
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়ন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। চুক্তির বেশ কয়েকটি ধারা নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি নতুন করে জটিল হয়ে উঠছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে—চুক্তির ১, ৪, ৫, ১০ ও ১১ নম্বর ধারা এখন প্রধান বিরোধের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরানের ভাষ্য, যেসব বিষয়ে আগে সমঝোতা হয়েছে, সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
চুক্তির প্রথম ধারায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানানোর বিষয়ে একমত হয়েছিল। এর মধ্যে লেবাননের সার্বভৌমত্বের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লেবানন পরিস্থিতির কোনো স্থায়ী সমাধান না হলে এই আলোচনা আর এগোবে না। একই সঙ্গে তেহরান চায়, মার্কিন ট্রেজারির অস্থায়ী নির্দেশনার মাধ্যমে ইরানের ওপর থেকে কার্যকরভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হোক।
এ ছাড়া ইরানের ভূখণ্ড ও আশপাশের এলাকা থেকে মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে দেশটি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি বাস্তবায়নে ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ইরান তাদের ইউরেনিয়ামের মজুত কমাতে বাস্তবে কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা তারা স্পষ্টভাবে দেখতে চায়।
বিশ্লেষকদের মতে, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও বাস্তবায়ন নিয়ে এই টানাপোড়েন দুই দেশের মধ্যে আস্থার সংকট পুরোপুরি কাটেনি বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়ন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। চুক্তির বেশ কয়েকটি ধারা নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি নতুন করে জটিল হয়ে উঠছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে—চুক্তির ১, ৪, ৫, ১০ ও ১১ নম্বর ধারা এখন প্রধান বিরোধের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরানের ভাষ্য, যেসব বিষয়ে আগে সমঝোতা হয়েছে, সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
চুক্তির প্রথম ধারায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানানোর বিষয়ে একমত হয়েছিল। এর মধ্যে লেবাননের সার্বভৌমত্বের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লেবানন পরিস্থিতির কোনো স্থায়ী সমাধান না হলে এই আলোচনা আর এগোবে না। একই সঙ্গে তেহরান চায়, মার্কিন ট্রেজারির অস্থায়ী নির্দেশনার মাধ্যমে ইরানের ওপর থেকে কার্যকরভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হোক।
এ ছাড়া ইরানের ভূখণ্ড ও আশপাশের এলাকা থেকে মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে দেশটি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি বাস্তবায়নে ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ইরান তাদের ইউরেনিয়ামের মজুত কমাতে বাস্তবে কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা তারা স্পষ্টভাবে দেখতে চায়।
বিশ্লেষকদের মতে, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও বাস্তবায়ন নিয়ে এই টানাপোড়েন দুই দেশের মধ্যে আস্থার সংকট পুরোপুরি কাটেনি বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়ন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। চুক্তির বেশ কয়েকটি ধারা নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি নতুন করে জটিল হয়ে উঠছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে—চুক্তির ১, ৪, ৫, ১০ ও ১১ নম্বর ধারা এখন প্রধান বিরোধের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরানের ভাষ্য, যেসব বিষয়ে আগে সমঝোতা হয়েছে, সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
চুক্তির প্রথম ধারায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানানোর বিষয়ে একমত হয়েছিল। এর মধ্যে লেবাননের সার্বভৌমত্বের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লেবানন পরিস্থিতির কোনো স্থায়ী সমাধান না হলে এই আলোচনা আর এগোবে না। একই সঙ্গে তেহরান চায়, মার্কিন ট্রেজারির অস্থায়ী নির্দেশনার মাধ্যমে ইরানের ওপর থেকে কার্যকরভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হোক।
এ ছাড়া ইরানের ভূখণ্ড ও আশপাশের এলাকা থেকে মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে দেশটি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি বাস্তবায়নে ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ইরান তাদের ইউরেনিয়ামের মজুত কমাতে বাস্তবে কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা তারা স্পষ্টভাবে দেখতে চায়।
বিশ্লেষকদের মতে, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও বাস্তবায়ন নিয়ে এই টানাপোড়েন দুই দেশের মধ্যে আস্থার সংকট পুরোপুরি কাটেনি বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) বাস্তবায়ন নিয়ে দুই দেশের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। চুক্তির বেশ কয়েকটি ধারা নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় পরিস্থিতি নতুন করে জটিল হয়ে উঠছে।
আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে—চুক্তির ১, ৪, ৫, ১০ ও ১১ নম্বর ধারা এখন প্রধান বিরোধের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তেহরানের ভাষ্য, যেসব বিষয়ে আগে সমঝোতা হয়েছে, সেগুলো যুক্তরাষ্ট্রকে অবশ্যই মেনে চলতে হবে।
চুক্তির প্রথম ধারায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান জানানোর বিষয়ে একমত হয়েছিল। এর মধ্যে লেবাননের সার্বভৌমত্বের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ইরানের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, লেবানন পরিস্থিতির কোনো স্থায়ী সমাধান না হলে এই আলোচনা আর এগোবে না। একই সঙ্গে তেহরান চায়, মার্কিন ট্রেজারির অস্থায়ী নির্দেশনার মাধ্যমে ইরানের ওপর থেকে কার্যকরভাবে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হোক।
এ ছাড়া ইরানের ভূখণ্ড ও আশপাশের এলাকা থেকে মার্কিন বাহিনী পুরোপুরি সরিয়ে নেওয়ার দাবিও জানিয়েছে দেশটি।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি বাস্তবায়নে ইরানের ওপর চাপ বাড়াচ্ছে। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ইরান তাদের ইউরেনিয়ামের মজুত কমাতে বাস্তবে কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা তারা স্পষ্টভাবে দেখতে চায়।
বিশ্লেষকদের মতে, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পরও বাস্তবায়ন নিয়ে এই টানাপোড়েন দুই দেশের মধ্যে আস্থার সংকট পুরোপুরি কাটেনি বলেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!