ঢাকার মেট্রোরেলের দুটি লাইনের আটটি প্যাকেজের নির্মাণকাজ পেয়েছে বাংলাদেশ, চীন, জাপান, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এসব কাজের মোট চুক্তিমূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে এমআরটি লাইন-১ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজের মূল্য ৫৩ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫ (উত্তরা রুট, প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের দুটি প্যাকেজের মূল্য ৪ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে মেট্রোরেলের এসব প্যাকেজের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ মেট্রোরেলের এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করে। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) যৌথ অর্থায়নে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে।
মেট্রোরেলের বিভিন্ন প্যাকেজে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানও যুক্ত রয়েছে। ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড মোট তিনটি প্যাকেজে অংশীদার হিসেবে রয়েছে। এর একটি জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এবং দুটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।
জাপানি প্রতিষ্ঠানের হাতে অর্ধেকের বেশি কাজ
মোট চুক্তিমূল্যের অর্ধেকের বেশি কাজ পেয়েছে জাপানি প্রতিষ্ঠান। এমআরটি লাইন-১-এর সবচেয়ে বড় প্যাকেজ রামপুরার উত্তর থেকে নতুন বাজার স্টেশন পর্যন্ত মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের কাজ পেয়েছে টোকিও-এমআইএল যৌথ উদ্যোগ। এর চুক্তিমূল্য ১৮ হাজার ৩৭ কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া নর্দ্দা স্টেশনের উত্তর থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার অংশের মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের কাজ পেয়েছে নিশিমাৎসু-টিপিএল-তোদা যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি।
দুটি প্যাকেজ মিলিয়ে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মূল্য প্রায় ২৯ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা, যা মোট চুক্তিমূল্যের প্রায় ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ।
ভারতের দুই প্রতিষ্ঠানের দুটি প্যাকেজ
এমআরটি লাইন-১-এর ট্র্যাক ওয়ার্কস এবং বৈদ্যুতিক সুবিধার কাজ পেয়েছে এলঅ্যান্ডটি-সুমিটোমো কনসোর্টিয়াম। এর চুক্তিমূল্য ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি।
সিগন্যাল, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর ও এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ পেয়েছে ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো লিমিটেড। এর মূল্য ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি।
দুটি প্যাকেজে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মোট মূল্য প্রায় ১৭ হাজার ৫১২ কোটি টাকা।
চীনা নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগে তিন প্যাকেজ
চীনা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগ তিনটি প্যাকেজের কাজ পেয়েছে। এমআরটি লাইন-১-এর ডিপোতে পূর্ত ও ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে সিনোহাইড্রো-এসইবিসিএল যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ টাকার বেশি।
একই লাইনের ট্রানজিশন থেকে বালু নদীর শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার অংশের কাজ পেয়েছে সিআরইসি-এমআইএল-এমবিইসি যৌথ উদ্যোগ। এর চুক্তিমূল্য ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি।
এ ছাড়া এমআরটি লাইন-৫-এর হেমায়েতপুর স্টেশন থেকে আমিনবাজার ট্রানজিশন এবং নতুন বাজার ট্রানজিশন থেকে ভাটারা স্টেশন পর্যন্ত এলিভেটেড অংশের মূল লাইন ও পাঁচটি স্টেশন নির্মাণের কাজও পেয়েছে চীনা নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।
তিন প্যাকেজে চীনা প্রতিষ্ঠান নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগগুলোর কাজের মূল্য প্রায় ৯ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানের কাজ
এমআরটি লাইন-৫-এর ডিপোতে পূর্ত ও ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে সিপিসি-হানিল যৌথ উদ্যোগ। এতে বাংলাদেশের কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেড এবং দক্ষিণ কোরিয়ার হানিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড রয়েছে। এ প্যাকেজের চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি।
দুটি মেট্রোরেল প্রকল্পের এসব প্যাকেজ বাস্তবায়িত হলে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় মেট্রোরেলের নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।
ঢাকার মেট্রোরেলের দুটি লাইনের আটটি প্যাকেজের নির্মাণকাজ পেয়েছে বাংলাদেশ, চীন, জাপান, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এসব কাজের মোট চুক্তিমূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে এমআরটি লাইন-১ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজের মূল্য ৫৩ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫ (উত্তরা রুট, প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের দুটি প্যাকেজের মূল্য ৪ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে মেট্রোরেলের এসব প্যাকেজের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ মেট্রোরেলের এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করে। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) যৌথ অর্থায়নে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে।
মেট্রোরেলের বিভিন্ন প্যাকেজে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানও যুক্ত রয়েছে। ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড মোট তিনটি প্যাকেজে অংশীদার হিসেবে রয়েছে। এর একটি জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এবং দুটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।
জাপানি প্রতিষ্ঠানের হাতে অর্ধেকের বেশি কাজ
মোট চুক্তিমূল্যের অর্ধেকের বেশি কাজ পেয়েছে জাপানি প্রতিষ্ঠান। এমআরটি লাইন-১-এর সবচেয়ে বড় প্যাকেজ রামপুরার উত্তর থেকে নতুন বাজার স্টেশন পর্যন্ত মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের কাজ পেয়েছে টোকিও-এমআইএল যৌথ উদ্যোগ। এর চুক্তিমূল্য ১৮ হাজার ৩৭ কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া নর্দ্দা স্টেশনের উত্তর থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার অংশের মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের কাজ পেয়েছে নিশিমাৎসু-টিপিএল-তোদা যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি।
দুটি প্যাকেজ মিলিয়ে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মূল্য প্রায় ২৯ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা, যা মোট চুক্তিমূল্যের প্রায় ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ।
ভারতের দুই প্রতিষ্ঠানের দুটি প্যাকেজ
এমআরটি লাইন-১-এর ট্র্যাক ওয়ার্কস এবং বৈদ্যুতিক সুবিধার কাজ পেয়েছে এলঅ্যান্ডটি-সুমিটোমো কনসোর্টিয়াম। এর চুক্তিমূল্য ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি।
সিগন্যাল, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর ও এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ পেয়েছে ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো লিমিটেড। এর মূল্য ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি।
দুটি প্যাকেজে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মোট মূল্য প্রায় ১৭ হাজার ৫১২ কোটি টাকা।
চীনা নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগে তিন প্যাকেজ
চীনা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগ তিনটি প্যাকেজের কাজ পেয়েছে। এমআরটি লাইন-১-এর ডিপোতে পূর্ত ও ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে সিনোহাইড্রো-এসইবিসিএল যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ টাকার বেশি।
একই লাইনের ট্রানজিশন থেকে বালু নদীর শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার অংশের কাজ পেয়েছে সিআরইসি-এমআইএল-এমবিইসি যৌথ উদ্যোগ। এর চুক্তিমূল্য ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি।
এ ছাড়া এমআরটি লাইন-৫-এর হেমায়েতপুর স্টেশন থেকে আমিনবাজার ট্রানজিশন এবং নতুন বাজার ট্রানজিশন থেকে ভাটারা স্টেশন পর্যন্ত এলিভেটেড অংশের মূল লাইন ও পাঁচটি স্টেশন নির্মাণের কাজও পেয়েছে চীনা নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।
তিন প্যাকেজে চীনা প্রতিষ্ঠান নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগগুলোর কাজের মূল্য প্রায় ৯ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানের কাজ
এমআরটি লাইন-৫-এর ডিপোতে পূর্ত ও ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে সিপিসি-হানিল যৌথ উদ্যোগ। এতে বাংলাদেশের কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেড এবং দক্ষিণ কোরিয়ার হানিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড রয়েছে। এ প্যাকেজের চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি।
দুটি মেট্রোরেল প্রকল্পের এসব প্যাকেজ বাস্তবায়িত হলে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় মেট্রোরেলের নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।
ঢাকার মেট্রোরেলের দুটি লাইনের আটটি প্যাকেজের নির্মাণকাজ পেয়েছে বাংলাদেশ, চীন, জাপান, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এসব কাজের মোট চুক্তিমূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে এমআরটি লাইন-১ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজের মূল্য ৫৩ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫ (উত্তরা রুট, প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের দুটি প্যাকেজের মূল্য ৪ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে মেট্রোরেলের এসব প্যাকেজের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ মেট্রোরেলের এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করে। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) যৌথ অর্থায়নে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে।
মেট্রোরেলের বিভিন্ন প্যাকেজে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানও যুক্ত রয়েছে। ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড মোট তিনটি প্যাকেজে অংশীদার হিসেবে রয়েছে। এর একটি জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এবং দুটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।
জাপানি প্রতিষ্ঠানের হাতে অর্ধেকের বেশি কাজ
মোট চুক্তিমূল্যের অর্ধেকের বেশি কাজ পেয়েছে জাপানি প্রতিষ্ঠান। এমআরটি লাইন-১-এর সবচেয়ে বড় প্যাকেজ রামপুরার উত্তর থেকে নতুন বাজার স্টেশন পর্যন্ত মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের কাজ পেয়েছে টোকিও-এমআইএল যৌথ উদ্যোগ। এর চুক্তিমূল্য ১৮ হাজার ৩৭ কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া নর্দ্দা স্টেশনের উত্তর থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার অংশের মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের কাজ পেয়েছে নিশিমাৎসু-টিপিএল-তোদা যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি।
দুটি প্যাকেজ মিলিয়ে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মূল্য প্রায় ২৯ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা, যা মোট চুক্তিমূল্যের প্রায় ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ।
ভারতের দুই প্রতিষ্ঠানের দুটি প্যাকেজ
এমআরটি লাইন-১-এর ট্র্যাক ওয়ার্কস এবং বৈদ্যুতিক সুবিধার কাজ পেয়েছে এলঅ্যান্ডটি-সুমিটোমো কনসোর্টিয়াম। এর চুক্তিমূল্য ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি।
সিগন্যাল, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর ও এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ পেয়েছে ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো লিমিটেড। এর মূল্য ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি।
দুটি প্যাকেজে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মোট মূল্য প্রায় ১৭ হাজার ৫১২ কোটি টাকা।
চীনা নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগে তিন প্যাকেজ
চীনা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগ তিনটি প্যাকেজের কাজ পেয়েছে। এমআরটি লাইন-১-এর ডিপোতে পূর্ত ও ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে সিনোহাইড্রো-এসইবিসিএল যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ টাকার বেশি।
একই লাইনের ট্রানজিশন থেকে বালু নদীর শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার অংশের কাজ পেয়েছে সিআরইসি-এমআইএল-এমবিইসি যৌথ উদ্যোগ। এর চুক্তিমূল্য ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি।
এ ছাড়া এমআরটি লাইন-৫-এর হেমায়েতপুর স্টেশন থেকে আমিনবাজার ট্রানজিশন এবং নতুন বাজার ট্রানজিশন থেকে ভাটারা স্টেশন পর্যন্ত এলিভেটেড অংশের মূল লাইন ও পাঁচটি স্টেশন নির্মাণের কাজও পেয়েছে চীনা নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।
তিন প্যাকেজে চীনা প্রতিষ্ঠান নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগগুলোর কাজের মূল্য প্রায় ৯ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানের কাজ
এমআরটি লাইন-৫-এর ডিপোতে পূর্ত ও ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে সিপিসি-হানিল যৌথ উদ্যোগ। এতে বাংলাদেশের কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেড এবং দক্ষিণ কোরিয়ার হানিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড রয়েছে। এ প্যাকেজের চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি।
দুটি মেট্রোরেল প্রকল্পের এসব প্যাকেজ বাস্তবায়িত হলে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় মেট্রোরেলের নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।
ঢাকার মেট্রোরেলের দুটি লাইনের আটটি প্যাকেজের নির্মাণকাজ পেয়েছে বাংলাদেশ, চীন, জাপান, ভারত ও দক্ষিণ কোরিয়ার বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এসব কাজের মোট চুক্তিমূল্য প্রায় ৫৮ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে এমআরটি লাইন-১ (প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের ছয়টি প্যাকেজের মূল্য ৫৩ হাজার ৯৫৯ কোটি টাকা এবং এমআরটি লাইন-৫ (উত্তরা রুট, প্রথম সংশোধিত) প্রকল্পের দুটি প্যাকেজের মূল্য ৪ হাজার ৫১৮ কোটি টাকা।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে মেট্রোরেলের এসব প্যাকেজের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ মেট্রোরেলের এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করে। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) যৌথ অর্থায়নে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করছে।
মেট্রোরেলের বিভিন্ন প্যাকেজে যৌথ উদ্যোগের মাধ্যমে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানও যুক্ত রয়েছে। ম্যাক্স ইনফ্রাস্ট্রাকচার লিমিটেড মোট তিনটি প্যাকেজে অংশীদার হিসেবে রয়েছে। এর একটি জাপানি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে এবং দুটি চীনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে।
জাপানি প্রতিষ্ঠানের হাতে অর্ধেকের বেশি কাজ
মোট চুক্তিমূল্যের অর্ধেকের বেশি কাজ পেয়েছে জাপানি প্রতিষ্ঠান। এমআরটি লাইন-১-এর সবচেয়ে বড় প্যাকেজ রামপুরার উত্তর থেকে নতুন বাজার স্টেশন পর্যন্ত মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের কাজ পেয়েছে টোকিও-এমআইএল যৌথ উদ্যোগ। এর চুক্তিমূল্য ১৮ হাজার ৩৭ কোটি টাকার বেশি।
এ ছাড়া নর্দ্দা স্টেশনের উত্তর থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার অংশের মূল লাইন ও স্টেশন নির্মাণের কাজ পেয়েছে নিশিমাৎসু-টিপিএল-তোদা যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি।
দুটি প্যাকেজ মিলিয়ে জাপানি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মূল্য প্রায় ২৯ হাজার ৬২৮ কোটি টাকা, যা মোট চুক্তিমূল্যের প্রায় ৫০ দশমিক ৭ শতাংশ।
ভারতের দুই প্রতিষ্ঠানের দুটি প্যাকেজ
এমআরটি লাইন-১-এর ট্র্যাক ওয়ার্কস এবং বৈদ্যুতিক সুবিধার কাজ পেয়েছে এলঅ্যান্ডটি-সুমিটোমো কনসোর্টিয়াম। এর চুক্তিমূল্য ১১ হাজার ৬৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বেশি।
সিগন্যাল, টেলিযোগাযোগ, প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর ও এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের কাজ পেয়েছে ভারতের লারসেন অ্যান্ড টুব্রো লিমিটেড। এর মূল্য ৬ হাজার ৪৪৬ কোটি ৬৫ লাখ টাকার বেশি।
দুটি প্যাকেজে ভারতীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কাজের মোট মূল্য প্রায় ১৭ হাজার ৫১২ কোটি টাকা।
চীনা নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগে তিন প্যাকেজ
চীনা প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগ তিনটি প্যাকেজের কাজ পেয়েছে। এমআরটি লাইন-১-এর ডিপোতে পূর্ত ও ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে সিনোহাইড্রো-এসইবিসিএল যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ৪ হাজার ২৮৫ কোটি ৬ লাখ টাকার বেশি।
একই লাইনের ট্রানজিশন থেকে বালু নদীর শুরু পর্যন্ত ৫ দশমিক ০০৭ কিলোমিটার অংশের কাজ পেয়েছে সিআরইসি-এমআইএল-এমবিইসি যৌথ উদ্যোগ। এর চুক্তিমূল্য ২ হাজার ৫৩৪ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি।
এ ছাড়া এমআরটি লাইন-৫-এর হেমায়েতপুর স্টেশন থেকে আমিনবাজার ট্রানজিশন এবং নতুন বাজার ট্রানজিশন থেকে ভাটারা স্টেশন পর্যন্ত এলিভেটেড অংশের মূল লাইন ও পাঁচটি স্টেশন নির্মাণের কাজও পেয়েছে চীনা নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগ। এর মূল্য ২ হাজার ৬৭০ কোটি ৯৮ লাখ টাকা।
তিন প্যাকেজে চীনা প্রতিষ্ঠান নেতৃত্বাধীন যৌথ উদ্যোগগুলোর কাজের মূল্য প্রায় ৯ হাজার ৪৯০ কোটি টাকা।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠানের কাজ
এমআরটি লাইন-৫-এর ডিপোতে পূর্ত ও ভবন নির্মাণের কাজ পেয়েছে সিপিসি-হানিল যৌথ উদ্যোগ। এতে বাংলাদেশের কনকর্ড প্রগতি কনসোর্টিয়াম লিমিটেড এবং দক্ষিণ কোরিয়ার হানিল ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড রয়েছে। এ প্যাকেজের চুক্তিমূল্য ১ হাজার ৮৪৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার বেশি।
দুটি মেট্রোরেল প্রকল্পের এসব প্যাকেজ বাস্তবায়িত হলে ঢাকার গণপরিবহন ব্যবস্থায় মেট্রোরেলের নেটওয়ার্ক আরও সম্প্রসারিত হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!