলেন, নিহত সাহেব আলী ও গ্রেফতার রনি দুজনই এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তারা একই গ্রুপে কাজ করতেন। তবে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ এককভাবে নিজের হাতে রাখা এবং ব্যবসার ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধের জেরেই সাহেব আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরে সুযোগ পেয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, সাহেব আলী ও রনি দুজনকেই এর আগে র্যাব গ্রেফতার করেছিল। পরে তারা জামিনে মুক্ত হন। রনির বিরুদ্ধে দুটি হত্যা, ছিনতাই ও মারামারিসহ চারটি মামলা রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রসঙ্গে এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক বলেন, তারা মূলত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের এ ঘটনায় জড়িত চক্রের আরও আটজনকে এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া চাষাঢ়া ও রূপগঞ্জ থেকে কোবরা রাসেল ও শ্রাবণসহ একাধিক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এসব অভিযানের ফলে নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শুটার রনিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতারের পর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।
তিনি জানান, দিনের বেলায় সাহেব আলীকে গুলি করে হত্যার ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে সেই ফুটেজ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হত্যাকাণ্ডের পর জড়িতরা পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে এসআরবি। একপর্যায়ে মূল অভিযুক্ত রনি নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সাহেব আলীকে প্রথমবার গুলি করার পর তিনি পাশের একটি নালায় পড়ে যান। পরে রনি আবারও গুলি চালিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। গ্রেফতারের পর রনিকে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক জানান, এ ঘটনায় এর আগে ১৩ অক্টোবর সাব্বির নামে তিন নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।
হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ বলেন, নিহত সাহেব আলী ও গ্রেফতার রনি দুজনই এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তারা একই গ্রুপে কাজ করতেন। তবে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ এককভাবে নিজের হাতে রাখা এবং ব্যবসার ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধের জেরেই সাহেব আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরে সুযোগ পেয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, সাহেব আলী ও রনি দুজনকেই এর আগে র্যাব গ্রেফতার করেছিল। পরে তারা জামিনে মুক্ত হন। রনির বিরুদ্ধে দুটি হত্যা, ছিনতাই ও মারামারিসহ চারটি মামলা রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রসঙ্গে এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক বলেন, তারা মূলত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের এ ঘটনায় জড়িত চক্রের আরও আটজনকে এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া চাষাঢ়া ও রূপগঞ্জ থেকে কোবরা রাসেল ও শ্রাবণসহ একাধিক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এসব অভিযানের ফলে নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শুটার রনিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতারের পর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।
তিনি জানান, দিনের বেলায় সাহেব আলীকে গুলি করে হত্যার ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে সেই ফুটেজ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হত্যাকাণ্ডের পর জড়িতরা পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে এসআরবি। একপর্যায়ে মূল অভিযুক্ত রনি নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সাহেব আলীকে প্রথমবার গুলি করার পর তিনি পাশের একটি নালায় পড়ে যান। পরে রনি আবারও গুলি চালিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। গ্রেফতারের পর রনিকে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক জানান, এ ঘটনায় এর আগে ১৩ অক্টোবর সাব্বির নামে তিন নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।
হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ বলেন, নিহত সাহেব আলী ও গ্রেফতার রনি দুজনই এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তারা একই গ্রুপে কাজ করতেন। তবে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ এককভাবে নিজের হাতে রাখা এবং ব্যবসার ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধের জেরেই সাহেব আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরে সুযোগ পেয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, সাহেব আলী ও রনি দুজনকেই এর আগে র্যাব গ্রেফতার করেছিল। পরে তারা জামিনে মুক্ত হন। রনির বিরুদ্ধে দুটি হত্যা, ছিনতাই ও মারামারিসহ চারটি মামলা রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রসঙ্গে এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক বলেন, তারা মূলত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের এ ঘটনায় জড়িত চক্রের আরও আটজনকে এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া চাষাঢ়া ও রূপগঞ্জ থেকে কোবরা রাসেল ও শ্রাবণসহ একাধিক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এসব অভিযানের ফলে নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সাহেব আলীকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় মূল অভিযুক্ত শুটার রনিকে গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)। শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেফতারের পর হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে এসআরবির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ।
তিনি জানান, দিনের বেলায় সাহেব আলীকে গুলি করে হত্যার ঘটনাটি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। পরে সেই ফুটেজ ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় আতঙ্ক ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। হত্যাকাণ্ডের পর জড়িতরা পালিয়ে যায়। তাদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে এসআরবি। একপর্যায়ে মূল অভিযুক্ত রনি নারায়ণগঞ্জ থেকে পালিয়ে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জে আশ্রয় নেন। সেখান থেকেই তাকে গ্রেফতার করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, সাহেব আলীকে প্রথমবার গুলি করার পর তিনি পাশের একটি নালায় পড়ে যান। পরে রনি আবারও গুলি চালিয়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত করেন। গ্রেফতারের পর রনিকে নিয়ে তল্লাশি চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত পিস্তল ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক জানান, এ ঘটনায় এর আগে ১৩ অক্টোবর সাব্বির নামে তিন নম্বর আসামিকে গ্রেফতার করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারেও অভিযান চলছে।
হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাসুদ পারভেজ বলেন, নিহত সাহেব আলী ও গ্রেফতার রনি দুজনই এলাকায় সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত। তারা একই গ্রুপে কাজ করতেন। তবে মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ এককভাবে নিজের হাতে রাখা এবং ব্যবসার ভাগাভাগি নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধের জেরেই সাহেব আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়। পরে সুযোগ পেয়ে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয় বলে জানান তিনি।
তিনি আরও জানান, সাহেব আলী ও রনি দুজনকেই এর আগে র্যাব গ্রেফতার করেছিল। পরে তারা জামিনে মুক্ত হন। রনির বিরুদ্ধে দুটি হত্যা, ছিনতাই ও মারামারিসহ চারটি মামলা রয়েছে।
নারায়ণগঞ্জের সন্ত্রাসীদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রসঙ্গে এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক বলেন, তারা মূলত সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ী। তাদের কোনো রাজনৈতিক পরিচয় বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, সিদ্ধিরগঞ্জের এ ঘটনায় জড়িত চক্রের আরও আটজনকে এর আগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ছাড়া চাষাঢ়া ও রূপগঞ্জ থেকে কোবরা রাসেল ও শ্রাবণসহ একাধিক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। জেলা পুলিশও বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করেছে।
এসব অভিযানের ফলে নারায়ণগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি। এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান এসআরবি-১১-এর অধিনায়ক।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!