
রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো শীতকালীন সবজিতে ভরপুর হলেও দামে মিলছে না স্বস্তি। মৌসুমের শুরুতে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমলেও পরে আর কমেনি সবজির দাম। ফলে শীতের তরিতরকারি এলেও বাজারে চড়া দামের আগুনে পুড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বাজারে লাউ, বেগুন, টমেটো, শিম, কুমড়া, বরবটি, ফুলকপি, বাঁধাকপি—সবই পাওয়া যাচ্ছে প্রাচুর্যে। কিন্তু দামের হাল আগের মতোই বেগুন: ৮০–১০০ টাকা কেজি, করলা: ৮০ টাকা, শিম: প্রায় ১০০ টাকা কেজি, টমেটো: ১২০–১৪০ টাকা কেজি, লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা, ফুলকপি/বাঁধাকপি প্রতি পিস ৫০–৬০ টাকা।
কদমতলীর মো. আজগর আলী বলেন, একটা ফুলকপি, বেগুন আর কাঁচামরিচ কিনতেই ২০০ টাকা চলে গেল। ভেবেছিলাম শীতের সবজিতে স্বস্তি পাবো, কিন্তু বাজারে আসলেই অস্বস্তি।
ব্যবসায়ীদের ব্যাখ্যা খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীত বাড়লে সরবরাহ বাড়বে এবং দাম কমবে। কিন্তু পাইকাররা বলছেন, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের তুলনায় দাম এবার বেশি থাকবে।
যাত্রাবাড়ী পাইকারি বাজারের সরবরাহকারী ইনতেজার আলী জানান, সবজির আমদানি ও বিক্রি দুটোই ভালো। কিন্তু স্থানীয় হাটেই জিনিস বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। উৎপাদন খরচ ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। তাই দাম নামতে চায় না।
অন্যান্য পণ্যের বাজার কাঁচামরিচ কিছুটা কমে ১২০–১৫০ টাকা কেজি, আলু বাড়তি, এখন ২৫–৩০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ স্থিতিশীল, ১০০–১২০ টাকা কেজি, ব্রয়লার মুরগি ১৬০–১৭০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি: ২৯০–৩০০ টাকা কেজি , ডিম প্রতি ডজন ১২০–১৩০ টাকা

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো শীতকালীন সবজিতে ভরপুর হলেও দামে মিলছে না স্বস্তি। মৌসুমের শুরুতে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমলেও পরে আর কমেনি সবজির দাম। ফলে শীতের তরিতরকারি এলেও বাজারে চড়া দামের আগুনে পুড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বাজারে লাউ, বেগুন, টমেটো, শিম, কুমড়া, বরবটি, ফুলকপি, বাঁধাকপি—সবই পাওয়া যাচ্ছে প্রাচুর্যে। কিন্তু দামের হাল আগের মতোই বেগুন: ৮০–১০০ টাকা কেজি, করলা: ৮০ টাকা, শিম: প্রায় ১০০ টাকা কেজি, টমেটো: ১২০–১৪০ টাকা কেজি, লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা, ফুলকপি/বাঁধাকপি প্রতি পিস ৫০–৬০ টাকা।
কদমতলীর মো. আজগর আলী বলেন, একটা ফুলকপি, বেগুন আর কাঁচামরিচ কিনতেই ২০০ টাকা চলে গেল। ভেবেছিলাম শীতের সবজিতে স্বস্তি পাবো, কিন্তু বাজারে আসলেই অস্বস্তি।
ব্যবসায়ীদের ব্যাখ্যা খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীত বাড়লে সরবরাহ বাড়বে এবং দাম কমবে। কিন্তু পাইকাররা বলছেন, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের তুলনায় দাম এবার বেশি থাকবে।
যাত্রাবাড়ী পাইকারি বাজারের সরবরাহকারী ইনতেজার আলী জানান, সবজির আমদানি ও বিক্রি দুটোই ভালো। কিন্তু স্থানীয় হাটেই জিনিস বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। উৎপাদন খরচ ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। তাই দাম নামতে চায় না।
অন্যান্য পণ্যের বাজার কাঁচামরিচ কিছুটা কমে ১২০–১৫০ টাকা কেজি, আলু বাড়তি, এখন ২৫–৩০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ স্থিতিশীল, ১০০–১২০ টাকা কেজি, ব্রয়লার মুরগি ১৬০–১৭০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি: ২৯০–৩০০ টাকা কেজি , ডিম প্রতি ডজন ১২০–১৩০ টাকা

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো শীতকালীন সবজিতে ভরপুর হলেও দামে মিলছে না স্বস্তি। মৌসুমের শুরুতে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমলেও পরে আর কমেনি সবজির দাম। ফলে শীতের তরিতরকারি এলেও বাজারে চড়া দামের আগুনে পুড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বাজারে লাউ, বেগুন, টমেটো, শিম, কুমড়া, বরবটি, ফুলকপি, বাঁধাকপি—সবই পাওয়া যাচ্ছে প্রাচুর্যে। কিন্তু দামের হাল আগের মতোই বেগুন: ৮০–১০০ টাকা কেজি, করলা: ৮০ টাকা, শিম: প্রায় ১০০ টাকা কেজি, টমেটো: ১২০–১৪০ টাকা কেজি, লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা, ফুলকপি/বাঁধাকপি প্রতি পিস ৫০–৬০ টাকা।
কদমতলীর মো. আজগর আলী বলেন, একটা ফুলকপি, বেগুন আর কাঁচামরিচ কিনতেই ২০০ টাকা চলে গেল। ভেবেছিলাম শীতের সবজিতে স্বস্তি পাবো, কিন্তু বাজারে আসলেই অস্বস্তি।
ব্যবসায়ীদের ব্যাখ্যা খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীত বাড়লে সরবরাহ বাড়বে এবং দাম কমবে। কিন্তু পাইকাররা বলছেন, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের তুলনায় দাম এবার বেশি থাকবে।
যাত্রাবাড়ী পাইকারি বাজারের সরবরাহকারী ইনতেজার আলী জানান, সবজির আমদানি ও বিক্রি দুটোই ভালো। কিন্তু স্থানীয় হাটেই জিনিস বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। উৎপাদন খরচ ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। তাই দাম নামতে চায় না।
অন্যান্য পণ্যের বাজার কাঁচামরিচ কিছুটা কমে ১২০–১৫০ টাকা কেজি, আলু বাড়তি, এখন ২৫–৩০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ স্থিতিশীল, ১০০–১২০ টাকা কেজি, ব্রয়লার মুরগি ১৬০–১৭০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি: ২৯০–৩০০ টাকা কেজি , ডিম প্রতি ডজন ১২০–১৩০ টাকা

রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলো শীতকালীন সবজিতে ভরপুর হলেও দামে মিলছে না স্বস্তি। মৌসুমের শুরুতে কেজিতে ১০ টাকা পর্যন্ত কমলেও পরে আর কমেনি সবজির দাম। ফলে শীতের তরিতরকারি এলেও বাজারে চড়া দামের আগুনে পুড়ছেন সাধারণ ক্রেতারা।
বাজারে লাউ, বেগুন, টমেটো, শিম, কুমড়া, বরবটি, ফুলকপি, বাঁধাকপি—সবই পাওয়া যাচ্ছে প্রাচুর্যে। কিন্তু দামের হাল আগের মতোই বেগুন: ৮০–১০০ টাকা কেজি, করলা: ৮০ টাকা, শিম: প্রায় ১০০ টাকা কেজি, টমেটো: ১২০–১৪০ টাকা কেজি, লাউ প্রতি পিস ৭০ টাকা, ফুলকপি/বাঁধাকপি প্রতি পিস ৫০–৬০ টাকা।
কদমতলীর মো. আজগর আলী বলেন, একটা ফুলকপি, বেগুন আর কাঁচামরিচ কিনতেই ২০০ টাকা চলে গেল। ভেবেছিলাম শীতের সবজিতে স্বস্তি পাবো, কিন্তু বাজারে আসলেই অস্বস্তি।
ব্যবসায়ীদের ব্যাখ্যা খুচরা ব্যবসায়ীরা বলছেন, শীত বাড়লে সরবরাহ বাড়বে এবং দাম কমবে। কিন্তু পাইকাররা বলছেন, উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় গত বছরের তুলনায় দাম এবার বেশি থাকবে।
যাত্রাবাড়ী পাইকারি বাজারের সরবরাহকারী ইনতেজার আলী জানান, সবজির আমদানি ও বিক্রি দুটোই ভালো। কিন্তু স্থানীয় হাটেই জিনিস বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। উৎপাদন খরচ ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। তাই দাম নামতে চায় না।
অন্যান্য পণ্যের বাজার কাঁচামরিচ কিছুটা কমে ১২০–১৫০ টাকা কেজি, আলু বাড়তি, এখন ২৫–৩০ টাকা কেজি, পেঁয়াজ স্থিতিশীল, ১০০–১২০ টাকা কেজি, ব্রয়লার মুরগি ১৬০–১৭০ টাকা কেজি, সোনালি মুরগি: ২৯০–৩০০ টাকা কেজি , ডিম প্রতি ডজন ১২০–১৩০ টাকা
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!