নেপালে সম্প্রতি আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় গভীরভাবে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দুর্যোগের এই সংকটময় মুহূর্তে নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার প্রস্তুত রয়েছে বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) এক শোক বার্তায় নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং নেপালের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।
শোক বার্তায় তারেক রহমান বলেন, ‘নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা প্রিয়জন হারানো সেসব পরিবার ও মানুষের সাথে রয়েছে, যাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির এই কঠিন বিপর্যয়ে নেপালের পাশে রয়েছে বাংলাদেশ। দুর্যোগের এই সংকটময় মুহূর্তে নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার প্রস্তুত রয়েছে।
শোক বার্তায় বন্যায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে এখনো শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। নিখোঁজদের মধ্যে ২৮ জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
বুধবার দেশটির তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় আকস্মিক বন্যার পানিতে একের পর এক গ্রাম ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নেপাল পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার রাত পর্যন্ত ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্গত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যার পর প্রায় ৪০৩ পর্যটকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ১৪২ জন ভারতের নাগরিক। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও রয়েছেন।
নেপালে সম্প্রতি আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় গভীরভাবে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দুর্যোগের এই সংকটময় মুহূর্তে নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার প্রস্তুত রয়েছে বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) এক শোক বার্তায় নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং নেপালের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।
শোক বার্তায় তারেক রহমান বলেন, ‘নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা প্রিয়জন হারানো সেসব পরিবার ও মানুষের সাথে রয়েছে, যাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির এই কঠিন বিপর্যয়ে নেপালের পাশে রয়েছে বাংলাদেশ। দুর্যোগের এই সংকটময় মুহূর্তে নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার প্রস্তুত রয়েছে।
শোক বার্তায় বন্যায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে এখনো শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। নিখোঁজদের মধ্যে ২৮ জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
বুধবার দেশটির তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় আকস্মিক বন্যার পানিতে একের পর এক গ্রাম ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নেপাল পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার রাত পর্যন্ত ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্গত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যার পর প্রায় ৪০৩ পর্যটকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ১৪২ জন ভারতের নাগরিক। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও রয়েছেন।
নেপালে সম্প্রতি আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় গভীরভাবে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দুর্যোগের এই সংকটময় মুহূর্তে নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার প্রস্তুত রয়েছে বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) এক শোক বার্তায় নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং নেপালের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।
শোক বার্তায় তারেক রহমান বলেন, ‘নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা প্রিয়জন হারানো সেসব পরিবার ও মানুষের সাথে রয়েছে, যাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির এই কঠিন বিপর্যয়ে নেপালের পাশে রয়েছে বাংলাদেশ। দুর্যোগের এই সংকটময় মুহূর্তে নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার প্রস্তুত রয়েছে।
শোক বার্তায় বন্যায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে এখনো শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। নিখোঁজদের মধ্যে ২৮ জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
বুধবার দেশটির তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় আকস্মিক বন্যার পানিতে একের পর এক গ্রাম ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নেপাল পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার রাত পর্যন্ত ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্গত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যার পর প্রায় ৪০৩ পর্যটকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ১৪২ জন ভারতের নাগরিক। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও রয়েছেন।
নেপালে সম্প্রতি আঘাত হানা ভয়াবহ বন্যায় ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় গভীরভাবে শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দুর্যোগের এই সংকটময় মুহূর্তে নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার প্রস্তুত রয়েছে বলে বার্তা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৬ আগস্ট) এক শোক বার্তায় নেপালের প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহ এবং নেপালের জনগণের প্রতি বাংলাদেশের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে আন্তরিক সমবেদনা জানান প্রধানমন্ত্রী।
শোক বার্তায় তারেক রহমান বলেন, ‘নেপালে ভয়াবহ বন্যায় বিপুলসংখ্যক মানুষের প্রাণহানির মর্মান্তিক ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত ও ব্যথিত। আমাদের চিন্তা ও প্রার্থনা প্রিয়জন হারানো সেসব পরিবার ও মানুষের সাথে রয়েছে, যাদের এই অপূরণীয় ক্ষতি বহন করতে হচ্ছে।’
তিনি আরও বলেন, প্রকৃতির এই কঠিন বিপর্যয়ে নেপালের পাশে রয়েছে বাংলাদেশ। দুর্যোগের এই সংকটময় মুহূর্তে নেপালকে যেকোনো প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে বাংলাদেশ সরকার প্রস্তুত রয়েছে।
শোক বার্তায় বন্যায় নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রসঙ্গত, নেপালে ভয়াবহ আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১৬২ জনে দাঁড়িয়েছে। তবে এখনো শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির পুলিশ। নিখোঁজদের মধ্যে ২৮ জন পুলিশ সদস্যও রয়েছেন।
বুধবার দেশটির তিব্বত সীমান্তবর্তী পার্বত্য এলাকায় আকস্মিক বন্যার পানিতে একের পর এক গ্রাম ভেসে যাওয়ার পাশাপাশি সড়ক, সেতু ও বিদ্যুৎ প্রকল্প ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
নেপাল পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বুধবার রাত পর্যন্ত ১৫৭ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দুর্গত ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি নিখোঁজদের উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বন্যার পর প্রায় ৪০৩ পর্যটকের কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মধ্যে ৩৪১ জন বিদেশি নাগরিক। নিখোঁজ বিদেশিদের মধ্যে ১৪২ জন ভারতের নাগরিক। এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, মালয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, পর্তুগাল, দক্ষিণ আফ্রিকা, দক্ষিণ কোরিয়া, ইউক্রেন ও যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকও রয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!