-1772347444237-686330421.jpg&w=1920&q=75)
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
রোববার (১ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। তিনি জানান, দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাসিন্দা ওবায়দুল্লাহকে হত্যার পর তার মরদেহ সাত টুকরো করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়। এ পর্যন্ত মরদেহের ছয়টি খণ্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ খণ্ডটি সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি অংশ উদ্ধারের প্রক্রিয়াও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশিদ জানান, ভোরের দিকে আমিনবাজার থেকে মরদেহের আরও একটি অংশ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, হত্যার পর দেহ সাত টুকরো করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে রাখা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যার পেছনের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হবে।
-1772347444237-686330421.jpg&w=1920&q=75)
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
রোববার (১ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। তিনি জানান, দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাসিন্দা ওবায়দুল্লাহকে হত্যার পর তার মরদেহ সাত টুকরো করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়। এ পর্যন্ত মরদেহের ছয়টি খণ্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ খণ্ডটি সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি অংশ উদ্ধারের প্রক্রিয়াও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশিদ জানান, ভোরের দিকে আমিনবাজার থেকে মরদেহের আরও একটি অংশ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, হত্যার পর দেহ সাত টুকরো করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে রাখা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যার পেছনের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হবে।
-1772347444237-686330421.jpg&w=1920&q=75)
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
রোববার (১ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। তিনি জানান, দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাসিন্দা ওবায়দুল্লাহকে হত্যার পর তার মরদেহ সাত টুকরো করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়। এ পর্যন্ত মরদেহের ছয়টি খণ্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ খণ্ডটি সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি অংশ উদ্ধারের প্রক্রিয়াও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশিদ জানান, ভোরের দিকে আমিনবাজার থেকে মরদেহের আরও একটি অংশ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, হত্যার পর দেহ সাত টুকরো করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে রাখা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যার পেছনের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হবে।
-1772347444237-686330421.jpg&w=1920&q=75)
রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে খণ্ড-বিখণ্ড মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ঘাতককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ।
রোববার (১ মার্চ) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপকমিশনার মুহাম্মদ তালেবুর রহমান। তিনি জানান, দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাসিন্দা ওবায়দুল্লাহকে হত্যার পর তার মরদেহ সাত টুকরো করে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়। এ পর্যন্ত মরদেহের ছয়টি খণ্ড উদ্ধার করেছে পুলিশ। সর্বশেষ খণ্ডটি সাভারের আমিনবাজার এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি অংশ উদ্ধারের প্রক্রিয়াও প্রায় শেষ পর্যায়ে রয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার হারুন অর রশিদ জানান, ভোরের দিকে আমিনবাজার থেকে মরদেহের আরও একটি অংশ উদ্ধার করা হয়। তিনি বলেন, হত্যার পর দেহ সাত টুকরো করে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে রাখা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। হত্যার পেছনের কারণ ও ঘটনার বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরা হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!