
কেমন হয়, যখন পর্দার গল্প অনেক সময় বাস্তবের চেয়েও বেশি সত্য হয়ে ধরা দেয়? ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ সিনেমার ক্ষেত্রে যেন ঘটেছে এমনটাই। মুক্তির সময় এটি স্রেফ একটি থ্রিলার সিনেমা মনে হলেও ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে দর্শকেরা খুঁজে পেল এক ভয়াবহ সত্যি।
বিশ্বজুড়ে আলোচিত জেফরি এপস্টেইনের সেই অভিশপ্ত দ্বীপ এবং তার অন্ধকার সাম্রাজ্যের যে কাহিনি আজ সবার মুখে মুখে, তা যেন দুই বছর আগেই ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এ তুলে ধরেছিলেন নির্মাতা জো ক্রাভিটজ; যা এখন রীতিমতো আলোড়ন তৈরি করেছে।
চলতি বছর, অর্থাৎ সিনেমাটি মুক্তির দুই বছর পর ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’। সম্প্রতি এপস্টেইন ফাইলস থেকে বেরিয়ে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্য এবং জেফরি এপস্টেইনের কুখ্যাত ব্যক্তিগত দ্বীপের ঘটনার সঙ্গে এই সিনেমার গল্পের হুবহু মিল খুঁজে পেয়েছেন দর্শকেরা।
‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে ফ্রিডা নামের এক তরুণীকে ঘিরে, যাকে টেক বিলিয়নিয়ার স্লেটার কিং তার ব্যক্তিগত দ্বীপে আমন্ত্রণ জানায়। সেখানে বিলাসবহুল জীবনযাপন, দামি মদ আর মাদকের নেশার আড়ালে নারীদের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ যৌন নিপীড়ন। আর এই পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে ব্যবহার করা হয় স্মৃতি মুছে ফেলার এক বিশেষ কৌশল।
বাস্তব জীবনে জেফরি এপস্টেইনের ‘লিটল সেন্ট জেমস’ দ্বীপের চিত্রও ছিল প্রায় একই রকম। মার্কিন ফেডারেল অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য অনুযায়ী, মডেলিং, চাকরি বা ভ্রমণের প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকা ও তরুণীদের ওই দ্বীপে আনা হতো। বিলাসবহুল পরিবেশে প্রভাবশালী অতিথিদের উপস্থিতির আড়ালে চলত সুসংগঠিত যৌন পাচার ও শোষণ।
সিনেমায় দেখানো হয়, ধনকুবের স্লেটার কিং পার্টিতে আগতদের স্মৃতি মুছে ফেলতে ‘স্কোপোলামিন’ নামক একটি ড্রাগ ব্যবহার করেন, যা তৈরি হয় এক ধরনের ফুল থেকে। দর্শকেরা ভেবেছিলেন এটি হয়তো শুধু সিনেমার কাল্পনিক কোনো উপাদান।
আর এদিকে, এপস্টেইনের নার্সারিতে ‘ট্রাম্পেট প্ল্যান্ট’ নিয়ে হওয়া ইমেইল চালাচালির তথ্য সামনে আসার পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। এই ট্রাম্পেট প্ল্যান্ট থেকেই স্কোপোলামিনের মতো হ্যালুসিনোজেনিক ড্রাগ তৈরি হওয়া সম্ভব। বাস্তব জীবনের এই তথ্যের সঙ্গে সিনেমার মেমোরি ম্যানিপুলেশনের কৌশল মিলে যাওয়ায় বিষয়টি আর শুধু কল্পনার স্তরে আটকে নেই।
সব মিলিয়ে সিনেমার স্লেটার কিংয়ের দ্বীপ আর বাস্তব জীবনের এপস্টেইন দ্বীপের এই একই চিত্র দর্শকদের রীতিমতো হতবাক করেছে।
সামাজিক মাধ্যমগুলোতে এখন ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এবং এপস্টেইন আইল্যান্ডের তুলনামূলক বিশ্লেষণে মেতেছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, এপস্টেইন তালিকা ফাঁস করতেই জো ক্রাভিটজ (পরিচালক) ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ লিখেছেন। আরেকজনের মন্তব্য ছিল বেশ সোজাসাপ্টা। লিখেছেন, ব্লিঙ্ক টুয়াইস ইকুয়াল এপস্টেইন আইল্যান্ড।
আবার উদ্ভিদ ও ড্রাগের যোগসূত্র নিয়ে এক দর্শক বিস্ময় প্রকাশ করে লেখেন, আমরা জানতাম সিনেমাটি ওই দ্বীপ নিয়েই, কিন্তু আমি ভেবেছিলাম উদ্ভিদের বিষের বিষয়টি হয়তো পরিচালকের কল্পনা। কিন্তু এটা কীভাবে মিলে গেল!
তবে বলা বাহুল্য, ক্ষমতা, অর্থ আর শোষণের এই অন্ধকার জগৎ নিয়ে নির্মিত ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এমন একটি সিনেমা, যেখানে প্রভাবশালীদের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর বাস্তবতা উঠে এসেছে।

কেমন হয়, যখন পর্দার গল্প অনেক সময় বাস্তবের চেয়েও বেশি সত্য হয়ে ধরা দেয়? ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ সিনেমার ক্ষেত্রে যেন ঘটেছে এমনটাই। মুক্তির সময় এটি স্রেফ একটি থ্রিলার সিনেমা মনে হলেও ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে দর্শকেরা খুঁজে পেল এক ভয়াবহ সত্যি।
বিশ্বজুড়ে আলোচিত জেফরি এপস্টেইনের সেই অভিশপ্ত দ্বীপ এবং তার অন্ধকার সাম্রাজ্যের যে কাহিনি আজ সবার মুখে মুখে, তা যেন দুই বছর আগেই ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এ তুলে ধরেছিলেন নির্মাতা জো ক্রাভিটজ; যা এখন রীতিমতো আলোড়ন তৈরি করেছে।
চলতি বছর, অর্থাৎ সিনেমাটি মুক্তির দুই বছর পর ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’। সম্প্রতি এপস্টেইন ফাইলস থেকে বেরিয়ে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্য এবং জেফরি এপস্টেইনের কুখ্যাত ব্যক্তিগত দ্বীপের ঘটনার সঙ্গে এই সিনেমার গল্পের হুবহু মিল খুঁজে পেয়েছেন দর্শকেরা।
‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে ফ্রিডা নামের এক তরুণীকে ঘিরে, যাকে টেক বিলিয়নিয়ার স্লেটার কিং তার ব্যক্তিগত দ্বীপে আমন্ত্রণ জানায়। সেখানে বিলাসবহুল জীবনযাপন, দামি মদ আর মাদকের নেশার আড়ালে নারীদের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ যৌন নিপীড়ন। আর এই পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে ব্যবহার করা হয় স্মৃতি মুছে ফেলার এক বিশেষ কৌশল।
বাস্তব জীবনে জেফরি এপস্টেইনের ‘লিটল সেন্ট জেমস’ দ্বীপের চিত্রও ছিল প্রায় একই রকম। মার্কিন ফেডারেল অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য অনুযায়ী, মডেলিং, চাকরি বা ভ্রমণের প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকা ও তরুণীদের ওই দ্বীপে আনা হতো। বিলাসবহুল পরিবেশে প্রভাবশালী অতিথিদের উপস্থিতির আড়ালে চলত সুসংগঠিত যৌন পাচার ও শোষণ।
সিনেমায় দেখানো হয়, ধনকুবের স্লেটার কিং পার্টিতে আগতদের স্মৃতি মুছে ফেলতে ‘স্কোপোলামিন’ নামক একটি ড্রাগ ব্যবহার করেন, যা তৈরি হয় এক ধরনের ফুল থেকে। দর্শকেরা ভেবেছিলেন এটি হয়তো শুধু সিনেমার কাল্পনিক কোনো উপাদান।
আর এদিকে, এপস্টেইনের নার্সারিতে ‘ট্রাম্পেট প্ল্যান্ট’ নিয়ে হওয়া ইমেইল চালাচালির তথ্য সামনে আসার পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। এই ট্রাম্পেট প্ল্যান্ট থেকেই স্কোপোলামিনের মতো হ্যালুসিনোজেনিক ড্রাগ তৈরি হওয়া সম্ভব। বাস্তব জীবনের এই তথ্যের সঙ্গে সিনেমার মেমোরি ম্যানিপুলেশনের কৌশল মিলে যাওয়ায় বিষয়টি আর শুধু কল্পনার স্তরে আটকে নেই।
সব মিলিয়ে সিনেমার স্লেটার কিংয়ের দ্বীপ আর বাস্তব জীবনের এপস্টেইন দ্বীপের এই একই চিত্র দর্শকদের রীতিমতো হতবাক করেছে।
সামাজিক মাধ্যমগুলোতে এখন ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এবং এপস্টেইন আইল্যান্ডের তুলনামূলক বিশ্লেষণে মেতেছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, এপস্টেইন তালিকা ফাঁস করতেই জো ক্রাভিটজ (পরিচালক) ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ লিখেছেন। আরেকজনের মন্তব্য ছিল বেশ সোজাসাপ্টা। লিখেছেন, ব্লিঙ্ক টুয়াইস ইকুয়াল এপস্টেইন আইল্যান্ড।
আবার উদ্ভিদ ও ড্রাগের যোগসূত্র নিয়ে এক দর্শক বিস্ময় প্রকাশ করে লেখেন, আমরা জানতাম সিনেমাটি ওই দ্বীপ নিয়েই, কিন্তু আমি ভেবেছিলাম উদ্ভিদের বিষের বিষয়টি হয়তো পরিচালকের কল্পনা। কিন্তু এটা কীভাবে মিলে গেল!
তবে বলা বাহুল্য, ক্ষমতা, অর্থ আর শোষণের এই অন্ধকার জগৎ নিয়ে নির্মিত ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এমন একটি সিনেমা, যেখানে প্রভাবশালীদের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর বাস্তবতা উঠে এসেছে।

কেমন হয়, যখন পর্দার গল্প অনেক সময় বাস্তবের চেয়েও বেশি সত্য হয়ে ধরা দেয়? ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ সিনেমার ক্ষেত্রে যেন ঘটেছে এমনটাই। মুক্তির সময় এটি স্রেফ একটি থ্রিলার সিনেমা মনে হলেও ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে দর্শকেরা খুঁজে পেল এক ভয়াবহ সত্যি।
বিশ্বজুড়ে আলোচিত জেফরি এপস্টেইনের সেই অভিশপ্ত দ্বীপ এবং তার অন্ধকার সাম্রাজ্যের যে কাহিনি আজ সবার মুখে মুখে, তা যেন দুই বছর আগেই ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এ তুলে ধরেছিলেন নির্মাতা জো ক্রাভিটজ; যা এখন রীতিমতো আলোড়ন তৈরি করেছে।
চলতি বছর, অর্থাৎ সিনেমাটি মুক্তির দুই বছর পর ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’। সম্প্রতি এপস্টেইন ফাইলস থেকে বেরিয়ে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্য এবং জেফরি এপস্টেইনের কুখ্যাত ব্যক্তিগত দ্বীপের ঘটনার সঙ্গে এই সিনেমার গল্পের হুবহু মিল খুঁজে পেয়েছেন দর্শকেরা।
‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে ফ্রিডা নামের এক তরুণীকে ঘিরে, যাকে টেক বিলিয়নিয়ার স্লেটার কিং তার ব্যক্তিগত দ্বীপে আমন্ত্রণ জানায়। সেখানে বিলাসবহুল জীবনযাপন, দামি মদ আর মাদকের নেশার আড়ালে নারীদের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ যৌন নিপীড়ন। আর এই পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে ব্যবহার করা হয় স্মৃতি মুছে ফেলার এক বিশেষ কৌশল।
বাস্তব জীবনে জেফরি এপস্টেইনের ‘লিটল সেন্ট জেমস’ দ্বীপের চিত্রও ছিল প্রায় একই রকম। মার্কিন ফেডারেল অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য অনুযায়ী, মডেলিং, চাকরি বা ভ্রমণের প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকা ও তরুণীদের ওই দ্বীপে আনা হতো। বিলাসবহুল পরিবেশে প্রভাবশালী অতিথিদের উপস্থিতির আড়ালে চলত সুসংগঠিত যৌন পাচার ও শোষণ।
সিনেমায় দেখানো হয়, ধনকুবের স্লেটার কিং পার্টিতে আগতদের স্মৃতি মুছে ফেলতে ‘স্কোপোলামিন’ নামক একটি ড্রাগ ব্যবহার করেন, যা তৈরি হয় এক ধরনের ফুল থেকে। দর্শকেরা ভেবেছিলেন এটি হয়তো শুধু সিনেমার কাল্পনিক কোনো উপাদান।
আর এদিকে, এপস্টেইনের নার্সারিতে ‘ট্রাম্পেট প্ল্যান্ট’ নিয়ে হওয়া ইমেইল চালাচালির তথ্য সামনে আসার পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। এই ট্রাম্পেট প্ল্যান্ট থেকেই স্কোপোলামিনের মতো হ্যালুসিনোজেনিক ড্রাগ তৈরি হওয়া সম্ভব। বাস্তব জীবনের এই তথ্যের সঙ্গে সিনেমার মেমোরি ম্যানিপুলেশনের কৌশল মিলে যাওয়ায় বিষয়টি আর শুধু কল্পনার স্তরে আটকে নেই।
সব মিলিয়ে সিনেমার স্লেটার কিংয়ের দ্বীপ আর বাস্তব জীবনের এপস্টেইন দ্বীপের এই একই চিত্র দর্শকদের রীতিমতো হতবাক করেছে।
সামাজিক মাধ্যমগুলোতে এখন ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এবং এপস্টেইন আইল্যান্ডের তুলনামূলক বিশ্লেষণে মেতেছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, এপস্টেইন তালিকা ফাঁস করতেই জো ক্রাভিটজ (পরিচালক) ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ লিখেছেন। আরেকজনের মন্তব্য ছিল বেশ সোজাসাপ্টা। লিখেছেন, ব্লিঙ্ক টুয়াইস ইকুয়াল এপস্টেইন আইল্যান্ড।
আবার উদ্ভিদ ও ড্রাগের যোগসূত্র নিয়ে এক দর্শক বিস্ময় প্রকাশ করে লেখেন, আমরা জানতাম সিনেমাটি ওই দ্বীপ নিয়েই, কিন্তু আমি ভেবেছিলাম উদ্ভিদের বিষের বিষয়টি হয়তো পরিচালকের কল্পনা। কিন্তু এটা কীভাবে মিলে গেল!
তবে বলা বাহুল্য, ক্ষমতা, অর্থ আর শোষণের এই অন্ধকার জগৎ নিয়ে নির্মিত ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এমন একটি সিনেমা, যেখানে প্রভাবশালীদের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর বাস্তবতা উঠে এসেছে।

কেমন হয়, যখন পর্দার গল্প অনেক সময় বাস্তবের চেয়েও বেশি সত্য হয়ে ধরা দেয়? ২০২৪ সালে মুক্তি পাওয়া সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ সিনেমার ক্ষেত্রে যেন ঘটেছে এমনটাই। মুক্তির সময় এটি স্রেফ একটি থ্রিলার সিনেমা মনে হলেও ২০২৬ সালে দাঁড়িয়ে দর্শকেরা খুঁজে পেল এক ভয়াবহ সত্যি।
বিশ্বজুড়ে আলোচিত জেফরি এপস্টেইনের সেই অভিশপ্ত দ্বীপ এবং তার অন্ধকার সাম্রাজ্যের যে কাহিনি আজ সবার মুখে মুখে, তা যেন দুই বছর আগেই ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এ তুলে ধরেছিলেন নির্মাতা জো ক্রাভিটজ; যা এখন রীতিমতো আলোড়ন তৈরি করেছে।
চলতি বছর, অর্থাৎ সিনেমাটি মুক্তির দুই বছর পর ফের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’। সম্প্রতি এপস্টেইন ফাইলস থেকে বেরিয়ে আসা চাঞ্চল্যকর তথ্য এবং জেফরি এপস্টেইনের কুখ্যাত ব্যক্তিগত দ্বীপের ঘটনার সঙ্গে এই সিনেমার গল্পের হুবহু মিল খুঁজে পেয়েছেন দর্শকেরা।
‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ সিনেমার কাহিনি আবর্তিত হয়েছে ফ্রিডা নামের এক তরুণীকে ঘিরে, যাকে টেক বিলিয়নিয়ার স্লেটার কিং তার ব্যক্তিগত দ্বীপে আমন্ত্রণ জানায়। সেখানে বিলাসবহুল জীবনযাপন, দামি মদ আর মাদকের নেশার আড়ালে নারীদের ওপর নেমে আসে ভয়াবহ যৌন নিপীড়ন। আর এই পুরো ঘটনা ধামাচাপা দিতে ব্যবহার করা হয় স্মৃতি মুছে ফেলার এক বিশেষ কৌশল।
বাস্তব জীবনে জেফরি এপস্টেইনের ‘লিটল সেন্ট জেমস’ দ্বীপের চিত্রও ছিল প্রায় একই রকম। মার্কিন ফেডারেল অভিযোগপত্র ও ভুক্তভোগীদের সাক্ষ্য অনুযায়ী, মডেলিং, চাকরি বা ভ্রমণের প্রলোভন দেখিয়ে নাবালিকা ও তরুণীদের ওই দ্বীপে আনা হতো। বিলাসবহুল পরিবেশে প্রভাবশালী অতিথিদের উপস্থিতির আড়ালে চলত সুসংগঠিত যৌন পাচার ও শোষণ।
সিনেমায় দেখানো হয়, ধনকুবের স্লেটার কিং পার্টিতে আগতদের স্মৃতি মুছে ফেলতে ‘স্কোপোলামিন’ নামক একটি ড্রাগ ব্যবহার করেন, যা তৈরি হয় এক ধরনের ফুল থেকে। দর্শকেরা ভেবেছিলেন এটি হয়তো শুধু সিনেমার কাল্পনিক কোনো উপাদান।
আর এদিকে, এপস্টেইনের নার্সারিতে ‘ট্রাম্পেট প্ল্যান্ট’ নিয়ে হওয়া ইমেইল চালাচালির তথ্য সামনে আসার পর পরিস্থিতি পাল্টে যায়। এই ট্রাম্পেট প্ল্যান্ট থেকেই স্কোপোলামিনের মতো হ্যালুসিনোজেনিক ড্রাগ তৈরি হওয়া সম্ভব। বাস্তব জীবনের এই তথ্যের সঙ্গে সিনেমার মেমোরি ম্যানিপুলেশনের কৌশল মিলে যাওয়ায় বিষয়টি আর শুধু কল্পনার স্তরে আটকে নেই।
সব মিলিয়ে সিনেমার স্লেটার কিংয়ের দ্বীপ আর বাস্তব জীবনের এপস্টেইন দ্বীপের এই একই চিত্র দর্শকদের রীতিমতো হতবাক করেছে।
সামাজিক মাধ্যমগুলোতে এখন ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এবং এপস্টেইন আইল্যান্ডের তুলনামূলক বিশ্লেষণে মেতেছেন নেটিজেনরা। একজন লিখেছেন, এপস্টেইন তালিকা ফাঁস করতেই জো ক্রাভিটজ (পরিচালক) ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ লিখেছেন। আরেকজনের মন্তব্য ছিল বেশ সোজাসাপ্টা। লিখেছেন, ব্লিঙ্ক টুয়াইস ইকুয়াল এপস্টেইন আইল্যান্ড।
আবার উদ্ভিদ ও ড্রাগের যোগসূত্র নিয়ে এক দর্শক বিস্ময় প্রকাশ করে লেখেন, আমরা জানতাম সিনেমাটি ওই দ্বীপ নিয়েই, কিন্তু আমি ভেবেছিলাম উদ্ভিদের বিষের বিষয়টি হয়তো পরিচালকের কল্পনা। কিন্তু এটা কীভাবে মিলে গেল!
তবে বলা বাহুল্য, ক্ষমতা, অর্থ আর শোষণের এই অন্ধকার জগৎ নিয়ে নির্মিত ‘ব্লিঙ্ক টুয়াইস’ এমন একটি সিনেমা, যেখানে প্রভাবশালীদের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর বাস্তবতা উঠে এসেছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!