রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় থাকা চার নেতা হলেন—দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, যিনি নতুন রাষ্ট্রপতি হবেন, তিনি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের সময়ও দায়িত্বে থাকবেন। সে কারণে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে সরকার ও বিএনপি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। দল ও দলের বাইরে অনেকের মতে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তিনি অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী। তবে এ বিষয়ে তার ব্যক্তিগত অবস্থান জানা যায়নি।
এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে তাদের নাম সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এসেছে বলে দলীয় নেতারা জানিয়েছেন।
এদিকে, বিএনপির চার নেতার পাশাপাশি একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন আমলার নামও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা দেওয়া হয়নি। দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সূত্র: সমকাল।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় থাকা চার নেতা হলেন—দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, যিনি নতুন রাষ্ট্রপতি হবেন, তিনি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের সময়ও দায়িত্বে থাকবেন। সে কারণে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে সরকার ও বিএনপি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। দল ও দলের বাইরে অনেকের মতে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তিনি অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী। তবে এ বিষয়ে তার ব্যক্তিগত অবস্থান জানা যায়নি।
এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে তাদের নাম সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এসেছে বলে দলীয় নেতারা জানিয়েছেন।
এদিকে, বিএনপির চার নেতার পাশাপাশি একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন আমলার নামও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা দেওয়া হয়নি। দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সূত্র: সমকাল।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় থাকা চার নেতা হলেন—দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, যিনি নতুন রাষ্ট্রপতি হবেন, তিনি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের সময়ও দায়িত্বে থাকবেন। সে কারণে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে সরকার ও বিএনপি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। দল ও দলের বাইরে অনেকের মতে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তিনি অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী। তবে এ বিষয়ে তার ব্যক্তিগত অবস্থান জানা যায়নি।
এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে তাদের নাম সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এসেছে বলে দলীয় নেতারা জানিয়েছেন।
এদিকে, বিএনপির চার নেতার পাশাপাশি একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন আমলার নামও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা দেওয়া হয়নি। দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সূত্র: সমকাল।
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে নতুন রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির চার জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপি সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, আলোচনায় থাকা চার নেতা হলেন—দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান ও নজরুল ইসলাম খান।
সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। পরে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। আগামী সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠেয় সংসদ অধিবেশনেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
দলীয় সূত্র বলছে, যিনি নতুন রাষ্ট্রপতি হবেন, তিনি পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনের সময়ও দায়িত্বে থাকবেন। সে কারণে বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে সরকার ও বিএনপি।
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিবের দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বর্তমানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। দল ও দলের বাইরে অনেকের মতে, রাষ্ট্রপতি পদের জন্য তিনি অন্যতম সম্ভাব্য প্রার্থী। তবে এ বিষয়ে তার ব্যক্তিগত অবস্থান জানা যায়নি।
এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের নামও আলোচনায় রয়েছে। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির কারণে তাদের নাম সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় এসেছে বলে দলীয় নেতারা জানিয়েছেন।
এদিকে, বিএনপির চার নেতার পাশাপাশি একজন সাবেক প্রধান বিচারপতি এবং গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে থাকা একজন আমলার নামও সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিভিন্ন মহলে আলোচনায় রয়েছে।
তবে এ বিষয়ে এখনো বিএনপির পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা ঘোষণা দেওয়া হয়নি। দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সূত্র: সমকাল।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!