ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় মিরপুর-১০ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শেষে সংঘর্ষে আহত সময় টিভির সাংবাদিক সিফাতকে দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ফুটপাত ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করতে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে একই এলাকায় গত সপ্তাহে তিনবার অভিযান চালানো হয়েছিল। বুধবার চতুর্থবারের অভিযানের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলের সমস্যা পাঁচ-ছয় মাসের নয়; বহু বছর ধরে ধীরে ধীরে এই দখল বিস্তৃত হয়েছে। এতে নাগরিকদের স্বাভাবিকভাবে ফুটপাত দিয়ে হাঁটার অধিকার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘গতকালও আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, আজও বলছি—ফুটপাত দখলমুক্ত করার এই অভিযান চলমান থাকবে। যতদিন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সফলতা না আসবে, ডিএনসিসির পক্ষ থেকে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
অভিযানের সময় সাংবাদিক আহত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। আহত সাংবাদিক সিফাত মাথায় আঘাত পাওয়ার পরও ঘটনাস্থলে ফিরে সংবাদ সংগ্রহ করায় তার প্রতি সহানুভূতি জানান তিনি।
পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়হীনতার কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের বিষয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, প্রতিটি উচ্ছেদ অভিযানের আগে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। অভিযানে পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত থাকেন। তবে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পুলিশ সদস্য থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সামনের অভিযানে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো উচিত ছিল—এমন বক্তব্যের বিষয়ে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনার এখতিয়ার সিটি করপোরেশনের রয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনি আসন বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
তিনি জানান, ডিএনসিসির আওতাধীন মোহাম্মদপুর, উত্তরা, তেজগাঁও, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হতে পারে।
নিজের ওপর কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগের বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘আমি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। আমাকে চাপ প্রয়োগ করার কোনো ক্ষমতা কারও নেই। আমার সংস্থা, আমার বিভাগ—আমি সেটা পরিচালনা করব। নগরবাসীকে নগরসেবা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দায়িত্ব আমার। কে চাপ প্রয়োগ করবে, সেটা আমি মোকাবিলা করব।’
অভিযানের পর ফুটপাত কতদিন দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবার ফুটপাত পরিষ্কার করার পাশাপাশি তা দখলমুক্ত রাখার চেষ্টা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আজ আপনারা পরিষ্কার দেখেছেন। আমি চেষ্টা করব যেন এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সবসময় থাকে। যতদিন কেউ আবার ফুটপাত দখল করে বসার চেষ্টা করবে, ততদিন আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
এ কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চান ডিএনসিসি প্রশাসক।
ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় মিরপুর-১০ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শেষে সংঘর্ষে আহত সময় টিভির সাংবাদিক সিফাতকে দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ফুটপাত ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করতে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে একই এলাকায় গত সপ্তাহে তিনবার অভিযান চালানো হয়েছিল। বুধবার চতুর্থবারের অভিযানের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলের সমস্যা পাঁচ-ছয় মাসের নয়; বহু বছর ধরে ধীরে ধীরে এই দখল বিস্তৃত হয়েছে। এতে নাগরিকদের স্বাভাবিকভাবে ফুটপাত দিয়ে হাঁটার অধিকার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘গতকালও আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, আজও বলছি—ফুটপাত দখলমুক্ত করার এই অভিযান চলমান থাকবে। যতদিন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সফলতা না আসবে, ডিএনসিসির পক্ষ থেকে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
অভিযানের সময় সাংবাদিক আহত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। আহত সাংবাদিক সিফাত মাথায় আঘাত পাওয়ার পরও ঘটনাস্থলে ফিরে সংবাদ সংগ্রহ করায় তার প্রতি সহানুভূতি জানান তিনি।
পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়হীনতার কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের বিষয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, প্রতিটি উচ্ছেদ অভিযানের আগে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। অভিযানে পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত থাকেন। তবে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পুলিশ সদস্য থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সামনের অভিযানে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো উচিত ছিল—এমন বক্তব্যের বিষয়ে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনার এখতিয়ার সিটি করপোরেশনের রয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনি আসন বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
তিনি জানান, ডিএনসিসির আওতাধীন মোহাম্মদপুর, উত্তরা, তেজগাঁও, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হতে পারে।
নিজের ওপর কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগের বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘আমি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। আমাকে চাপ প্রয়োগ করার কোনো ক্ষমতা কারও নেই। আমার সংস্থা, আমার বিভাগ—আমি সেটা পরিচালনা করব। নগরবাসীকে নগরসেবা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দায়িত্ব আমার। কে চাপ প্রয়োগ করবে, সেটা আমি মোকাবিলা করব।’
অভিযানের পর ফুটপাত কতদিন দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবার ফুটপাত পরিষ্কার করার পাশাপাশি তা দখলমুক্ত রাখার চেষ্টা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আজ আপনারা পরিষ্কার দেখেছেন। আমি চেষ্টা করব যেন এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সবসময় থাকে। যতদিন কেউ আবার ফুটপাত দখল করে বসার চেষ্টা করবে, ততদিন আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
এ কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চান ডিএনসিসি প্রশাসক।
ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় মিরপুর-১০ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শেষে সংঘর্ষে আহত সময় টিভির সাংবাদিক সিফাতকে দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ফুটপাত ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করতে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে একই এলাকায় গত সপ্তাহে তিনবার অভিযান চালানো হয়েছিল। বুধবার চতুর্থবারের অভিযানের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলের সমস্যা পাঁচ-ছয় মাসের নয়; বহু বছর ধরে ধীরে ধীরে এই দখল বিস্তৃত হয়েছে। এতে নাগরিকদের স্বাভাবিকভাবে ফুটপাত দিয়ে হাঁটার অধিকার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘গতকালও আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, আজও বলছি—ফুটপাত দখলমুক্ত করার এই অভিযান চলমান থাকবে। যতদিন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সফলতা না আসবে, ডিএনসিসির পক্ষ থেকে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
অভিযানের সময় সাংবাদিক আহত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। আহত সাংবাদিক সিফাত মাথায় আঘাত পাওয়ার পরও ঘটনাস্থলে ফিরে সংবাদ সংগ্রহ করায় তার প্রতি সহানুভূতি জানান তিনি।
পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়হীনতার কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের বিষয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, প্রতিটি উচ্ছেদ অভিযানের আগে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। অভিযানে পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত থাকেন। তবে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পুলিশ সদস্য থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সামনের অভিযানে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো উচিত ছিল—এমন বক্তব্যের বিষয়ে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনার এখতিয়ার সিটি করপোরেশনের রয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনি আসন বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
তিনি জানান, ডিএনসিসির আওতাধীন মোহাম্মদপুর, উত্তরা, তেজগাঁও, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হতে পারে।
নিজের ওপর কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগের বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘আমি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। আমাকে চাপ প্রয়োগ করার কোনো ক্ষমতা কারও নেই। আমার সংস্থা, আমার বিভাগ—আমি সেটা পরিচালনা করব। নগরবাসীকে নগরসেবা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দায়িত্ব আমার। কে চাপ প্রয়োগ করবে, সেটা আমি মোকাবিলা করব।’
অভিযানের পর ফুটপাত কতদিন দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবার ফুটপাত পরিষ্কার করার পাশাপাশি তা দখলমুক্ত রাখার চেষ্টা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আজ আপনারা পরিষ্কার দেখেছেন। আমি চেষ্টা করব যেন এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সবসময় থাকে। যতদিন কেউ আবার ফুটপাত দখল করে বসার চেষ্টা করবে, ততদিন আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
এ কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চান ডিএনসিসি প্রশাসক।
ফুটপাত দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় মিরপুর-১০ এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান শেষে সংঘর্ষে আহত সময় টিভির সাংবাদিক সিফাতকে দেখতে গিয়ে তিনি এ কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, নাগরিকদের স্বাচ্ছন্দ্যে ফুটপাত ব্যবহারের সুযোগ নিশ্চিত করতে নিয়মিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এর আগে একই এলাকায় গত সপ্তাহে তিনবার অভিযান চালানো হয়েছিল। বুধবার চতুর্থবারের অভিযানের সময় অনাকাঙ্ক্ষিত ও অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।
তিনি বলেন, ফুটপাত দখলের সমস্যা পাঁচ-ছয় মাসের নয়; বহু বছর ধরে ধীরে ধীরে এই দখল বিস্তৃত হয়েছে। এতে নাগরিকদের স্বাভাবিকভাবে ফুটপাত দিয়ে হাঁটার অধিকার বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
শফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘গতকালও আমরা স্পষ্টভাবে বলেছি, আজও বলছি—ফুটপাত দখলমুক্ত করার এই অভিযান চলমান থাকবে। যতদিন পর্যন্ত কাঙ্ক্ষিত সফলতা না আসবে, ডিএনসিসির পক্ষ থেকে এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’
অভিযানের সময় সাংবাদিক আহত হওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, সাংবাদিকদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা উচিত। আহত সাংবাদিক সিফাত মাথায় আঘাত পাওয়ার পরও ঘটনাস্থলে ফিরে সংবাদ সংগ্রহ করায় তার প্রতি সহানুভূতি জানান তিনি।
পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়হীনতার কারণে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের বিষয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, প্রতিটি উচ্ছেদ অভিযানের আগে ম্যাজিস্ট্রেটের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হয়। অভিযানে পুলিশ সদস্যরাও উপস্থিত থাকেন। তবে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি পুলিশ সদস্য থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।
সামনের অভিযানে প্রয়োজন অনুযায়ী প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে উচ্ছেদ অভিযান চালানো উচিত ছিল—এমন বক্তব্যের বিষয়ে শফিকুল ইসলাম খান বলেন, সিটি করপোরেশনের আওতাধীন এলাকায় জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে পরিস্থিতি বিবেচনায় তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনার এখতিয়ার সিটি করপোরেশনের রয়েছে। কোনো নির্দিষ্ট নির্বাচনি আসন বিবেচনায় নিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয় না।
তিনি জানান, ডিএনসিসির আওতাধীন মোহাম্মদপুর, উত্তরা, তেজগাঁও, মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হতে পারে।
নিজের ওপর কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগের বিষয়ে প্রশাসক বলেন, ‘আমি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। আমাকে চাপ প্রয়োগ করার কোনো ক্ষমতা কারও নেই। আমার সংস্থা, আমার বিভাগ—আমি সেটা পরিচালনা করব। নগরবাসীকে নগরসেবা ও প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার দায়িত্ব আমার। কে চাপ প্রয়োগ করবে, সেটা আমি মোকাবিলা করব।’
অভিযানের পর ফুটপাত কতদিন দখলমুক্ত রাখা সম্ভব হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এবার ফুটপাত পরিষ্কার করার পাশাপাশি তা দখলমুক্ত রাখার চেষ্টা করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আজ আপনারা পরিষ্কার দেখেছেন। আমি চেষ্টা করব যেন এই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা সবসময় থাকে। যতদিন কেউ আবার ফুটপাত দখল করে বসার চেষ্টা করবে, ততদিন আরও জোরালো অভিযান পরিচালনা করা হবে।’
এ কার্যক্রমে গণমাধ্যমের সহযোগিতাও চান ডিএনসিসি প্রশাসক।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!