
দেশের যেসব স্থানে সেনাবাহিনীর অবস্থান রয়েছে, সেসব এলাকায় পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এ বছর ১১ লাখ গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের নির্ঝর এলাকায় সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, বনায়ন বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রতি বছরের মতো এবারও সেনাবাহিনী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শুধু গাছ লাগানোই নয়, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করে বড় করে তোলার দায়িত্বও সেনাবাহিনী পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। দেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট এবং সেনাবাহিনীর অবস্থানরত এলাকাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ বছরের বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

দেশের যেসব স্থানে সেনাবাহিনীর অবস্থান রয়েছে, সেসব এলাকায় পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এ বছর ১১ লাখ গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের নির্ঝর এলাকায় সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, বনায়ন বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রতি বছরের মতো এবারও সেনাবাহিনী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শুধু গাছ লাগানোই নয়, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করে বড় করে তোলার দায়িত্বও সেনাবাহিনী পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। দেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট এবং সেনাবাহিনীর অবস্থানরত এলাকাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ বছরের বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

দেশের যেসব স্থানে সেনাবাহিনীর অবস্থান রয়েছে, সেসব এলাকায় পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এ বছর ১১ লাখ গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের নির্ঝর এলাকায় সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, বনায়ন বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রতি বছরের মতো এবারও সেনাবাহিনী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শুধু গাছ লাগানোই নয়, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করে বড় করে তোলার দায়িত্বও সেনাবাহিনী পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। দেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট এবং সেনাবাহিনীর অবস্থানরত এলাকাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ বছরের বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’

দেশের যেসব স্থানে সেনাবাহিনীর অবস্থান রয়েছে, সেসব এলাকায় পর্যায়ক্রমে বৃক্ষরোপণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, পরিবেশ সংরক্ষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় এ বছর ১১ লাখ গাছ রোপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টের নির্ঝর এলাকায় সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
সেনাপ্রধান বলেন, বনায়ন বৃদ্ধি ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় প্রতি বছরের মতো এবারও সেনাবাহিনী বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। শুধু গাছ লাগানোই নয়, সেগুলোর যথাযথ পরিচর্যা করে বড় করে তোলার দায়িত্বও সেনাবাহিনী পালন করবে।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সেনাবাহিনী ভবিষ্যতেও সক্রিয় ভূমিকা রাখবে। দেশের বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্ট এবং সেনাবাহিনীর অবস্থানরত এলাকাগুলোতে পরিকল্পিতভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।
এ বছরের বৃক্ষরোপণ অভিযানের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে- ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!