
দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন কোম্পানিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। সম্প্রতি এ বিষয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) জানিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা।
বিএসইসিকে দেওয়া চিঠিতে কোম্পানিটি জানিয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে সালমান এফ রহমান সম্মতি দিয়েছেন। তার পদত্যাগের পর নতুন করে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত নতুন পর্ষদে বেক্সিমকো ফার্মার উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে তিনজন, চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক, আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষ থেকে মনোনীত একজন পরিচালক এবং পদাধিকারবলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, এভাবে পর্ষদ পুনর্গঠনের বিষয়ে বিএসইসির পক্ষ থেকেও সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানানো হয়েছে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর বেক্সিমকো যে প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, তা বিবেচনায় সালমান এফ রহমান পর্ষদ থেকে পদত্যাগে সম্মত হয়েছেন। তার কারণে যাতে কোম্পানির ব্যবসা ও শেয়ারধারীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তিনি পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সালমান এফ রহমান গ্রেপ্তার হন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও সম্মতি
বেক্সিমকো ফার্মা শুধু দেশের শেয়ারবাজারে নয়, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটেও তালিকাভুক্ত। ফলে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়মও অনুসরণ করতে হবে।
জানা গেছে, কোম্পানিটির বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ব্যবসার স্বার্থে সালমান এফ রহমানকে পর্ষদ থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে একমত হয়েছেন।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, পর্ষদ পুনর্গঠনের সময় বিদেশি শেয়ারধারীদের প্রতিনিধিকেও পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল কমিশন। তবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এতে সম্মতি দেননি। ফলে এখন স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা বাড়িয়ে বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
চার থেকে ছয় সপ্তাহ লাগতে পারে
বেক্সিমকো ফার্মার পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানানো হয়েছে, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির কারণে নতুন পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যথাযথ যাচাই-বাছাই করতে হবে।
লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগের আগে তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এ প্রক্রিয়া শেষ হতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
সুনাম ফেরাতে পর্ষদে পরিবর্তনের আশা
শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বেক্সিমকো ফার্মা দেশের ওষুধ খাতের অন্যতম ভালো কোম্পানি। তবে সালমান এফ রহমানের মালিকানা ও প্রভাবের কারণে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোম্পানিটির সুনাম ও ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তাদের মতে, সালমান এফ রহমানের পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোম্পানিটির জন্য ইতিবাচক হতে পারে। এতে কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রমে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসার পাশাপাশি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়তে পারে।
মুনাফা ২২২ কোটি টাকা
বেক্সিমকো ফার্মার সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি ২২২ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ৬৯৪ কোটি টাকা।
১৯৮৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ফার্মার উদ্যোক্তাদের হাতে রয়েছে কোম্পানিটির ৩০ শতাংশ শেয়ার। উদ্যোক্তাদের মধ্যে সালমান এফ রহমানও রয়েছেন। বাকি ৭০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক, বিদেশি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন কোম্পানিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। সম্প্রতি এ বিষয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) জানিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা।
বিএসইসিকে দেওয়া চিঠিতে কোম্পানিটি জানিয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে সালমান এফ রহমান সম্মতি দিয়েছেন। তার পদত্যাগের পর নতুন করে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত নতুন পর্ষদে বেক্সিমকো ফার্মার উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে তিনজন, চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক, আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষ থেকে মনোনীত একজন পরিচালক এবং পদাধিকারবলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, এভাবে পর্ষদ পুনর্গঠনের বিষয়ে বিএসইসির পক্ষ থেকেও সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানানো হয়েছে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর বেক্সিমকো যে প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, তা বিবেচনায় সালমান এফ রহমান পর্ষদ থেকে পদত্যাগে সম্মত হয়েছেন। তার কারণে যাতে কোম্পানির ব্যবসা ও শেয়ারধারীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তিনি পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সালমান এফ রহমান গ্রেপ্তার হন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও সম্মতি
বেক্সিমকো ফার্মা শুধু দেশের শেয়ারবাজারে নয়, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটেও তালিকাভুক্ত। ফলে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়মও অনুসরণ করতে হবে।
জানা গেছে, কোম্পানিটির বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ব্যবসার স্বার্থে সালমান এফ রহমানকে পর্ষদ থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে একমত হয়েছেন।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, পর্ষদ পুনর্গঠনের সময় বিদেশি শেয়ারধারীদের প্রতিনিধিকেও পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল কমিশন। তবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এতে সম্মতি দেননি। ফলে এখন স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা বাড়িয়ে বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
চার থেকে ছয় সপ্তাহ লাগতে পারে
বেক্সিমকো ফার্মার পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানানো হয়েছে, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির কারণে নতুন পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যথাযথ যাচাই-বাছাই করতে হবে।
লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগের আগে তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এ প্রক্রিয়া শেষ হতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
সুনাম ফেরাতে পর্ষদে পরিবর্তনের আশা
শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বেক্সিমকো ফার্মা দেশের ওষুধ খাতের অন্যতম ভালো কোম্পানি। তবে সালমান এফ রহমানের মালিকানা ও প্রভাবের কারণে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোম্পানিটির সুনাম ও ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তাদের মতে, সালমান এফ রহমানের পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোম্পানিটির জন্য ইতিবাচক হতে পারে। এতে কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রমে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসার পাশাপাশি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়তে পারে।
মুনাফা ২২২ কোটি টাকা
বেক্সিমকো ফার্মার সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি ২২২ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ৬৯৪ কোটি টাকা।
১৯৮৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ফার্মার উদ্যোক্তাদের হাতে রয়েছে কোম্পানিটির ৩০ শতাংশ শেয়ার। উদ্যোক্তাদের মধ্যে সালমান এফ রহমানও রয়েছেন। বাকি ৭০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক, বিদেশি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন কোম্পানিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। সম্প্রতি এ বিষয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) জানিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা।
বিএসইসিকে দেওয়া চিঠিতে কোম্পানিটি জানিয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে সালমান এফ রহমান সম্মতি দিয়েছেন। তার পদত্যাগের পর নতুন করে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত নতুন পর্ষদে বেক্সিমকো ফার্মার উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে তিনজন, চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক, আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষ থেকে মনোনীত একজন পরিচালক এবং পদাধিকারবলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, এভাবে পর্ষদ পুনর্গঠনের বিষয়ে বিএসইসির পক্ষ থেকেও সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানানো হয়েছে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর বেক্সিমকো যে প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, তা বিবেচনায় সালমান এফ রহমান পর্ষদ থেকে পদত্যাগে সম্মত হয়েছেন। তার কারণে যাতে কোম্পানির ব্যবসা ও শেয়ারধারীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তিনি পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সালমান এফ রহমান গ্রেপ্তার হন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও সম্মতি
বেক্সিমকো ফার্মা শুধু দেশের শেয়ারবাজারে নয়, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটেও তালিকাভুক্ত। ফলে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়মও অনুসরণ করতে হবে।
জানা গেছে, কোম্পানিটির বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ব্যবসার স্বার্থে সালমান এফ রহমানকে পর্ষদ থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে একমত হয়েছেন।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, পর্ষদ পুনর্গঠনের সময় বিদেশি শেয়ারধারীদের প্রতিনিধিকেও পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল কমিশন। তবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এতে সম্মতি দেননি। ফলে এখন স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা বাড়িয়ে বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
চার থেকে ছয় সপ্তাহ লাগতে পারে
বেক্সিমকো ফার্মার পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানানো হয়েছে, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির কারণে নতুন পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যথাযথ যাচাই-বাছাই করতে হবে।
লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগের আগে তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এ প্রক্রিয়া শেষ হতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
সুনাম ফেরাতে পর্ষদে পরিবর্তনের আশা
শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বেক্সিমকো ফার্মা দেশের ওষুধ খাতের অন্যতম ভালো কোম্পানি। তবে সালমান এফ রহমানের মালিকানা ও প্রভাবের কারণে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোম্পানিটির সুনাম ও ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তাদের মতে, সালমান এফ রহমানের পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোম্পানিটির জন্য ইতিবাচক হতে পারে। এতে কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রমে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসার পাশাপাশি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়তে পারে।
মুনাফা ২২২ কোটি টাকা
বেক্সিমকো ফার্মার সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি ২২২ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ৬৯৪ কোটি টাকা।
১৯৮৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ফার্মার উদ্যোক্তাদের হাতে রয়েছে কোম্পানিটির ৩০ শতাংশ শেয়ার। উদ্যোক্তাদের মধ্যে সালমান এফ রহমানও রয়েছেন। বাকি ৭০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক, বিদেশি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।

দেশের পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বেক্সিমকো ফার্মার পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন কোম্পানিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান। সম্প্রতি এ বিষয়ে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (বিএসইসি) জানিয়েছে বেক্সিমকো ফার্মা।
বিএসইসিকে দেওয়া চিঠিতে কোম্পানিটি জানিয়েছে, পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে সালমান এফ রহমান সম্মতি দিয়েছেন। তার পদত্যাগের পর নতুন করে পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রস্তাবিত নতুন পর্ষদে বেক্সিমকো ফার্মার উদ্যোক্তাদের মধ্য থেকে তিনজন, চারজন স্বতন্ত্র পরিচালক, আইএফআইসি ব্যাংকের পক্ষ থেকে মনোনীত একজন পরিচালক এবং পদাধিকারবলে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালককে রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়েছে, এভাবে পর্ষদ পুনর্গঠনের বিষয়ে বিএসইসির পক্ষ থেকেও সবুজ সংকেত পাওয়া গেছে।
কোম্পানির পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানানো হয়েছে, দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের পর বেক্সিমকো যে প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছে, তা বিবেচনায় সালমান এফ রহমান পর্ষদ থেকে পদত্যাগে সম্মত হয়েছেন। তার কারণে যাতে কোম্পানির ব্যবসা ও শেয়ারধারীদের স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়টি বিবেচনায় নিয়েই তিনি পরিচালনা পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
২০২৪ সালের আগস্টে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সালমান এফ রহমান গ্রেপ্তার হন। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।
বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও সম্মতি
বেক্সিমকো ফার্মা শুধু দেশের শেয়ারবাজারে নয়, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের অল্টারনেটিভ ইনভেস্টমেন্ট মার্কেটেও তালিকাভুক্ত। ফলে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়মও অনুসরণ করতে হবে।
জানা গেছে, কোম্পানিটির বিদেশি বিনিয়োগকারীরাও ব্যবসার স্বার্থে সালমান এফ রহমানকে পর্ষদ থেকে বাদ দেওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে একমত হয়েছেন।
বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে, পর্ষদ পুনর্গঠনের সময় বিদেশি শেয়ারধারীদের প্রতিনিধিকেও পরিচালনা পর্ষদে অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব দিয়েছিল কমিশন। তবে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা এতে সম্মতি দেননি। ফলে এখন স্বতন্ত্র পরিচালকের সংখ্যা বাড়িয়ে বেক্সিমকো ফার্মার পর্ষদ পুনর্গঠনের প্রক্রিয়া চলছে।
চার থেকে ছয় সপ্তাহ লাগতে পারে
বেক্সিমকো ফার্মার পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানানো হয়েছে, লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্তির কারণে নতুন পরিচালক নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যথাযথ যাচাই-বাছাই করতে হবে।
লন্ডন স্টক এক্সচেঞ্জের নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তিকে পরিচালক হিসেবে নিয়োগের আগে তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়। এ প্রক্রিয়া শেষ হতে চার থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
সুনাম ফেরাতে পর্ষদে পরিবর্তনের আশা
শেয়ারবাজার-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বেক্সিমকো ফার্মা দেশের ওষুধ খাতের অন্যতম ভালো কোম্পানি। তবে সালমান এফ রহমানের মালিকানা ও প্রভাবের কারণে সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে কোম্পানিটির সুনাম ও ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
তাদের মতে, সালমান এফ রহমানের পর্ষদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত কোম্পানিটির জন্য ইতিবাচক হতে পারে। এতে কোম্পানির ব্যবসায়িক কার্যক্রমে স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরে আসার পাশাপাশি শেয়ারবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থাও বাড়তে পারে।
মুনাফা ২২২ কোটি টাকা
বেক্সিমকো ফার্মার সর্বশেষ আর্থিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে কোম্পানিটি ২২২ কোটি টাকা মুনাফা করেছে। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কোম্পানিটির মুনাফা ছিল ৬৯৪ কোটি টাকা।
১৯৮৬ সালে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত বেক্সিমকো ফার্মার উদ্যোক্তাদের হাতে রয়েছে কোম্পানিটির ৩০ শতাংশ শেয়ার। উদ্যোক্তাদের মধ্যে সালমান এফ রহমানও রয়েছেন। বাকি ৭০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক, বিদেশি ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!