-1775625835294-13492688.webp&w=1920&q=75)
ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলীয় আইনপ্রণেতারা তাকে অভিশংসনের দাবিতে অনড় অবস্থান নিয়েছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ পুনরায় ট্রাম্পকে অভিশংসিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাময়িক যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতির কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনেনি। তার অভিযোগ, ট্রাম্প ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং এখনও তা কূটনৈতিক চাপ হিসেবে ব্যবহার করছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাবিনেট বা কংগ্রেস-যে মাধ্যমেই হোক, প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে। আমরা এখন খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছি।’
ডেমোক্র্যাটদের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে ‘উন্মাদনা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
সিনেটর এড মার্কি যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেও মন্তব্য করেন, ‘ট্রাম্প বিনা কারণে হুমকি দিতে পারেন না।’ তিনি কংগ্রেসকে যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্পকে অপসারণের আহ্বান জানান।
কংগ্রেসওম্যান শন্টেল ব্রাউন বলেন, কোনো স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছাড়াই বিশ্বকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন ট্রাম্প। তিনি তাকে ‘অসুস্থ ও নেতৃত্বের অনুপযুক্ত’ আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের দাবি জানান।
এদিকে কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমর ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘ঘৃণ্য’ বলে উল্লেখ করে তাকে অভিশংসনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে কংগ্রেসওম্যান ইয়াসামিন আনসারি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-এর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে ক্যাবিনেট বৈঠক ডেকে ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করা উচিত।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হলেও ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক কূটনৈতিক অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। তাদের মতে, এমন নেতৃত্ব বিশ্বকে আবারও বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
-1775625835294-13492688.webp&w=1920&q=75)
ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলীয় আইনপ্রণেতারা তাকে অভিশংসনের দাবিতে অনড় অবস্থান নিয়েছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ পুনরায় ট্রাম্পকে অভিশংসিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাময়িক যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতির কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনেনি। তার অভিযোগ, ট্রাম্প ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং এখনও তা কূটনৈতিক চাপ হিসেবে ব্যবহার করছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাবিনেট বা কংগ্রেস-যে মাধ্যমেই হোক, প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে। আমরা এখন খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছি।’
ডেমোক্র্যাটদের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে ‘উন্মাদনা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
সিনেটর এড মার্কি যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেও মন্তব্য করেন, ‘ট্রাম্প বিনা কারণে হুমকি দিতে পারেন না।’ তিনি কংগ্রেসকে যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্পকে অপসারণের আহ্বান জানান।
কংগ্রেসওম্যান শন্টেল ব্রাউন বলেন, কোনো স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছাড়াই বিশ্বকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন ট্রাম্প। তিনি তাকে ‘অসুস্থ ও নেতৃত্বের অনুপযুক্ত’ আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের দাবি জানান।
এদিকে কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমর ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘ঘৃণ্য’ বলে উল্লেখ করে তাকে অভিশংসনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে কংগ্রেসওম্যান ইয়াসামিন আনসারি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-এর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে ক্যাবিনেট বৈঠক ডেকে ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করা উচিত।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হলেও ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক কূটনৈতিক অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। তাদের মতে, এমন নেতৃত্ব বিশ্বকে আবারও বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
-1775625835294-13492688.webp&w=1920&q=75)
ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলীয় আইনপ্রণেতারা তাকে অভিশংসনের দাবিতে অনড় অবস্থান নিয়েছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ পুনরায় ট্রাম্পকে অভিশংসিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাময়িক যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতির কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনেনি। তার অভিযোগ, ট্রাম্প ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং এখনও তা কূটনৈতিক চাপ হিসেবে ব্যবহার করছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাবিনেট বা কংগ্রেস-যে মাধ্যমেই হোক, প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে। আমরা এখন খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছি।’
ডেমোক্র্যাটদের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে ‘উন্মাদনা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
সিনেটর এড মার্কি যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেও মন্তব্য করেন, ‘ট্রাম্প বিনা কারণে হুমকি দিতে পারেন না।’ তিনি কংগ্রেসকে যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্পকে অপসারণের আহ্বান জানান।
কংগ্রেসওম্যান শন্টেল ব্রাউন বলেন, কোনো স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছাড়াই বিশ্বকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন ট্রাম্প। তিনি তাকে ‘অসুস্থ ও নেতৃত্বের অনুপযুক্ত’ আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের দাবি জানান।
এদিকে কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমর ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘ঘৃণ্য’ বলে উল্লেখ করে তাকে অভিশংসনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে কংগ্রেসওম্যান ইয়াসামিন আনসারি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-এর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে ক্যাবিনেট বৈঠক ডেকে ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করা উচিত।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হলেও ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক কূটনৈতিক অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। তাদের মতে, এমন নেতৃত্ব বিশ্বকে আবারও বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
-1775625835294-13492688.webp&w=1920&q=75)
ইরানের সঙ্গে দুই সপ্তাহের সাময়িক যুদ্ধবিরতি চুক্তিতে সম্মত হলেও যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। ডেমোক্র্যাট দলীয় আইনপ্রণেতারা তাকে অভিশংসনের দাবিতে অনড় অবস্থান নিয়েছেন।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে কংগ্রেসওম্যান আলেকজান্দ্রিয়া ওকাসিও-করতেজ পুনরায় ট্রাম্পকে অভিশংসিত করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সাময়িক যুদ্ধবিরতি পরিস্থিতির কোনো মৌলিক পরিবর্তন আনেনি। তার অভিযোগ, ট্রাম্প ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে গণহত্যার হুমকি দিয়েছেন এবং এখনও তা কূটনৈতিক চাপ হিসেবে ব্যবহার করছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘ক্যাবিনেট বা কংগ্রেস-যে মাধ্যমেই হোক, প্রেসিডেন্টকে অবশ্যই অপসারণ করতে হবে। আমরা এখন খাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে আছি।’
ডেমোক্র্যাটদের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা ট্রাম্পের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে ‘উন্মাদনা’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে তাকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
সিনেটর এড মার্কি যুদ্ধবিরতিকে স্বাগত জানালেও মন্তব্য করেন, ‘ট্রাম্প বিনা কারণে হুমকি দিতে পারেন না।’ তিনি কংগ্রেসকে যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি ট্রাম্পকে অপসারণের আহ্বান জানান।
কংগ্রেসওম্যান শন্টেল ব্রাউন বলেন, কোনো স্পষ্ট উদ্দেশ্য ছাড়াই বিশ্বকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন ট্রাম্প। তিনি তাকে ‘অসুস্থ ও নেতৃত্বের অনুপযুক্ত’ আখ্যা দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের ২৫তম সংশোধনী প্রয়োগের দাবি জানান।
এদিকে কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমর ট্রাম্পের বক্তব্যকে ‘ঘৃণ্য’ বলে উল্লেখ করে তাকে অভিশংসনের দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে কংগ্রেসওম্যান ইয়াসামিন আনসারি ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স-এর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে ক্যাবিনেট বৈঠক ডেকে ট্রাম্পকে ক্ষমতাচ্যুত করা উচিত।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় সাময়িক যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হলেও ট্রাম্পের আক্রমণাত্মক কূটনৈতিক অবস্থান যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করেছে। তাদের মতে, এমন নেতৃত্ব বিশ্বকে আবারও বড় ধরনের সংঘাতের দিকে ঠেলে দিতে পারে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!