রাজধানীর বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। বিশেষ করে চিনি, ভোজ্যতেল, আটা, ময়দা ও ডিমের দাম বাড়তি থাকায় স্বস্তি ফিরছে না ক্রেতাদের মধ্যে। একই সঙ্গে কয়েকটি পণ্যের সরবরাহও কমে গেছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্যাকেটজাত ময়দা বর্তমানে প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও এর দাম ছিল ৭০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেটের দামও ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।
চিনির বাজারেও দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা বেশি। বিক্রেতাদের দাবি, মিলগেট ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহও কমেছে। ফলে অনেক দোকানে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।
ভোজ্যতেলের বাজারেও সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০০ টাকা হলেও অনেক দোকানে চাহিদা অনুযায়ী বোতলজাত তেল মিলছে না।
অন্যদিকে, সরবরাহ বাড়ায় সবজির দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে বেশির ভাগ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পটোল, পেঁপে ও ঢ্যাঁড়সের দাম তুলনামূলক কম। কাঁচা মরিচের দামও কমেছে; খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজের দাম বড় ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা এবং কিছু পাড়া-মহল্লার দোকানে ১৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে কয়েকটি সবজির দাম কমলেও চিনি, তেল, আটা-ময়দা ও ডিমের বাড়তি দামে চাপে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
রাজধানীর বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। বিশেষ করে চিনি, ভোজ্যতেল, আটা, ময়দা ও ডিমের দাম বাড়তি থাকায় স্বস্তি ফিরছে না ক্রেতাদের মধ্যে। একই সঙ্গে কয়েকটি পণ্যের সরবরাহও কমে গেছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্যাকেটজাত ময়দা বর্তমানে প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও এর দাম ছিল ৭০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেটের দামও ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।
চিনির বাজারেও দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা বেশি। বিক্রেতাদের দাবি, মিলগেট ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহও কমেছে। ফলে অনেক দোকানে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।
ভোজ্যতেলের বাজারেও সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০০ টাকা হলেও অনেক দোকানে চাহিদা অনুযায়ী বোতলজাত তেল মিলছে না।
অন্যদিকে, সরবরাহ বাড়ায় সবজির দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে বেশির ভাগ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পটোল, পেঁপে ও ঢ্যাঁড়সের দাম তুলনামূলক কম। কাঁচা মরিচের দামও কমেছে; খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজের দাম বড় ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা এবং কিছু পাড়া-মহল্লার দোকানে ১৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে কয়েকটি সবজির দাম কমলেও চিনি, তেল, আটা-ময়দা ও ডিমের বাড়তি দামে চাপে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
রাজধানীর বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। বিশেষ করে চিনি, ভোজ্যতেল, আটা, ময়দা ও ডিমের দাম বাড়তি থাকায় স্বস্তি ফিরছে না ক্রেতাদের মধ্যে। একই সঙ্গে কয়েকটি পণ্যের সরবরাহও কমে গেছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্যাকেটজাত ময়দা বর্তমানে প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও এর দাম ছিল ৭০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেটের দামও ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।
চিনির বাজারেও দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা বেশি। বিক্রেতাদের দাবি, মিলগেট ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহও কমেছে। ফলে অনেক দোকানে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।
ভোজ্যতেলের বাজারেও সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০০ টাকা হলেও অনেক দোকানে চাহিদা অনুযায়ী বোতলজাত তেল মিলছে না।
অন্যদিকে, সরবরাহ বাড়ায় সবজির দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে বেশির ভাগ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পটোল, পেঁপে ও ঢ্যাঁড়সের দাম তুলনামূলক কম। কাঁচা মরিচের দামও কমেছে; খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজের দাম বড় ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা এবং কিছু পাড়া-মহল্লার দোকানে ১৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে কয়েকটি সবজির দাম কমলেও চিনি, তেল, আটা-ময়দা ও ডিমের বাড়তি দামে চাপে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
রাজধানীর বাজারে সবজির দাম কিছুটা কমলেও নিত্যপ্রয়োজনীয় মুদি পণ্যের বাজারে অস্থিরতা বেড়েছে। বিশেষ করে চিনি, ভোজ্যতেল, আটা, ময়দা ও ডিমের দাম বাড়তি থাকায় স্বস্তি ফিরছে না ক্রেতাদের মধ্যে। একই সঙ্গে কয়েকটি পণ্যের সরবরাহও কমে গেছে।
শুক্রবার (২৮ আগস্ট) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্যাকেটজাত ময়দা বর্তমানে প্রতি কেজি ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ১৫ থেকে ২০ দিন আগেও এর দাম ছিল ৭০ টাকা। অর্থাৎ কেজিতে বেড়েছে ১০ টাকা। দুই কেজির প্যাকেটের দামও ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে ১৬০ টাকা হয়েছে।
চিনির বাজারেও দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি চিনি ১২০ থেকে ১২৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগের তুলনায় প্রায় ১০ টাকা বেশি। বিক্রেতাদের দাবি, মিলগেট ও পাইকারি পর্যায়ে দাম বাড়ার পাশাপাশি সরবরাহও কমেছে। ফলে অনেক দোকানে চিনি পাওয়া যাচ্ছে না।
ভোজ্যতেলের বাজারেও সরবরাহ সংকট দেখা দিয়েছে। খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮৫ থেকে ১৯০ টাকা এবং খোলা পাম তেল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সরকার নির্ধারিত বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটার ২০০ টাকা হলেও অনেক দোকানে চাহিদা অনুযায়ী বোতলজাত তেল মিলছে না।
অন্যদিকে, সরবরাহ বাড়ায় সবজির দাম কিছুটা কমেছে। বর্তমানে বেশির ভাগ সবজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। পটোল, পেঁপে ও ঢ্যাঁড়সের দাম তুলনামূলক কম। কাঁচা মরিচের দামও কমেছে; খুচরা বাজারে প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা এবং কারওয়ান বাজারে পাইকারিতে ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
পেঁয়াজের দাম বড় ধরনের পরিবর্তন ছাড়াই মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকা এবং আলু ২৫ থেকে ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের বাজারে এখনো স্বস্তি নেই। প্রতি ডজন ডিম ১৫০ টাকা এবং কিছু পাড়া-মহল্লার দোকানে ১৬০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।
এ ছাড়া ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সব মিলিয়ে কয়েকটি সবজির দাম কমলেও চিনি, তেল, আটা-ময়দা ও ডিমের বাড়তি দামে চাপে রয়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!