
তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়াই বাংলাদেশ সফরে এসেছে নিউজিল্যান্ড দল। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অবশ্য ২৬ রানের জয় তুলে নিয়েছে সফরকারীরা। এবার সিরিজ জয়ে চোখ দলটির। আর জিততে পারলে বিশাল ব্যাপার হবে বলে জানিয়েছেন কিউই ক্রিকেটার নাথান স্মিথ।
সিরিজ জেতা কত বড় ব্যাপারের প্রশ্নে স্মিথ আজ মিরপুরে স্মিথ বলেন, ‘বাংলাদেশ অনেক শক্তিশালী দল। নিউজিল্যান্ড দল হিসেবে আমরা সব কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে চাই। আমরা এমন দল নিয়ে এসেছি যারা পূর্ণ শক্তির নয়, তবে এখানে এসে অভিজ্ঞতা নিতে পারছে। এর ফলে দলের গভীরতা বাড়ছে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য ভালো ব্যাপার। এমন কন্ডিশনে খেলাটা খেললে কীভাবে কার্যকরী পারফরম্যান্স দেখানো যাবে, তা বের করা যায়। এমন উইকেটে আমরা খেলে অত অভ্যস্ত নয়। ফলে আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে চাপে ফেলা দারুণ আনন্দের ব্যাপার ছিল। সিরিজ জিততে পারলে বিশাল ব্যাপার হবে।’
দুই স্পিনার খেলানোর প্রসঙ্গে স্মিথ বলেন, ‘দুজন স্পিনার দারুণ বল করেছে। জেডন লিনক্স কয়েক বছর ধরেই ঘরোয়াতে দারুণ করছে। এমন কন্ডিশন তার জন্য আরও ভালো হয়েছে। সে মিচেল স্যান্টনারের কারণে এতদিন সুযোগ পায়নি। লেনক্স দারুণ বল করেছে। সে বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার এখন। ফক্সি (ফক্সক্রফট) ওয়ানডেতে প্রথমবার বল করে কোয়ালিটি ওভার করেছে। দারুণ ব্যাপার ছিল। তারা যে প্ল্যানে, লাইন এবং লেন্থে বল করে ব্যাটারদের চাপে ফেলেছে, এগুলো দেখাটা দুর্দান্ত ছিল।’
ঢাকার গরমে আগে বল করা নিয়ে এই ক্রিকেটার বলেন, ‘অবশ্যই, এই গরমে আগে বল করা অনেক কঠিন। কাজটা কঠিন। পেসাররা ২-৩ ওভারের স্পেল করবে সর্বোচ্চ, পরে পানি খেয়ে আবার মাঠে ফিরতে হবে। টিম এফোর্ট লাগবে। এখানে ১৪ জন প্লেয়ার আছে। যারা খেলছে না তারাও সাহায্য করবে। সবাই বাউন্ডারির সাইডে থাকে, আমাদের ড্রিংক্স দেয়। এখানে আগে বল করা অবশ্যই কঠিন। সবার এফোর্টেই এগিয়ে যেতে হবে। আমরা সবাই এই ব্যাপারে জানি এবং সামলাতে প্রস্তুত আছি।’

তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়াই বাংলাদেশ সফরে এসেছে নিউজিল্যান্ড দল। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অবশ্য ২৬ রানের জয় তুলে নিয়েছে সফরকারীরা। এবার সিরিজ জয়ে চোখ দলটির। আর জিততে পারলে বিশাল ব্যাপার হবে বলে জানিয়েছেন কিউই ক্রিকেটার নাথান স্মিথ।
সিরিজ জেতা কত বড় ব্যাপারের প্রশ্নে স্মিথ আজ মিরপুরে স্মিথ বলেন, ‘বাংলাদেশ অনেক শক্তিশালী দল। নিউজিল্যান্ড দল হিসেবে আমরা সব কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে চাই। আমরা এমন দল নিয়ে এসেছি যারা পূর্ণ শক্তির নয়, তবে এখানে এসে অভিজ্ঞতা নিতে পারছে। এর ফলে দলের গভীরতা বাড়ছে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য ভালো ব্যাপার। এমন কন্ডিশনে খেলাটা খেললে কীভাবে কার্যকরী পারফরম্যান্স দেখানো যাবে, তা বের করা যায়। এমন উইকেটে আমরা খেলে অত অভ্যস্ত নয়। ফলে আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে চাপে ফেলা দারুণ আনন্দের ব্যাপার ছিল। সিরিজ জিততে পারলে বিশাল ব্যাপার হবে।’
দুই স্পিনার খেলানোর প্রসঙ্গে স্মিথ বলেন, ‘দুজন স্পিনার দারুণ বল করেছে। জেডন লিনক্স কয়েক বছর ধরেই ঘরোয়াতে দারুণ করছে। এমন কন্ডিশন তার জন্য আরও ভালো হয়েছে। সে মিচেল স্যান্টনারের কারণে এতদিন সুযোগ পায়নি। লেনক্স দারুণ বল করেছে। সে বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার এখন। ফক্সি (ফক্সক্রফট) ওয়ানডেতে প্রথমবার বল করে কোয়ালিটি ওভার করেছে। দারুণ ব্যাপার ছিল। তারা যে প্ল্যানে, লাইন এবং লেন্থে বল করে ব্যাটারদের চাপে ফেলেছে, এগুলো দেখাটা দুর্দান্ত ছিল।’
ঢাকার গরমে আগে বল করা নিয়ে এই ক্রিকেটার বলেন, ‘অবশ্যই, এই গরমে আগে বল করা অনেক কঠিন। কাজটা কঠিন। পেসাররা ২-৩ ওভারের স্পেল করবে সর্বোচ্চ, পরে পানি খেয়ে আবার মাঠে ফিরতে হবে। টিম এফোর্ট লাগবে। এখানে ১৪ জন প্লেয়ার আছে। যারা খেলছে না তারাও সাহায্য করবে। সবাই বাউন্ডারির সাইডে থাকে, আমাদের ড্রিংক্স দেয়। এখানে আগে বল করা অবশ্যই কঠিন। সবার এফোর্টেই এগিয়ে যেতে হবে। আমরা সবাই এই ব্যাপারে জানি এবং সামলাতে প্রস্তুত আছি।’

তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়াই বাংলাদেশ সফরে এসেছে নিউজিল্যান্ড দল। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অবশ্য ২৬ রানের জয় তুলে নিয়েছে সফরকারীরা। এবার সিরিজ জয়ে চোখ দলটির। আর জিততে পারলে বিশাল ব্যাপার হবে বলে জানিয়েছেন কিউই ক্রিকেটার নাথান স্মিথ।
সিরিজ জেতা কত বড় ব্যাপারের প্রশ্নে স্মিথ আজ মিরপুরে স্মিথ বলেন, ‘বাংলাদেশ অনেক শক্তিশালী দল। নিউজিল্যান্ড দল হিসেবে আমরা সব কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে চাই। আমরা এমন দল নিয়ে এসেছি যারা পূর্ণ শক্তির নয়, তবে এখানে এসে অভিজ্ঞতা নিতে পারছে। এর ফলে দলের গভীরতা বাড়ছে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য ভালো ব্যাপার। এমন কন্ডিশনে খেলাটা খেললে কীভাবে কার্যকরী পারফরম্যান্স দেখানো যাবে, তা বের করা যায়। এমন উইকেটে আমরা খেলে অত অভ্যস্ত নয়। ফলে আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে চাপে ফেলা দারুণ আনন্দের ব্যাপার ছিল। সিরিজ জিততে পারলে বিশাল ব্যাপার হবে।’
দুই স্পিনার খেলানোর প্রসঙ্গে স্মিথ বলেন, ‘দুজন স্পিনার দারুণ বল করেছে। জেডন লিনক্স কয়েক বছর ধরেই ঘরোয়াতে দারুণ করছে। এমন কন্ডিশন তার জন্য আরও ভালো হয়েছে। সে মিচেল স্যান্টনারের কারণে এতদিন সুযোগ পায়নি। লেনক্স দারুণ বল করেছে। সে বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার এখন। ফক্সি (ফক্সক্রফট) ওয়ানডেতে প্রথমবার বল করে কোয়ালিটি ওভার করেছে। দারুণ ব্যাপার ছিল। তারা যে প্ল্যানে, লাইন এবং লেন্থে বল করে ব্যাটারদের চাপে ফেলেছে, এগুলো দেখাটা দুর্দান্ত ছিল।’
ঢাকার গরমে আগে বল করা নিয়ে এই ক্রিকেটার বলেন, ‘অবশ্যই, এই গরমে আগে বল করা অনেক কঠিন। কাজটা কঠিন। পেসাররা ২-৩ ওভারের স্পেল করবে সর্বোচ্চ, পরে পানি খেয়ে আবার মাঠে ফিরতে হবে। টিম এফোর্ট লাগবে। এখানে ১৪ জন প্লেয়ার আছে। যারা খেলছে না তারাও সাহায্য করবে। সবাই বাউন্ডারির সাইডে থাকে, আমাদের ড্রিংক্স দেয়। এখানে আগে বল করা অবশ্যই কঠিন। সবার এফোর্টেই এগিয়ে যেতে হবে। আমরা সবাই এই ব্যাপারে জানি এবং সামলাতে প্রস্তুত আছি।’

তারকা ক্রিকেটারদের ছাড়াই বাংলাদেশ সফরে এসেছে নিউজিল্যান্ড দল। ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে অবশ্য ২৬ রানের জয় তুলে নিয়েছে সফরকারীরা। এবার সিরিজ জয়ে চোখ দলটির। আর জিততে পারলে বিশাল ব্যাপার হবে বলে জানিয়েছেন কিউই ক্রিকেটার নাথান স্মিথ।
সিরিজ জেতা কত বড় ব্যাপারের প্রশ্নে স্মিথ আজ মিরপুরে স্মিথ বলেন, ‘বাংলাদেশ অনেক শক্তিশালী দল। নিউজিল্যান্ড দল হিসেবে আমরা সব কন্ডিশনে মানিয়ে নিতে চাই। আমরা এমন দল নিয়ে এসেছি যারা পূর্ণ শক্তির নয়, তবে এখানে এসে অভিজ্ঞতা নিতে পারছে। এর ফলে দলের গভীরতা বাড়ছে। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটের জন্য ভালো ব্যাপার। এমন কন্ডিশনে খেলাটা খেললে কীভাবে কার্যকরী পারফরম্যান্স দেখানো যাবে, তা বের করা যায়। এমন উইকেটে আমরা খেলে অত অভ্যস্ত নয়। ফলে আগের ম্যাচে বাংলাদেশকে চাপে ফেলা দারুণ আনন্দের ব্যাপার ছিল। সিরিজ জিততে পারলে বিশাল ব্যাপার হবে।’
দুই স্পিনার খেলানোর প্রসঙ্গে স্মিথ বলেন, ‘দুজন স্পিনার দারুণ বল করেছে। জেডন লিনক্স কয়েক বছর ধরেই ঘরোয়াতে দারুণ করছে। এমন কন্ডিশন তার জন্য আরও ভালো হয়েছে। সে মিচেল স্যান্টনারের কারণে এতদিন সুযোগ পায়নি। লেনক্স দারুণ বল করেছে। সে বিশ্বের অন্যতম সেরা বোলার এখন। ফক্সি (ফক্সক্রফট) ওয়ানডেতে প্রথমবার বল করে কোয়ালিটি ওভার করেছে। দারুণ ব্যাপার ছিল। তারা যে প্ল্যানে, লাইন এবং লেন্থে বল করে ব্যাটারদের চাপে ফেলেছে, এগুলো দেখাটা দুর্দান্ত ছিল।’
ঢাকার গরমে আগে বল করা নিয়ে এই ক্রিকেটার বলেন, ‘অবশ্যই, এই গরমে আগে বল করা অনেক কঠিন। কাজটা কঠিন। পেসাররা ২-৩ ওভারের স্পেল করবে সর্বোচ্চ, পরে পানি খেয়ে আবার মাঠে ফিরতে হবে। টিম এফোর্ট লাগবে। এখানে ১৪ জন প্লেয়ার আছে। যারা খেলছে না তারাও সাহায্য করবে। সবাই বাউন্ডারির সাইডে থাকে, আমাদের ড্রিংক্স দেয়। এখানে আগে বল করা অবশ্যই কঠিন। সবার এফোর্টেই এগিয়ে যেতে হবে। আমরা সবাই এই ব্যাপারে জানি এবং সামলাতে প্রস্তুত আছি।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!