চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতী ইউনিয়নের ফোর সিজন এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
নিহতরা হলেন-মুহাম্মদ নাইম (২৩), নাইমুল ইসলাম জিহাদ (২৪), রেহানা আক্তার ও মনির আহমদ (২৫)। নিহত নাইমুল ইসলাম জিহাদ বিজিবির সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ মাসুম (৩০), আরাফাত (২২), দ্বীপ দত্ত (৩০) ও রিয়াজ (২৮)সহ আরও অনেকে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের অনেকের হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের পা ভেঙে গেছে এবং অনেকের শরীরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থোপেডিক্স বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তাসফিক আহমেদ জানান, দুর্ঘটনায় আহত সাতজনকে ট্রমা সেন্টারে আনা হয়। এর মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে আসা দুটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতী ইউনিয়নের ফোর সিজন এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
নিহতরা হলেন-মুহাম্মদ নাইম (২৩), নাইমুল ইসলাম জিহাদ (২৪), রেহানা আক্তার ও মনির আহমদ (২৫)। নিহত নাইমুল ইসলাম জিহাদ বিজিবির সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ মাসুম (৩০), আরাফাত (২২), দ্বীপ দত্ত (৩০) ও রিয়াজ (২৮)সহ আরও অনেকে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের অনেকের হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের পা ভেঙে গেছে এবং অনেকের শরীরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থোপেডিক্স বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তাসফিক আহমেদ জানান, দুর্ঘটনায় আহত সাতজনকে ট্রমা সেন্টারে আনা হয়। এর মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে আসা দুটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতী ইউনিয়নের ফোর সিজন এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
নিহতরা হলেন-মুহাম্মদ নাইম (২৩), নাইমুল ইসলাম জিহাদ (২৪), রেহানা আক্তার ও মনির আহমদ (২৫)। নিহত নাইমুল ইসলাম জিহাদ বিজিবির সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ মাসুম (৩০), আরাফাত (২২), দ্বীপ দত্ত (৩০) ও রিয়াজ (২৮)সহ আরও অনেকে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের অনেকের হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের পা ভেঙে গেছে এবং অনেকের শরীরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থোপেডিক্স বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তাসফিক আহমেদ জানান, দুর্ঘটনায় আহত সাতজনকে ট্রমা সেন্টারে আনা হয়। এর মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে আসা দুটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতী ইউনিয়নের ফোর সিজন এলাকায় দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৯ মে) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
নিহতরা হলেন-মুহাম্মদ নাইম (২৩), নাইমুল ইসলাম জিহাদ (২৪), রেহানা আক্তার ও মনির আহমদ (২৫)। নিহত নাইমুল ইসলাম জিহাদ বিজিবির সদস্য ছিলেন বলে জানা গেছে। আহতদের মধ্যে রয়েছেন মুহাম্মদ মাসুম (৩০), আরাফাত (২২), দ্বীপ দত্ত (৩০) ও রিয়াজ (২৮)সহ আরও অনেকে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আহতদের অনেকের হাত-পা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের পা ভেঙে গেছে এবং অনেকের শরীরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে। গুরুতর আহতদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অর্থোপেডিক্স বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট ডা. তাসফিক আহমেদ জানান, দুর্ঘটনায় আহত সাতজনকে ট্রমা সেন্টারে আনা হয়। এর মধ্যে একজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দ্রুতগতিতে আসা দুটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মুখোমুখি সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধারকাজ শুরু করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস, হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। স্থানীয়রা মহাসড়কে বেপরোয়া যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!