
পবিত্র রমজান মাস সিয়াম, সাধনা ও সংযমের মাস। ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থেকে আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক বিকাশের সাধনা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। রোজা শুরুর আগে সাহরি এবং সূর্যাস্তে ইফতারের মাধ্যমে দিনের উপবাস সম্পন্ন হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজায় সুস্থ থাকতে সাহরিতে খাবার নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার আছে, যেগুলো সাহরিতে খেলে দিনের বেলায় অস্বস্তি, পানিশূন্যতা বা হজমের সমস্যা বাড়তে পারে।
ক্যাফেইনযুক্ত ও কার্বনেটেড পানীয়
খালি পেটে কার্বনেটেড বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান করলে অ্যাসিডিটি, ডিহাইড্রেশন ও জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন অনিদ্রারও কারণ হতে পারে। তাই সাহরিতে কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চা বা কফি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। এর বদলে পর্যাপ্ত পানি, লেবু-পানি বা প্রাকৃতিক পানীয় গ্রহণ শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়ক।
মসলাদার ও ভাজাপোড়া খাবার
অতিরিক্ত মসলাদার ও ভাজা খাবার অ্যাসিডিটি বাড়ায় এবং ক্যালোরি বেশি থাকায় শরীরে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। সাহরিতে চপ, সমুচা, পাকোড়া, ব্রেড রোলের মতো ভাজাপোড়া খাবার না খাওয়াই ভালো। একইভাবে গুলাব জামুনের মতো অতিরিক্ত মিষ্টি ও তেলযুক্ত খাবারও সীমিত রাখা উচিত, যাতে রোজার সময় পেট স্বস্তিতে থাকে।
সোডিয়ামসমৃদ্ধ খাবার
অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম শরীরে পানিশূন্যতা ও অলসতা বাড়াতে পারে। প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে সাধারণত সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই সাহরিতে এসব খাবার এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লবণ না খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
সুষম ও হালকা খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং ফলমূলসহ পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস রোজার সময় শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়ক হতে পারে।

পবিত্র রমজান মাস সিয়াম, সাধনা ও সংযমের মাস। ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থেকে আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক বিকাশের সাধনা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। রোজা শুরুর আগে সাহরি এবং সূর্যাস্তে ইফতারের মাধ্যমে দিনের উপবাস সম্পন্ন হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজায় সুস্থ থাকতে সাহরিতে খাবার নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার আছে, যেগুলো সাহরিতে খেলে দিনের বেলায় অস্বস্তি, পানিশূন্যতা বা হজমের সমস্যা বাড়তে পারে।
ক্যাফেইনযুক্ত ও কার্বনেটেড পানীয়
খালি পেটে কার্বনেটেড বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান করলে অ্যাসিডিটি, ডিহাইড্রেশন ও জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন অনিদ্রারও কারণ হতে পারে। তাই সাহরিতে কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চা বা কফি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। এর বদলে পর্যাপ্ত পানি, লেবু-পানি বা প্রাকৃতিক পানীয় গ্রহণ শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়ক।
মসলাদার ও ভাজাপোড়া খাবার
অতিরিক্ত মসলাদার ও ভাজা খাবার অ্যাসিডিটি বাড়ায় এবং ক্যালোরি বেশি থাকায় শরীরে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। সাহরিতে চপ, সমুচা, পাকোড়া, ব্রেড রোলের মতো ভাজাপোড়া খাবার না খাওয়াই ভালো। একইভাবে গুলাব জামুনের মতো অতিরিক্ত মিষ্টি ও তেলযুক্ত খাবারও সীমিত রাখা উচিত, যাতে রোজার সময় পেট স্বস্তিতে থাকে।
সোডিয়ামসমৃদ্ধ খাবার
অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম শরীরে পানিশূন্যতা ও অলসতা বাড়াতে পারে। প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে সাধারণত সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই সাহরিতে এসব খাবার এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লবণ না খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
সুষম ও হালকা খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং ফলমূলসহ পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস রোজার সময় শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়ক হতে পারে।

পবিত্র রমজান মাস সিয়াম, সাধনা ও সংযমের মাস। ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থেকে আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক বিকাশের সাধনা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। রোজা শুরুর আগে সাহরি এবং সূর্যাস্তে ইফতারের মাধ্যমে দিনের উপবাস সম্পন্ন হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজায় সুস্থ থাকতে সাহরিতে খাবার নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার আছে, যেগুলো সাহরিতে খেলে দিনের বেলায় অস্বস্তি, পানিশূন্যতা বা হজমের সমস্যা বাড়তে পারে।
ক্যাফেইনযুক্ত ও কার্বনেটেড পানীয়
খালি পেটে কার্বনেটেড বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান করলে অ্যাসিডিটি, ডিহাইড্রেশন ও জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন অনিদ্রারও কারণ হতে পারে। তাই সাহরিতে কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চা বা কফি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। এর বদলে পর্যাপ্ত পানি, লেবু-পানি বা প্রাকৃতিক পানীয় গ্রহণ শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়ক।
মসলাদার ও ভাজাপোড়া খাবার
অতিরিক্ত মসলাদার ও ভাজা খাবার অ্যাসিডিটি বাড়ায় এবং ক্যালোরি বেশি থাকায় শরীরে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। সাহরিতে চপ, সমুচা, পাকোড়া, ব্রেড রোলের মতো ভাজাপোড়া খাবার না খাওয়াই ভালো। একইভাবে গুলাব জামুনের মতো অতিরিক্ত মিষ্টি ও তেলযুক্ত খাবারও সীমিত রাখা উচিত, যাতে রোজার সময় পেট স্বস্তিতে থাকে।
সোডিয়ামসমৃদ্ধ খাবার
অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম শরীরে পানিশূন্যতা ও অলসতা বাড়াতে পারে। প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে সাধারণত সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই সাহরিতে এসব খাবার এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লবণ না খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
সুষম ও হালকা খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং ফলমূলসহ পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস রোজার সময় শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়ক হতে পারে।

পবিত্র রমজান মাস সিয়াম, সাধনা ও সংযমের মাস। ভোর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খাদ্য ও পানীয় থেকে বিরত থেকে আত্মশুদ্ধি ও আধ্যাত্মিক বিকাশের সাধনা করেন ধর্মপ্রাণ মুসলমানেরা। রোজা শুরুর আগে সাহরি এবং সূর্যাস্তে ইফতারের মাধ্যমে দিনের উপবাস সম্পন্ন হয়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজায় সুস্থ থাকতে সাহরিতে খাবার নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ। কিছু খাবার আছে, যেগুলো সাহরিতে খেলে দিনের বেলায় অস্বস্তি, পানিশূন্যতা বা হজমের সমস্যা বাড়তে পারে।
ক্যাফেইনযুক্ত ও কার্বনেটেড পানীয়
খালি পেটে কার্বনেটেড বা ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান করলে অ্যাসিডিটি, ডিহাইড্রেশন ও জ্বালাপোড়া বাড়তে পারে। অতিরিক্ত ক্যাফেইন অনিদ্রারও কারণ হতে পারে। তাই সাহরিতে কোমল পানীয়, অতিরিক্ত চা বা কফি এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন পুষ্টিবিদেরা। এর বদলে পর্যাপ্ত পানি, লেবু-পানি বা প্রাকৃতিক পানীয় গ্রহণ শরীরের পানির ঘাটতি পূরণে সহায়ক।
মসলাদার ও ভাজাপোড়া খাবার
অতিরিক্ত মসলাদার ও ভাজা খাবার অ্যাসিডিটি বাড়ায় এবং ক্যালোরি বেশি থাকায় শরীরে অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। সাহরিতে চপ, সমুচা, পাকোড়া, ব্রেড রোলের মতো ভাজাপোড়া খাবার না খাওয়াই ভালো। একইভাবে গুলাব জামুনের মতো অতিরিক্ত মিষ্টি ও তেলযুক্ত খাবারও সীমিত রাখা উচিত, যাতে রোজার সময় পেট স্বস্তিতে থাকে।
সোডিয়ামসমৃদ্ধ খাবার
অতিরিক্ত লবণ বা সোডিয়াম শরীরে পানিশূন্যতা ও অলসতা বাড়াতে পারে। প্যাকেটজাত ও প্রক্রিয়াজাত খাবারে সাধারণত সোডিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। তাই সাহরিতে এসব খাবার এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজনের অতিরিক্ত লবণ না খাওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
সুষম ও হালকা খাবার, পর্যাপ্ত পানি এবং ফলমূলসহ পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস রোজার সময় শরীরকে সতেজ রাখতে সহায়ক হতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!