-1767779496082-130503743.webp&w=1920&q=75)
উত্তরের জনপদ ঈশ্বরদীতে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
আজ বুধবার সকালে ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার বেগে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হয়।
রাত গভীর হলেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে সড়ক ও মহাসড়ক। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা এতটাই ঘন হয়ে ওঠে যে কয়েক হাত দূরের কিছুই দেখা যায় না। ফলে মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা। জীবিকার তাগিদে কনকনে শীত উপেক্ষা করেই সকাল-সকাল কাজে বের হতে হচ্ছে তাদের।
উপজেলা শহরের রিকশাচালক সুদেব সরকার বলেন, সকালে এত ঠান্ডা আর কুয়াশা থাকে যে রাস্তা দেখা যায় না। তবু পেটের দায়ে বের হতে হয়। ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে।
নূর মহল্লা এলাকার দিনমজুর রাবেয়া খাতুন বলেন, সকালে কাজ করতে খুব কষ্ট হয়। কুয়াশায় কিছুই দেখা যায় না, কিন্তু কাজে না গেলে সংসার চলে না।
শীতের প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের ওপরও। ঈশ্বরদী সরকারি এস এম উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মৌসুমি আক্তার বলেন, সকালে স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কুয়াশা এত বেশি থাকে যে সামনে কিছুই দেখা যায় না। খুব ঠান্ডা লাগে।
এক অভিভাবক আফসার আলী বলেন, এমন কুয়াশায় ছোট বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। কখন কী হয় বলা যায় না।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, আজ ঈশ্বরদীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার বেগে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এ ধরনের শীত পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
-1767779496082-130503743.webp&w=1920&q=75)
উত্তরের জনপদ ঈশ্বরদীতে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
আজ বুধবার সকালে ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার বেগে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হয়।
রাত গভীর হলেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে সড়ক ও মহাসড়ক। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা এতটাই ঘন হয়ে ওঠে যে কয়েক হাত দূরের কিছুই দেখা যায় না। ফলে মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা। জীবিকার তাগিদে কনকনে শীত উপেক্ষা করেই সকাল-সকাল কাজে বের হতে হচ্ছে তাদের।
উপজেলা শহরের রিকশাচালক সুদেব সরকার বলেন, সকালে এত ঠান্ডা আর কুয়াশা থাকে যে রাস্তা দেখা যায় না। তবু পেটের দায়ে বের হতে হয়। ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে।
নূর মহল্লা এলাকার দিনমজুর রাবেয়া খাতুন বলেন, সকালে কাজ করতে খুব কষ্ট হয়। কুয়াশায় কিছুই দেখা যায় না, কিন্তু কাজে না গেলে সংসার চলে না।
শীতের প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের ওপরও। ঈশ্বরদী সরকারি এস এম উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মৌসুমি আক্তার বলেন, সকালে স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কুয়াশা এত বেশি থাকে যে সামনে কিছুই দেখা যায় না। খুব ঠান্ডা লাগে।
এক অভিভাবক আফসার আলী বলেন, এমন কুয়াশায় ছোট বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। কখন কী হয় বলা যায় না।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, আজ ঈশ্বরদীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার বেগে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এ ধরনের শীত পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
-1767779496082-130503743.webp&w=1920&q=75)
উত্তরের জনপদ ঈশ্বরদীতে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
আজ বুধবার সকালে ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার বেগে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হয়।
রাত গভীর হলেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে সড়ক ও মহাসড়ক। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা এতটাই ঘন হয়ে ওঠে যে কয়েক হাত দূরের কিছুই দেখা যায় না। ফলে মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা। জীবিকার তাগিদে কনকনে শীত উপেক্ষা করেই সকাল-সকাল কাজে বের হতে হচ্ছে তাদের।
উপজেলা শহরের রিকশাচালক সুদেব সরকার বলেন, সকালে এত ঠান্ডা আর কুয়াশা থাকে যে রাস্তা দেখা যায় না। তবু পেটের দায়ে বের হতে হয়। ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে।
নূর মহল্লা এলাকার দিনমজুর রাবেয়া খাতুন বলেন, সকালে কাজ করতে খুব কষ্ট হয়। কুয়াশায় কিছুই দেখা যায় না, কিন্তু কাজে না গেলে সংসার চলে না।
শীতের প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের ওপরও। ঈশ্বরদী সরকারি এস এম উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মৌসুমি আক্তার বলেন, সকালে স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কুয়াশা এত বেশি থাকে যে সামনে কিছুই দেখা যায় না। খুব ঠান্ডা লাগে।
এক অভিভাবক আফসার আলী বলেন, এমন কুয়াশায় ছোট বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। কখন কী হয় বলা যায় না।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, আজ ঈশ্বরদীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার বেগে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এ ধরনের শীত পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
-1767779496082-130503743.webp&w=1920&q=75)
উত্তরের জনপদ ঈশ্বরদীতে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। বুধবার (৭ জানুয়ারি) ঈশ্বরদীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হিমালয় থেকে নেমে আসা পাহাড়ি হিমেল বাতাসে শীতের তীব্রতা আরও বেড়েছে। তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশায় জনজীবনে চরম দুর্ভোগ নেমে এসেছে।
আজ বুধবার সকালে ঈশ্বরদী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে চলতি মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার বেগে হিমেল বাতাস প্রবাহিত হয়।
রাত গভীর হলেই ঘন কুয়াশায় ঢেকে যাচ্ছে সড়ক ও মহাসড়ক। ভোর থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা এতটাই ঘন হয়ে ওঠে যে কয়েক হাত দূরের কিছুই দেখা যায় না। ফলে মহাসড়কে যানবাহনগুলো হেডলাইট জ্বালিয়ে ধীরগতিতে চলাচল করছে। তীব্র ঠান্ডায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর, খেটে খাওয়া মানুষ ও নিম্ন আয়ের শ্রমজীবীরা। জীবিকার তাগিদে কনকনে শীত উপেক্ষা করেই সকাল-সকাল কাজে বের হতে হচ্ছে তাদের।
উপজেলা শহরের রিকশাচালক সুদেব সরকার বলেন, সকালে এত ঠান্ডা আর কুয়াশা থাকে যে রাস্তা দেখা যায় না। তবু পেটের দায়ে বের হতে হয়। ঠান্ডায় হাত-পা অবশ হয়ে আসে।
নূর মহল্লা এলাকার দিনমজুর রাবেয়া খাতুন বলেন, সকালে কাজ করতে খুব কষ্ট হয়। কুয়াশায় কিছুই দেখা যায় না, কিন্তু কাজে না গেলে সংসার চলে না।
শীতের প্রভাব পড়েছে শিক্ষার্থীদের ওপরও। ঈশ্বরদী সরকারি এস এম উচ্চ বিদ্যালয় অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী মৌসুমি আক্তার বলেন, সকালে স্কুলে যেতে খুব কষ্ট হয়। কুয়াশা এত বেশি থাকে যে সামনে কিছুই দেখা যায় না। খুব ঠান্ডা লাগে।
এক অভিভাবক আফসার আলী বলেন, এমন কুয়াশায় ছোট বাচ্চাদের স্কুলে পাঠাতে ভয় লাগে। কখন কী হয় বলা যায় না।
ঈশ্বরদী আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষক নাজমুল হক রঞ্জন জানান, আজ ঈশ্বরদীতে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৭ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাসের আর্দ্রতা ছিল শতভাগ এবং ঘণ্টায় ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার বেগে ঠান্ডা বাতাস বয়ে যাচ্ছে। আগামী কয়েক দিন এ ধরনের শীত পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!