গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য মিশরে যাচ্ছে হামাসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান খলিল আল-হাইয়ার নেতৃত্বে রোববার (১৬ আগস্ট) প্রতিনিধিদলটি মিশরের রাজধানী কায়রোতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
হামাসের নেতৃত্ব গ্রহণের পর এটাই আল-হাইয়ার প্রথম মিশর সফর। সফরে গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি আরও কার্যকর ও স্থায়ীভাবে সুসংহত করার উপায় নিয়ে মিশরীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন হামাস নেতারা।
তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে মিশর ও হামাসের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও জোরদার করার অংশ হিসেবেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
হামাসের একটি সূত্র জানিয়েছে, আল-হাইয়ার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি মিশরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। বিশেষ করে গাজা উপত্যকার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।
প্রতিনিধিদলে রয়েছেন হামাসের শুরা কাউন্সিলের প্রধান মোহাম্মদ দারবিশ, বিদেশে হামাসের প্রধান খালেদ মাশাল, পশ্চিম তীরে হামাসের প্রধান জাহের জাবারিন এবং আরব ও ইসলামিক সম্পর্কবিষয়ক দপ্তরের প্রধান বাসেম নাঈম।
সূত্রটি জানায়, প্রতিনিধিদলটি মিশরের জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রধান হাসান রাশাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। বৈঠকে ফিলিস্তিনের সামগ্রিক পরিস্থিতি, গাজা উপত্যকার বর্তমান অবস্থা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে চলমান আলোচনা নিয়ে কথা হবে।
বিশেষ করে যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তগুলো বাস্তবায়ন, গাজায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে।
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গাজার পরিস্থিতি নিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় হামাসের শীর্ষ নেতাদের কায়রো সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য মিশরে যাচ্ছে হামাসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান খলিল আল-হাইয়ার নেতৃত্বে রোববার (১৬ আগস্ট) প্রতিনিধিদলটি মিশরের রাজধানী কায়রোতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
হামাসের নেতৃত্ব গ্রহণের পর এটাই আল-হাইয়ার প্রথম মিশর সফর। সফরে গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি আরও কার্যকর ও স্থায়ীভাবে সুসংহত করার উপায় নিয়ে মিশরীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন হামাস নেতারা।
তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে মিশর ও হামাসের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও জোরদার করার অংশ হিসেবেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
হামাসের একটি সূত্র জানিয়েছে, আল-হাইয়ার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি মিশরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। বিশেষ করে গাজা উপত্যকার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।
প্রতিনিধিদলে রয়েছেন হামাসের শুরা কাউন্সিলের প্রধান মোহাম্মদ দারবিশ, বিদেশে হামাসের প্রধান খালেদ মাশাল, পশ্চিম তীরে হামাসের প্রধান জাহের জাবারিন এবং আরব ও ইসলামিক সম্পর্কবিষয়ক দপ্তরের প্রধান বাসেম নাঈম।
সূত্রটি জানায়, প্রতিনিধিদলটি মিশরের জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রধান হাসান রাশাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। বৈঠকে ফিলিস্তিনের সামগ্রিক পরিস্থিতি, গাজা উপত্যকার বর্তমান অবস্থা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে চলমান আলোচনা নিয়ে কথা হবে।
বিশেষ করে যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তগুলো বাস্তবায়ন, গাজায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে।
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গাজার পরিস্থিতি নিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় হামাসের শীর্ষ নেতাদের কায়রো সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য মিশরে যাচ্ছে হামাসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান খলিল আল-হাইয়ার নেতৃত্বে রোববার (১৬ আগস্ট) প্রতিনিধিদলটি মিশরের রাজধানী কায়রোতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
হামাসের নেতৃত্ব গ্রহণের পর এটাই আল-হাইয়ার প্রথম মিশর সফর। সফরে গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি আরও কার্যকর ও স্থায়ীভাবে সুসংহত করার উপায় নিয়ে মিশরীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন হামাস নেতারা।
তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে মিশর ও হামাসের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও জোরদার করার অংশ হিসেবেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
হামাসের একটি সূত্র জানিয়েছে, আল-হাইয়ার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি মিশরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। বিশেষ করে গাজা উপত্যকার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।
প্রতিনিধিদলে রয়েছেন হামাসের শুরা কাউন্সিলের প্রধান মোহাম্মদ দারবিশ, বিদেশে হামাসের প্রধান খালেদ মাশাল, পশ্চিম তীরে হামাসের প্রধান জাহের জাবারিন এবং আরব ও ইসলামিক সম্পর্কবিষয়ক দপ্তরের প্রধান বাসেম নাঈম।
সূত্রটি জানায়, প্রতিনিধিদলটি মিশরের জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রধান হাসান রাশাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। বৈঠকে ফিলিস্তিনের সামগ্রিক পরিস্থিতি, গাজা উপত্যকার বর্তমান অবস্থা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে চলমান আলোচনা নিয়ে কথা হবে।
বিশেষ করে যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তগুলো বাস্তবায়ন, গাজায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে।
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গাজার পরিস্থিতি নিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় হামাসের শীর্ষ নেতাদের কায়রো সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য মিশরে যাচ্ছে হামাসের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর প্রধান খলিল আল-হাইয়ার নেতৃত্বে রোববার (১৬ আগস্ট) প্রতিনিধিদলটি মিশরের রাজধানী কায়রোতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
হামাসের নেতৃত্ব গ্রহণের পর এটাই আল-হাইয়ার প্রথম মিশর সফর। সফরে গাজায় চলমান যুদ্ধবিরতি আরও কার্যকর ও স্থায়ীভাবে সুসংহত করার উপায় নিয়ে মিশরীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন হামাস নেতারা।
তুর্কি সংবাদমাধ্যম আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ফিলিস্তিন ইস্যুতে মিশর ও হামাসের উচ্চপর্যায়ের যোগাযোগ আরও জোরদার করার অংশ হিসেবেই এ সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
হামাসের একটি সূত্র জানিয়েছে, আল-হাইয়ার নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি মিশরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে। বিশেষ করে গাজা উপত্যকার সাম্প্রতিক পরিস্থিতি এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নের বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পাবে।
প্রতিনিধিদলে রয়েছেন হামাসের শুরা কাউন্সিলের প্রধান মোহাম্মদ দারবিশ, বিদেশে হামাসের প্রধান খালেদ মাশাল, পশ্চিম তীরে হামাসের প্রধান জাহের জাবারিন এবং আরব ও ইসলামিক সম্পর্কবিষয়ক দপ্তরের প্রধান বাসেম নাঈম।
সূত্রটি জানায়, প্রতিনিধিদলটি মিশরের জেনারেল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের প্রধান হাসান রাশাদের সঙ্গে বৈঠক করবে। বৈঠকে ফিলিস্তিনের সামগ্রিক পরিস্থিতি, গাজা উপত্যকার বর্তমান অবস্থা এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তিকে কার্যকর ও দীর্ঘস্থায়ী করার লক্ষ্যে চলমান আলোচনা নিয়ে কথা হবে।
বিশেষ করে যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্তগুলো বাস্তবায়ন, গাজায় স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়গুলো আলোচনায় আসতে পারে।
হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর গাজার পরিস্থিতি নিয়ে মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় হামাসের শীর্ষ নেতাদের কায়রো সফরকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!