
রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প থেকে ৩৮ মামলার আসামি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী বুনিয়া সোহেলকে (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার দুই সহযোগী—নয়ন (৩০) ও রাব্বি (২৮)—কে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি দুটি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ আটক করা হয়।
সেনাসূত্র জানায়, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেরেবাংলা আর্মি ক্যাম্পে খবর আসে যে জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় বুনিয়া সোহেলকে গণপিটুনি দেওয়া হচ্ছে। তিনটি সেনা টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
এরপর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল ও শেরেবাংলা আর্মি ক্যাম্প এলাকার আশপাশে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় সোহেলের দুই সহযোগী নয়ন ও রাব্বিকে। টহল দল তাদের আটক করে।
পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১টা থেকে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি সেনা টহল দলের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি ৭.৬৫ মিমি ক্যালিবারের দুইটি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন কর্মকর্তা জানান, বুনিয়া সোহেলের বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন থানায় প্রায় ৪০টি মামলা রয়েছে। গত এক বছরে তার গ্যাং মোহাম্মদপুরে ৭–৮টি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রতিপক্ষের হামলায় সোহেল আহত হওয়ার পর তার সহযোগীরা অস্ত্র সংগ্রহ করে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে জানান তিনি।
অভিযান শেষে হাসপাতালে পুলিশের প্রহরায় থাকা অবস্থায় বুনিয়া সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে তার দুই সহযোগী ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র মোহাম্মদপুর থানায় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প থেকে ৩৮ মামলার আসামি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী বুনিয়া সোহেলকে (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার দুই সহযোগী—নয়ন (৩০) ও রাব্বি (২৮)—কে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি দুটি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ আটক করা হয়।
সেনাসূত্র জানায়, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেরেবাংলা আর্মি ক্যাম্পে খবর আসে যে জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় বুনিয়া সোহেলকে গণপিটুনি দেওয়া হচ্ছে। তিনটি সেনা টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
এরপর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল ও শেরেবাংলা আর্মি ক্যাম্প এলাকার আশপাশে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় সোহেলের দুই সহযোগী নয়ন ও রাব্বিকে। টহল দল তাদের আটক করে।
পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১টা থেকে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি সেনা টহল দলের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি ৭.৬৫ মিমি ক্যালিবারের দুইটি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন কর্মকর্তা জানান, বুনিয়া সোহেলের বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন থানায় প্রায় ৪০টি মামলা রয়েছে। গত এক বছরে তার গ্যাং মোহাম্মদপুরে ৭–৮টি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রতিপক্ষের হামলায় সোহেল আহত হওয়ার পর তার সহযোগীরা অস্ত্র সংগ্রহ করে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে জানান তিনি।
অভিযান শেষে হাসপাতালে পুলিশের প্রহরায় থাকা অবস্থায় বুনিয়া সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে তার দুই সহযোগী ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র মোহাম্মদপুর থানায় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প থেকে ৩৮ মামলার আসামি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী বুনিয়া সোহেলকে (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার দুই সহযোগী—নয়ন (৩০) ও রাব্বি (২৮)—কে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি দুটি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ আটক করা হয়।
সেনাসূত্র জানায়, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেরেবাংলা আর্মি ক্যাম্পে খবর আসে যে জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় বুনিয়া সোহেলকে গণপিটুনি দেওয়া হচ্ছে। তিনটি সেনা টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
এরপর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল ও শেরেবাংলা আর্মি ক্যাম্প এলাকার আশপাশে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় সোহেলের দুই সহযোগী নয়ন ও রাব্বিকে। টহল দল তাদের আটক করে।
পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১টা থেকে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি সেনা টহল দলের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি ৭.৬৫ মিমি ক্যালিবারের দুইটি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন কর্মকর্তা জানান, বুনিয়া সোহেলের বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন থানায় প্রায় ৪০টি মামলা রয়েছে। গত এক বছরে তার গ্যাং মোহাম্মদপুরে ৭–৮টি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রতিপক্ষের হামলায় সোহেল আহত হওয়ার পর তার সহযোগীরা অস্ত্র সংগ্রহ করে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে জানান তিনি।
অভিযান শেষে হাসপাতালে পুলিশের প্রহরায় থাকা অবস্থায় বুনিয়া সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে তার দুই সহযোগী ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র মোহাম্মদপুর থানায় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প থেকে ৩৮ মামলার আসামি ও শীর্ষ সন্ত্রাসী বুনিয়া সোহেলকে (৪০) গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী ও পুলিশ। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। তার দুই সহযোগী—নয়ন (৩০) ও রাব্বি (২৮)—কে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি দুটি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলিসহ আটক করা হয়।
সেনাসূত্র জানায়, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শেরেবাংলা আর্মি ক্যাম্পে খবর আসে যে জেনেভা ক্যাম্প এলাকায় বুনিয়া সোহেলকে গণপিটুনি দেওয়া হচ্ছে। তিনটি সেনা টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।
এরপর সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল ও শেরেবাংলা আর্মি ক্যাম্প এলাকার আশপাশে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায় সোহেলের দুই সহযোগী নয়ন ও রাব্বিকে। টহল দল তাদের আটক করে।
পরে তাদের তথ্যের ভিত্তিতে রাত ১টা থেকে মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন স্থানে ছয়টি সেনা টহল দলের অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি ৭.৬৫ মিমি ক্যালিবারের দুইটি পিস্তল ও ছয় রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়।
৪৬ স্বতন্ত্র পদাতিক ব্রিগেডের একজন কর্মকর্তা জানান, বুনিয়া সোহেলের বিরুদ্ধে ঢাকার বিভিন্ন থানায় প্রায় ৪০টি মামলা রয়েছে। গত এক বছরে তার গ্যাং মোহাম্মদপুরে ৭–৮টি হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। প্রতিপক্ষের হামলায় সোহেল আহত হওয়ার পর তার সহযোগীরা অস্ত্র সংগ্রহ করে প্রতিশোধ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে জানান তিনি।
অভিযান শেষে হাসপাতালে পুলিশের প্রহরায় থাকা অবস্থায় বুনিয়া সোহেলকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একইসঙ্গে তার দুই সহযোগী ও উদ্ধারকৃত অস্ত্র মোহাম্মদপুর থানায় আইনি প্রক্রিয়ার জন্য হস্তান্তর করা হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!