
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, বিবিসি, আল জাজিরা, রয়টার্স, দ্য হিন্দুসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দিনভর এ নির্বাচনকে প্রধান খবর হিসেবে প্রচার করেছে। অধিকাংশ আন্তর্জাতিক মাধ্যম ভোটগ্রহণ চলাকালে লাইভ ব্লগ পরিচালনা করে পরিস্থিতির আপডেট দিয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম করে, ‘শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথম নির্বাচনে ভোটারের দীর্ঘ সারি’। প্রতিবেদনে এ ভোটকে ‘যুগান্তকারী’ হিসেবে উল্লেখ করে ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলন, সহিংসতা এবং রাজনৈতিক পটভূমি তুলে ধরা হয়। তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতির প্রত্যাশার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ১২ কোটির বেশি ভোটার দেশের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, যা বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক নাগরিক এটিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
বিবিসি তাদের লাইভ কাভারেজে উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের পর এটি প্রথম জাতীয় নির্বাচন। প্রতিবেদনে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট এবং প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর অবস্থান তুলে ধরা হয়।
দ্য গার্ডিয়ান শিরোনাম করে, ‘শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন’-যেখানে বিএনপির তারেক রহমানের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন এবং ‘নতুন পথে’ দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতির বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
আল জাজিরা জানায়, এ ভোট কেবল সরকার গঠনের জন্য নয়; একই সঙ্গে সংস্কার প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপির তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়।
পাকিস্তানের জিও নিউজ শিরোনাম দেয়, ‘২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর যুগান্তকারী ভোটে বাংলাদেশ’। সেখানে ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ সারি এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথা বলা হয়।
ভারতের দ্য হিন্দু জানায়, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে এবং বিএনপি কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বলে বিভিন্ন জরিপের ইঙ্গিত। টাইমস অব ইন্ডিয়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন সহিংসতার খবর তুলে ধরে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে-এ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনায় বড় ভূমিকা রাখবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, বিবিসি, আল জাজিরা, রয়টার্স, দ্য হিন্দুসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দিনভর এ নির্বাচনকে প্রধান খবর হিসেবে প্রচার করেছে। অধিকাংশ আন্তর্জাতিক মাধ্যম ভোটগ্রহণ চলাকালে লাইভ ব্লগ পরিচালনা করে পরিস্থিতির আপডেট দিয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম করে, ‘শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথম নির্বাচনে ভোটারের দীর্ঘ সারি’। প্রতিবেদনে এ ভোটকে ‘যুগান্তকারী’ হিসেবে উল্লেখ করে ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলন, সহিংসতা এবং রাজনৈতিক পটভূমি তুলে ধরা হয়। তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতির প্রত্যাশার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ১২ কোটির বেশি ভোটার দেশের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, যা বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক নাগরিক এটিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
বিবিসি তাদের লাইভ কাভারেজে উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের পর এটি প্রথম জাতীয় নির্বাচন। প্রতিবেদনে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট এবং প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর অবস্থান তুলে ধরা হয়।
দ্য গার্ডিয়ান শিরোনাম করে, ‘শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন’-যেখানে বিএনপির তারেক রহমানের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন এবং ‘নতুন পথে’ দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতির বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
আল জাজিরা জানায়, এ ভোট কেবল সরকার গঠনের জন্য নয়; একই সঙ্গে সংস্কার প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপির তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়।
পাকিস্তানের জিও নিউজ শিরোনাম দেয়, ‘২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর যুগান্তকারী ভোটে বাংলাদেশ’। সেখানে ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ সারি এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথা বলা হয়।
ভারতের দ্য হিন্দু জানায়, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে এবং বিএনপি কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বলে বিভিন্ন জরিপের ইঙ্গিত। টাইমস অব ইন্ডিয়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন সহিংসতার খবর তুলে ধরে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে-এ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনায় বড় ভূমিকা রাখবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, বিবিসি, আল জাজিরা, রয়টার্স, দ্য হিন্দুসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দিনভর এ নির্বাচনকে প্রধান খবর হিসেবে প্রচার করেছে। অধিকাংশ আন্তর্জাতিক মাধ্যম ভোটগ্রহণ চলাকালে লাইভ ব্লগ পরিচালনা করে পরিস্থিতির আপডেট দিয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম করে, ‘শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথম নির্বাচনে ভোটারের দীর্ঘ সারি’। প্রতিবেদনে এ ভোটকে ‘যুগান্তকারী’ হিসেবে উল্লেখ করে ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলন, সহিংসতা এবং রাজনৈতিক পটভূমি তুলে ধরা হয়। তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতির প্রত্যাশার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ১২ কোটির বেশি ভোটার দেশের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, যা বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক নাগরিক এটিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
বিবিসি তাদের লাইভ কাভারেজে উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের পর এটি প্রথম জাতীয় নির্বাচন। প্রতিবেদনে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট এবং প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর অবস্থান তুলে ধরা হয়।
দ্য গার্ডিয়ান শিরোনাম করে, ‘শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন’-যেখানে বিএনপির তারেক রহমানের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন এবং ‘নতুন পথে’ দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতির বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
আল জাজিরা জানায়, এ ভোট কেবল সরকার গঠনের জন্য নয়; একই সঙ্গে সংস্কার প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপির তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়।
পাকিস্তানের জিও নিউজ শিরোনাম দেয়, ‘২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর যুগান্তকারী ভোটে বাংলাদেশ’। সেখানে ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ সারি এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথা বলা হয়।
ভারতের দ্য হিন্দু জানায়, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে এবং বিএনপি কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বলে বিভিন্ন জরিপের ইঙ্গিত। টাইমস অব ইন্ডিয়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন সহিংসতার খবর তুলে ধরে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে-এ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনায় বড় ভূমিকা রাখবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে ব্যাপক গুরুত্ব পেয়েছে। দ্য গার্ডিয়ান, দ্য নিউইয়র্ক টাইমস, বিবিসি, আল জাজিরা, রয়টার্স, দ্য হিন্দুসহ বিভিন্ন প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দিনভর এ নির্বাচনকে প্রধান খবর হিসেবে প্রচার করেছে। অধিকাংশ আন্তর্জাতিক মাধ্যম ভোটগ্রহণ চলাকালে লাইভ ব্লগ পরিচালনা করে পরিস্থিতির আপডেট দিয়েছে।
বার্তাসংস্থা রয়টার্স তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম করে, ‘শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর প্রথম নির্বাচনে ভোটারের দীর্ঘ সারি’। প্রতিবেদনে এ ভোটকে ‘যুগান্তকারী’ হিসেবে উল্লেখ করে ২০২৪ সালের ছাত্র-নেতৃত্বাধীন আন্দোলন, সহিংসতা এবং রাজনৈতিক পটভূমি তুলে ধরা হয়। তরুণ ভোটারদের অংশগ্রহণ ও জবাবদিহিমূলক রাজনীতির প্রত্যাশার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস জানায়, ১২ কোটির বেশি ভোটার দেশের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন, যা বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। প্রতিবেদনে বলা হয়, অনেক নাগরিক এটিকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে এবং আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক গণতন্ত্র গঠনের সুযোগ হিসেবে দেখছেন।
বিবিসি তাদের লাইভ কাভারেজে উল্লেখ করে, ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের পর এটি প্রথম জাতীয় নির্বাচন। প্রতিবেদনে রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপট এবং প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর অবস্থান তুলে ধরা হয়।
দ্য গার্ডিয়ান শিরোনাম করে, ‘শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচন’-যেখানে বিএনপির তারেক রহমানের রাজনৈতিক প্রত্যাবর্তন এবং ‘নতুন পথে’ দেশ পরিচালনার প্রতিশ্রুতির বিষয়টি গুরুত্ব পায়।
আল জাজিরা জানায়, এ ভোট কেবল সরকার গঠনের জন্য নয়; একই সঙ্গে সংস্কার প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বিএনপির তারেক রহমান ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়।
পাকিস্তানের জিও নিউজ শিরোনাম দেয়, ‘২০২৪ সালের অভ্যুত্থানের পর যুগান্তকারী ভোটে বাংলাদেশ’। সেখানে ভোটকেন্দ্রে দীর্ঘ সারি এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ লড়াইয়ের সম্ভাবনার কথা বলা হয়।
ভারতের দ্য হিন্দু জানায়, বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে এবং বিএনপি কিছুটা এগিয়ে রয়েছে বলে বিভিন্ন জরিপের ইঙ্গিত। টাইমস অব ইন্ডিয়া দেশের বিভিন্ন স্থানে বিচ্ছিন্ন সহিংসতার খবর তুলে ধরে।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে-এ নির্বাচন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়, যা দেশের ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনায় বড় ভূমিকা রাখবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!