রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মোহাম্মদপুরের বছিলা পুলিশ লাইনসে নাগরিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করার কথা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এই মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না। কিশোর গ্যাং বলে কোনো শব্দ থাকবে না।’
সভায় মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাই নিয়ে নাগরিকরা বেশি উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে বেশিরভাগ নাগরিকের মতে, কিশোর গ্যাং ও মাদক কেনাবেচা আগের তুলনায় কমেছে। পুলিশের পরিসংখ্যানেও ছিনতাই অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকার চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।
মোসলেহ উদ্দিন বলেন, গত তিন মাসের সঙ্গে তার আগের তিন মাসের অপরাধের পরিসংখ্যান তুলনা করলে কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাইয়ের ক্ষেত্রে উন্নতির চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। তবে শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিচার করা ঠিক নয়। নাগরিকরা চান মোহাম্মদপুরে কোনো ছিনতাই, কিশোর গ্যাং বা মাদক থাকবে না। পুলিশও সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, শুধু পুলিশের পক্ষে এসব সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব নয়। এজন্য নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘জনতার প্রতিরোধ কিন্তু সবচেয়ে বড় শক্তি। এটা শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতে উদাহরণ রয়েছে। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মোহাম্মদপুরের জনগণ যদি এলাকাভিত্তিক প্রতিরোধ করেন, তাহলে এই এলাকায় কোনো মাদক, কিশোর গ্যাং থাকতে পারবে না।’
তবে এ ক্ষেত্রে পুলিশের প্রচেষ্টার ঘাটতি রয়েছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।
মোহাম্মদপুর থানায় আটটি বিট রয়েছে জানিয়ে মোসলেহ উদ্দিন বলেন, তেজগাঁও বিভাগের কর্মকর্তাদের বিট পুলিশিং আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আটটি বিটের কর্মকর্তাদের শক্তিশালী করার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার কথাও জানান তিনি। মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানার তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব তালিকা ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিটি মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানায় অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।
এ ছাড়া রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, অটোরিকশার গ্যারেজের ভেতর রাতে যাকেই পাওয়া যাবে, তাকেই গ্রেপ্তার করতে হবে।
এসআরবির সঙ্গে যৌথ অভিযান
কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও ডিএমপি একসঙ্গে কাজ করবে জানিয়ে কমিশনার বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতায় প্রতিদিন অভিযান চালানো হবে। অতি দ্রুত মোহাম্মদপুরকে কিশোর গ্যাংমুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছিনতাইকারীর হাতে ছুরি, আগ্নেয়াস্ত্র, চাপাতি বা অন্য কোনো দেশীয় অস্ত্র থাকলে এবং তা দিয়ে কারও ওপর হামলা বা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে আইনগতভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে আইনগতভাবে অস্ত্র প্রয়োগের কথাও জানান তিনি।
চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে পুলিশ ক্যাম্পের পরিকল্পনা
মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, সেখানে প্রায় পাঁচ কাঠা জায়গা রয়েছে। জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। মামলার রায় পুলিশের পক্ষে এলে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সেখানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের কমিউনিটি পুলিশিং, ওয়ার্ডভিত্তিক মাদকবিরোধী ও কিশোর গ্যাংবিরোধী কমিটির মাধ্যমে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় এসআরবির মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গনি, র্যাব-২-এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান, মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, স্থানীয় বাসিন্দাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মোহাম্মদপুরের বছিলা পুলিশ লাইনসে নাগরিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করার কথা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এই মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না। কিশোর গ্যাং বলে কোনো শব্দ থাকবে না।’
সভায় মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাই নিয়ে নাগরিকরা বেশি উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে বেশিরভাগ নাগরিকের মতে, কিশোর গ্যাং ও মাদক কেনাবেচা আগের তুলনায় কমেছে। পুলিশের পরিসংখ্যানেও ছিনতাই অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকার চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।
মোসলেহ উদ্দিন বলেন, গত তিন মাসের সঙ্গে তার আগের তিন মাসের অপরাধের পরিসংখ্যান তুলনা করলে কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাইয়ের ক্ষেত্রে উন্নতির চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। তবে শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিচার করা ঠিক নয়। নাগরিকরা চান মোহাম্মদপুরে কোনো ছিনতাই, কিশোর গ্যাং বা মাদক থাকবে না। পুলিশও সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, শুধু পুলিশের পক্ষে এসব সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব নয়। এজন্য নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘জনতার প্রতিরোধ কিন্তু সবচেয়ে বড় শক্তি। এটা শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতে উদাহরণ রয়েছে। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মোহাম্মদপুরের জনগণ যদি এলাকাভিত্তিক প্রতিরোধ করেন, তাহলে এই এলাকায় কোনো মাদক, কিশোর গ্যাং থাকতে পারবে না।’
তবে এ ক্ষেত্রে পুলিশের প্রচেষ্টার ঘাটতি রয়েছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।
মোহাম্মদপুর থানায় আটটি বিট রয়েছে জানিয়ে মোসলেহ উদ্দিন বলেন, তেজগাঁও বিভাগের কর্মকর্তাদের বিট পুলিশিং আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আটটি বিটের কর্মকর্তাদের শক্তিশালী করার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার কথাও জানান তিনি। মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানার তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব তালিকা ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিটি মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানায় অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।
এ ছাড়া রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, অটোরিকশার গ্যারেজের ভেতর রাতে যাকেই পাওয়া যাবে, তাকেই গ্রেপ্তার করতে হবে।
এসআরবির সঙ্গে যৌথ অভিযান
কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও ডিএমপি একসঙ্গে কাজ করবে জানিয়ে কমিশনার বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতায় প্রতিদিন অভিযান চালানো হবে। অতি দ্রুত মোহাম্মদপুরকে কিশোর গ্যাংমুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছিনতাইকারীর হাতে ছুরি, আগ্নেয়াস্ত্র, চাপাতি বা অন্য কোনো দেশীয় অস্ত্র থাকলে এবং তা দিয়ে কারও ওপর হামলা বা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে আইনগতভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে আইনগতভাবে অস্ত্র প্রয়োগের কথাও জানান তিনি।
চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে পুলিশ ক্যাম্পের পরিকল্পনা
মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, সেখানে প্রায় পাঁচ কাঠা জায়গা রয়েছে। জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। মামলার রায় পুলিশের পক্ষে এলে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সেখানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের কমিউনিটি পুলিশিং, ওয়ার্ডভিত্তিক মাদকবিরোধী ও কিশোর গ্যাংবিরোধী কমিটির মাধ্যমে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় এসআরবির মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গনি, র্যাব-২-এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান, মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, স্থানীয় বাসিন্দাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মোহাম্মদপুরের বছিলা পুলিশ লাইনসে নাগরিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করার কথা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এই মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না। কিশোর গ্যাং বলে কোনো শব্দ থাকবে না।’
সভায় মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাই নিয়ে নাগরিকরা বেশি উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে বেশিরভাগ নাগরিকের মতে, কিশোর গ্যাং ও মাদক কেনাবেচা আগের তুলনায় কমেছে। পুলিশের পরিসংখ্যানেও ছিনতাই অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকার চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।
মোসলেহ উদ্দিন বলেন, গত তিন মাসের সঙ্গে তার আগের তিন মাসের অপরাধের পরিসংখ্যান তুলনা করলে কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাইয়ের ক্ষেত্রে উন্নতির চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। তবে শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিচার করা ঠিক নয়। নাগরিকরা চান মোহাম্মদপুরে কোনো ছিনতাই, কিশোর গ্যাং বা মাদক থাকবে না। পুলিশও সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, শুধু পুলিশের পক্ষে এসব সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব নয়। এজন্য নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘জনতার প্রতিরোধ কিন্তু সবচেয়ে বড় শক্তি। এটা শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতে উদাহরণ রয়েছে। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মোহাম্মদপুরের জনগণ যদি এলাকাভিত্তিক প্রতিরোধ করেন, তাহলে এই এলাকায় কোনো মাদক, কিশোর গ্যাং থাকতে পারবে না।’
তবে এ ক্ষেত্রে পুলিশের প্রচেষ্টার ঘাটতি রয়েছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।
মোহাম্মদপুর থানায় আটটি বিট রয়েছে জানিয়ে মোসলেহ উদ্দিন বলেন, তেজগাঁও বিভাগের কর্মকর্তাদের বিট পুলিশিং আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আটটি বিটের কর্মকর্তাদের শক্তিশালী করার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার কথাও জানান তিনি। মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানার তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব তালিকা ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিটি মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানায় অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।
এ ছাড়া রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, অটোরিকশার গ্যারেজের ভেতর রাতে যাকেই পাওয়া যাবে, তাকেই গ্রেপ্তার করতে হবে।
এসআরবির সঙ্গে যৌথ অভিযান
কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও ডিএমপি একসঙ্গে কাজ করবে জানিয়ে কমিশনার বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতায় প্রতিদিন অভিযান চালানো হবে। অতি দ্রুত মোহাম্মদপুরকে কিশোর গ্যাংমুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছিনতাইকারীর হাতে ছুরি, আগ্নেয়াস্ত্র, চাপাতি বা অন্য কোনো দেশীয় অস্ত্র থাকলে এবং তা দিয়ে কারও ওপর হামলা বা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে আইনগতভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে আইনগতভাবে অস্ত্র প্রয়োগের কথাও জানান তিনি।
চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে পুলিশ ক্যাম্পের পরিকল্পনা
মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, সেখানে প্রায় পাঁচ কাঠা জায়গা রয়েছে। জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। মামলার রায় পুলিশের পক্ষে এলে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সেখানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের কমিউনিটি পুলিশিং, ওয়ার্ডভিত্তিক মাদকবিরোধী ও কিশোর গ্যাংবিরোধী কমিটির মাধ্যমে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় এসআরবির মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গনি, র্যাব-২-এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান, মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, স্থানীয় বাসিন্দাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
রাজধানীর মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের কোনো অস্তিত্ব থাকবে না বলে ঘোষণা দিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে মোহাম্মদপুরের বছিলা পুলিশ লাইনসে নাগরিকদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলাবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ ঘোষণা দেন।
কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করার কথা জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘এই মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের অস্তিত্ব থাকবে না। কিশোর গ্যাং বলে কোনো শব্দ থাকবে না।’
সভায় মোহাম্মদপুরের কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাই নিয়ে নাগরিকরা বেশি উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে বেশিরভাগ নাগরিকের মতে, কিশোর গ্যাং ও মাদক কেনাবেচা আগের তুলনায় কমেছে। পুলিশের পরিসংখ্যানেও ছিনতাই অনেকটা নিয়ন্ত্রণে থাকার চিত্র পাওয়া যাচ্ছে।
মোসলেহ উদ্দিন বলেন, গত তিন মাসের সঙ্গে তার আগের তিন মাসের অপরাধের পরিসংখ্যান তুলনা করলে কিশোর গ্যাং, মাদক ও ছিনতাইয়ের ক্ষেত্রে উন্নতির চিত্র পাওয়া যাচ্ছে। তবে শুধু পরিসংখ্যান দিয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিচার করা ঠিক নয়। নাগরিকরা চান মোহাম্মদপুরে কোনো ছিনতাই, কিশোর গ্যাং বা মাদক থাকবে না। পুলিশও সেই লক্ষ্যেই কাজ করছে।
মাদক ও কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি রয়েছে জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, শুধু পুলিশের পক্ষে এসব সমস্যা নির্মূল করা সম্ভব নয়। এজন্য নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি বলেন, ‘জনতার প্রতিরোধ কিন্তু সবচেয়ে বড় শক্তি। এটা শুধু বাংলাদেশেই নয়, সারা পৃথিবীতে উদাহরণ রয়েছে। পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে মোহাম্মদপুরের জনগণ যদি এলাকাভিত্তিক প্রতিরোধ করেন, তাহলে এই এলাকায় কোনো মাদক, কিশোর গ্যাং থাকতে পারবে না।’
তবে এ ক্ষেত্রে পুলিশের প্রচেষ্টার ঘাটতি রয়েছে বলেও স্বীকার করেন তিনি।
মোহাম্মদপুর থানায় আটটি বিট রয়েছে জানিয়ে মোসলেহ উদ্দিন বলেন, তেজগাঁও বিভাগের কর্মকর্তাদের বিট পুলিশিং আরও শক্তিশালী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আটটি বিটের কর্মকর্তাদের শক্তিশালী করার পাশাপাশি তাদের জবাবদিহির আওতায় আনার কথাও জানান তিনি। মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানার তালিকা পুলিশের কাছে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, এসব তালিকা ধরে অভিযান চালানো হচ্ছে। প্রতিটি মাদক স্পট ও কিশোর গ্যাংয়ের আস্তানায় অভিযান আরও জোরদার করতে হবে।
এ ছাড়া রিকশা ও অটোরিকশার গ্যারেজগুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানোর নির্দেশ দেন ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, অটোরিকশার গ্যারেজের ভেতর রাতে যাকেই পাওয়া যাবে, তাকেই গ্রেপ্তার করতে হবে।
এসআরবির সঙ্গে যৌথ অভিযান
কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ও ডিএমপি একসঙ্গে কাজ করবে জানিয়ে কমিশনার বলেন, নাগরিকদের সহযোগিতায় প্রতিদিন অভিযান চালানো হবে। অতি দ্রুত মোহাম্মদপুরকে কিশোর গ্যাংমুক্ত করার চেষ্টা করা হবে। ছিনতাইয়ের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ছিনতাইকারীর হাতে ছুরি, আগ্নেয়াস্ত্র, চাপাতি বা অন্য কোনো দেশীয় অস্ত্র থাকলে এবং তা দিয়ে কারও ওপর হামলা বা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করলে আইনগতভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রয়োজন হলে আইনগতভাবে অস্ত্র প্রয়োগের কথাও জানান তিনি।
চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে পুলিশ ক্যাম্পের পরিকল্পনা
মোহাম্মদপুরের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত করতে চন্দ্রিমা হাউজিংয়ে একটি পুলিশ ক্যাম্প স্থাপনের পরিকল্পনার কথাও জানান ডিএমপি কমিশনার। তিনি বলেন, সেখানে প্রায় পাঁচ কাঠা জায়গা রয়েছে। জায়গাটি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। মামলার রায় পুলিশের পক্ষে এলে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় সেখানে পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন করা হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নাগরিকদের কমিউনিটি পুলিশিং, ওয়ার্ডভিত্তিক মাদকবিরোধী ও কিশোর গ্যাংবিরোধী কমিটির মাধ্যমে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।
সভায় এসআরবির মহাপরিচালক আহসান হাবীব পলাশ, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মোহাম্মদ ওসমান গনি, র্যাব-২-এর অধিনায়ক নয়মুল হাসান, তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার ইবনে মিজান, মোহাম্মদপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, স্থানীয় বাসিন্দাসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!