ঢাকার যানজট কমানো ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক সিগন্যাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ মোড়ে এআই সিগন্যাল ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক উদ্বোধন শেষে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
তিনি জানান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় নতুন এই সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ডিএসসিসির আওতাধীন আটটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এগুলো হলো—বাংলা মোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল সার্কেল, মৎস্য ভবন, কদম ফোয়ারা, শিক্ষা ভবন ও শাহবাগ।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আধুনিক এই সিগন্যাল ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে ট্রাফিক পুলিশকে আগের মতো মোড়ে দাঁড়িয়ে হাতে সংকেত দিতে হবে না। এতে প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর পাশাপাশি রোদ-বৃষ্টিতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করা ট্রাফিক পুলিশের কষ্টও কমবে।
তিনি জানান, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরের আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ধরনের সিগন্যাল চালুর লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে ডিএসসিসির আওতাধীন আরও ২২টি মোড় রয়েছে।
তবে শুধু প্রযুক্তিনির্ভর সিগন্যাল চালু করলেই যানজট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন আবদুস সালাম। এজন্য চালক ও পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সিগন্যাল অমান্য, নির্দিষ্ট লেন ব্যবহার না করা, জেব্রা ক্রসিংয়ে নিয়ম না মানা এবং মোড়ে অবৈধভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা করা হবে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, কেউ বারবার আইন অমান্য করলে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল এবং গাড়ির কাগজপত্র জব্দের মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকার যানজট কমানো ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক সিগন্যাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ মোড়ে এআই সিগন্যাল ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক উদ্বোধন শেষে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
তিনি জানান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় নতুন এই সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ডিএসসিসির আওতাধীন আটটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এগুলো হলো—বাংলা মোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল সার্কেল, মৎস্য ভবন, কদম ফোয়ারা, শিক্ষা ভবন ও শাহবাগ।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আধুনিক এই সিগন্যাল ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে ট্রাফিক পুলিশকে আগের মতো মোড়ে দাঁড়িয়ে হাতে সংকেত দিতে হবে না। এতে প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর পাশাপাশি রোদ-বৃষ্টিতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করা ট্রাফিক পুলিশের কষ্টও কমবে।
তিনি জানান, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরের আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ধরনের সিগন্যাল চালুর লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে ডিএসসিসির আওতাধীন আরও ২২টি মোড় রয়েছে।
তবে শুধু প্রযুক্তিনির্ভর সিগন্যাল চালু করলেই যানজট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন আবদুস সালাম। এজন্য চালক ও পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সিগন্যাল অমান্য, নির্দিষ্ট লেন ব্যবহার না করা, জেব্রা ক্রসিংয়ে নিয়ম না মানা এবং মোড়ে অবৈধভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা করা হবে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, কেউ বারবার আইন অমান্য করলে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল এবং গাড়ির কাগজপত্র জব্দের মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকার যানজট কমানো ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক সিগন্যাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ মোড়ে এআই সিগন্যাল ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক উদ্বোধন শেষে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
তিনি জানান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় নতুন এই সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ডিএসসিসির আওতাধীন আটটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এগুলো হলো—বাংলা মোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল সার্কেল, মৎস্য ভবন, কদম ফোয়ারা, শিক্ষা ভবন ও শাহবাগ।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আধুনিক এই সিগন্যাল ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে ট্রাফিক পুলিশকে আগের মতো মোড়ে দাঁড়িয়ে হাতে সংকেত দিতে হবে না। এতে প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর পাশাপাশি রোদ-বৃষ্টিতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করা ট্রাফিক পুলিশের কষ্টও কমবে।
তিনি জানান, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরের আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ধরনের সিগন্যাল চালুর লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে ডিএসসিসির আওতাধীন আরও ২২টি মোড় রয়েছে।
তবে শুধু প্রযুক্তিনির্ভর সিগন্যাল চালু করলেই যানজট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন আবদুস সালাম। এজন্য চালক ও পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সিগন্যাল অমান্য, নির্দিষ্ট লেন ব্যবহার না করা, জেব্রা ক্রসিংয়ে নিয়ম না মানা এবং মোড়ে অবৈধভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা করা হবে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, কেউ বারবার আইন অমান্য করলে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল এবং গাড়ির কাগজপত্র জব্দের মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঢাকার যানজট কমানো ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এআই প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক সিগন্যাল চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) শাহবাগ মোড়ে এআই সিগন্যাল ব্যবস্থার পরীক্ষামূলক উদ্বোধন শেষে এ তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক মো. আবদুস সালাম।
তিনি জানান, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) কারিগরি সহায়তায় নতুন এই সিগন্যাল ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ডিএসসিসির আওতাধীন আটটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ব্যবস্থা স্থাপন করা হয়েছে। এগুলো হলো—বাংলা মোটর, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, মিন্টো রোড, কাকরাইল সার্কেল, মৎস্য ভবন, কদম ফোয়ারা, শিক্ষা ভবন ও শাহবাগ।
ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আধুনিক এই সিগন্যাল ব্যবস্থা পুরোপুরি কার্যকর হলে ট্রাফিক পুলিশকে আগের মতো মোড়ে দাঁড়িয়ে হাতে সংকেত দিতে হবে না। এতে প্রযুক্তিনির্ভর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা চালুর পাশাপাশি রোদ-বৃষ্টিতে রাস্তায় দাঁড়িয়ে দায়িত্ব পালন করা ট্রাফিক পুলিশের কষ্টও কমবে।
তিনি জানান, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে ঢাকা মহানগরের আরও ৫০টি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে এ ধরনের সিগন্যাল চালুর লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে ডিএসসিসির আওতাধীন আরও ২২টি মোড় রয়েছে।
তবে শুধু প্রযুক্তিনির্ভর সিগন্যাল চালু করলেই যানজট পুরোপুরি নিরসন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেন আবদুস সালাম। এজন্য চালক ও পথচারীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলা এবং নাগরিক সচেতনতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
সিগন্যাল অমান্য, নির্দিষ্ট লেন ব্যবহার না করা, জেব্রা ক্রসিংয়ে নিয়ম না মানা এবং মোড়ে অবৈধভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি বন্ধ করার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে মামলা ও জরিমানা করা হবে জানিয়ে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, কেউ বারবার আইন অমান্য করলে ড্রাইভিং লাইসেন্স বাতিল এবং গাড়ির কাগজপত্র জব্দের মতো কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!