
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়ে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দায়িত্বের গুরুত্বের পাশাপাশি তার দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ-অর্জন সামরিক অঙ্গনে বিশেষভাবে আলোচিত।
প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সাফল্য
সামরিক জীবনে আর্টিলারি বেসিক কোর্স থেকে শুরু করে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্স পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। একাধিক কোর্সে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ২৯তম বিএমএ লং কোর্স থেকে কমিশনপ্রাপ্ত কায়সার রশিদ চৌধুরী সেখানে দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট ছিলেন। আর্টিলারি রেজিমেন্টে কমিশন নিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দায়িত্বে বহুমাত্রিক দক্ষতার পরিচয় দেন। সহকর্মীদের মতে, জটিল সামরিক অপারেশন বিশ্লেষণে তার দক্ষতা ও স্মৃতিশক্তি তাকে প্রশিক্ষক ও চিফ ইন্সট্রাক্টর হিসেবেও স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ভূমিকা
২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কাঠামোয় ‘চিফ অব ফোর্স জেনারেশন’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, এ সময় বাংলাদেশ শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করে। দায়িত্ব শেষে দেশে ফেরার পর সেই অবস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
একাডেমিক যোগ্যতা
পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি একাডেমিক ক্ষেত্রেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস থেকে সিকিউরিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন কৃতিত্বের সঙ্গে।
অপপ্রচার প্রসঙ্গ
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে তাকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের ছবি ঘিরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়ে কিছু প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একজন পেশাদার সামরিক কর্মকর্তার কর্মজীবন রাষ্ট্রকেন্দ্রিক; দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রশ্নই ওঠে না।
সেনাবাহিনীর নীতিমতে শৃঙ্খলা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বই প্রধান ভিত্তি। সহকর্মীদের ভাষ্যে, কায়সার রশিদ চৌধুরী নীতিগত অবস্থানে দৃঢ় এবং পেশাগত মানদণ্ডে আপসহীন।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্বে তার নিয়োগকে সংশ্লিষ্ট মহল আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন-এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
নতুন দায়িত্ব পালনে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়ে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দায়িত্বের গুরুত্বের পাশাপাশি তার দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ-অর্জন সামরিক অঙ্গনে বিশেষভাবে আলোচিত।
প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সাফল্য
সামরিক জীবনে আর্টিলারি বেসিক কোর্স থেকে শুরু করে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্স পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। একাধিক কোর্সে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ২৯তম বিএমএ লং কোর্স থেকে কমিশনপ্রাপ্ত কায়সার রশিদ চৌধুরী সেখানে দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট ছিলেন। আর্টিলারি রেজিমেন্টে কমিশন নিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দায়িত্বে বহুমাত্রিক দক্ষতার পরিচয় দেন। সহকর্মীদের মতে, জটিল সামরিক অপারেশন বিশ্লেষণে তার দক্ষতা ও স্মৃতিশক্তি তাকে প্রশিক্ষক ও চিফ ইন্সট্রাক্টর হিসেবেও স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ভূমিকা
২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কাঠামোয় ‘চিফ অব ফোর্স জেনারেশন’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, এ সময় বাংলাদেশ শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করে। দায়িত্ব শেষে দেশে ফেরার পর সেই অবস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
একাডেমিক যোগ্যতা
পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি একাডেমিক ক্ষেত্রেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস থেকে সিকিউরিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন কৃতিত্বের সঙ্গে।
অপপ্রচার প্রসঙ্গ
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে তাকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের ছবি ঘিরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়ে কিছু প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একজন পেশাদার সামরিক কর্মকর্তার কর্মজীবন রাষ্ট্রকেন্দ্রিক; দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রশ্নই ওঠে না।
সেনাবাহিনীর নীতিমতে শৃঙ্খলা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বই প্রধান ভিত্তি। সহকর্মীদের ভাষ্যে, কায়সার রশিদ চৌধুরী নীতিগত অবস্থানে দৃঢ় এবং পেশাগত মানদণ্ডে আপসহীন।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্বে তার নিয়োগকে সংশ্লিষ্ট মহল আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন-এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
নতুন দায়িত্ব পালনে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়ে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দায়িত্বের গুরুত্বের পাশাপাশি তার দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ-অর্জন সামরিক অঙ্গনে বিশেষভাবে আলোচিত।
প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সাফল্য
সামরিক জীবনে আর্টিলারি বেসিক কোর্স থেকে শুরু করে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্স পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। একাধিক কোর্সে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ২৯তম বিএমএ লং কোর্স থেকে কমিশনপ্রাপ্ত কায়সার রশিদ চৌধুরী সেখানে দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট ছিলেন। আর্টিলারি রেজিমেন্টে কমিশন নিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দায়িত্বে বহুমাত্রিক দক্ষতার পরিচয় দেন। সহকর্মীদের মতে, জটিল সামরিক অপারেশন বিশ্লেষণে তার দক্ষতা ও স্মৃতিশক্তি তাকে প্রশিক্ষক ও চিফ ইন্সট্রাক্টর হিসেবেও স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ভূমিকা
২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কাঠামোয় ‘চিফ অব ফোর্স জেনারেশন’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, এ সময় বাংলাদেশ শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করে। দায়িত্ব শেষে দেশে ফেরার পর সেই অবস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
একাডেমিক যোগ্যতা
পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি একাডেমিক ক্ষেত্রেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস থেকে সিকিউরিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন কৃতিত্বের সঙ্গে।
অপপ্রচার প্রসঙ্গ
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে তাকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের ছবি ঘিরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়ে কিছু প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একজন পেশাদার সামরিক কর্মকর্তার কর্মজীবন রাষ্ট্রকেন্দ্রিক; দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রশ্নই ওঠে না।
সেনাবাহিনীর নীতিমতে শৃঙ্খলা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বই প্রধান ভিত্তি। সহকর্মীদের ভাষ্যে, কায়সার রশিদ চৌধুরী নীতিগত অবস্থানে দৃঢ় এবং পেশাগত মানদণ্ডে আপসহীন।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্বে তার নিয়োগকে সংশ্লিষ্ট মহল আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন-এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
নতুন দায়িত্ব পালনে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মোহাম্মদ কায়সার রশিদ চৌধুরী সম্প্রতি মেজর জেনারেল পদে পদোন্নতি পেয়ে প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। দায়িত্বের গুরুত্বের পাশাপাশি তার দীর্ঘ পেশাগত অভিজ্ঞতা ও প্রশিক্ষণ-অর্জন সামরিক অঙ্গনে বিশেষভাবে আলোচিত।
প্রশিক্ষণ ও পেশাগত সাফল্য
সামরিক জীবনে আর্টিলারি বেসিক কোর্স থেকে শুরু করে ডিফেন্স সার্ভিসেস কমান্ড অ্যান্ড স্টাফ কোর্স পর্যন্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণে কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন তিনি। একাধিক কোর্সে প্রথম স্থান অধিকার করার গৌরব অর্জন করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমির ২৯তম বিএমএ লং কোর্স থেকে কমিশনপ্রাপ্ত কায়সার রশিদ চৌধুরী সেখানে দ্বিতীয় সেরা ক্যাডেট ছিলেন। আর্টিলারি রেজিমেন্টে কমিশন নিয়ে কর্মজীবন শুরু করলেও পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন দায়িত্বে বহুমাত্রিক দক্ষতার পরিচয় দেন। সহকর্মীদের মতে, জটিল সামরিক অপারেশন বিশ্লেষণে তার দক্ষতা ও স্মৃতিশক্তি তাকে প্রশিক্ষক ও চিফ ইন্সট্রাক্টর হিসেবেও স্বতন্ত্র পরিচিতি দিয়েছে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে ভূমিকা
২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কাঠামোয় ‘চিফ অব ফোর্স জেনারেশন’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সংশ্লিষ্ট মহলের দাবি, এ সময় বাংলাদেশ শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশের অবস্থান সুদৃঢ় করে। দায়িত্ব শেষে দেশে ফেরার পর সেই অবস্থান ধরে রাখার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি হয় বলে জানা গেছে।
একাডেমিক যোগ্যতা
পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি একাডেমিক ক্ষেত্রেও সক্রিয় ছিলেন তিনি। বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস থেকে সিকিউরিটি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট বিষয়ে মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন কৃতিত্বের সঙ্গে।
অপপ্রচার প্রসঙ্গ
সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে তাকে ঘিরে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার চালানোর অভিযোগ উঠেছে। একটি রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানের ছবি ঘিরে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতার ইঙ্গিত দিয়ে কিছু প্ল্যাটফর্মে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একজন পেশাদার সামরিক কর্মকর্তার কর্মজীবন রাষ্ট্রকেন্দ্রিক; দলীয় রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ততার প্রশ্নই ওঠে না।
সেনাবাহিনীর নীতিমতে শৃঙ্খলা, নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বই প্রধান ভিত্তি। সহকর্মীদের ভাষ্যে, কায়সার রশিদ চৌধুরী নীতিগত অবস্থানে দৃঢ় এবং পেশাগত মানদণ্ডে আপসহীন।
রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোয়েন্দা সংস্থার নেতৃত্বে তার নিয়োগকে সংশ্লিষ্ট মহল আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশাগত মানোন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে তিনি দায়িত্ব পালন করবেন-এমন প্রত্যাশা সংশ্লিষ্টদের।
নতুন দায়িত্ব পালনে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীরা।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!