ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৯ হাজার মেট্রিক টন ছোলা ও এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ছোলা আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র এবং রাইস ব্রান তেল স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কেনা হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত পৃথক দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৯ হাজার মেট্রিক টন ছোলা কিনতে ব্যয় হবে ৭৬ কোটি ২১ লাখ ১২ হাজার ৮০০ টাকা। মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও করসহ প্রতি কেজি ছোলার দাম পড়বে ৮৪ টাকা ৬৭ পয়সা।
ছোলা সরবরাহের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের হরশাম এলাকার প্রতিষ্ঠান অস্ট-গ্রেইন এক্সপোর্টসকে সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ছোলা কেনার প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
অন্যদিকে, ২ লিটার ধারণক্ষমতার পিইটি বোতলে এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্রান তেল কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ভ্যাট ও করসহ প্রতি লিটার তেলের দাম পড়বে ১৮১ টাকা ৫০ পয়সা।
দরপত্রের মাধ্যমে তেল সরবরাহের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানকে সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রিন অয়েল অ্যান্ড পোলট্রি ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং প্রধান অয়েল মিলস লিমিটেড ২০ লাখ লিটার করে তেল সরবরাহ করবে। মজুমদার ব্রান অয়েল মিলস লিমিটেড ও মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড সরবরাহ করবে ৩০ লাখ লিটার করে।
এর মধ্যে মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ৩০ লাখ লিটার তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বাকি তিন প্রতিষ্ঠানও দরপত্রে সুপারিশ করা পরিমাণ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করবে।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৯ হাজার মেট্রিক টন ছোলা ও এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ছোলা আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র এবং রাইস ব্রান তেল স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কেনা হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত পৃথক দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৯ হাজার মেট্রিক টন ছোলা কিনতে ব্যয় হবে ৭৬ কোটি ২১ লাখ ১২ হাজার ৮০০ টাকা। মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও করসহ প্রতি কেজি ছোলার দাম পড়বে ৮৪ টাকা ৬৭ পয়সা।
ছোলা সরবরাহের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের হরশাম এলাকার প্রতিষ্ঠান অস্ট-গ্রেইন এক্সপোর্টসকে সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ছোলা কেনার প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
অন্যদিকে, ২ লিটার ধারণক্ষমতার পিইটি বোতলে এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্রান তেল কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ভ্যাট ও করসহ প্রতি লিটার তেলের দাম পড়বে ১৮১ টাকা ৫০ পয়সা।
দরপত্রের মাধ্যমে তেল সরবরাহের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানকে সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রিন অয়েল অ্যান্ড পোলট্রি ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং প্রধান অয়েল মিলস লিমিটেড ২০ লাখ লিটার করে তেল সরবরাহ করবে। মজুমদার ব্রান অয়েল মিলস লিমিটেড ও মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড সরবরাহ করবে ৩০ লাখ লিটার করে।
এর মধ্যে মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ৩০ লাখ লিটার তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বাকি তিন প্রতিষ্ঠানও দরপত্রে সুপারিশ করা পরিমাণ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করবে।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৯ হাজার মেট্রিক টন ছোলা ও এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ছোলা আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র এবং রাইস ব্রান তেল স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কেনা হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত পৃথক দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৯ হাজার মেট্রিক টন ছোলা কিনতে ব্যয় হবে ৭৬ কোটি ২১ লাখ ১২ হাজার ৮০০ টাকা। মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও করসহ প্রতি কেজি ছোলার দাম পড়বে ৮৪ টাকা ৬৭ পয়সা।
ছোলা সরবরাহের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের হরশাম এলাকার প্রতিষ্ঠান অস্ট-গ্রেইন এক্সপোর্টসকে সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ছোলা কেনার প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
অন্যদিকে, ২ লিটার ধারণক্ষমতার পিইটি বোতলে এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্রান তেল কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ভ্যাট ও করসহ প্রতি লিটার তেলের দাম পড়বে ১৮১ টাকা ৫০ পয়সা।
দরপত্রের মাধ্যমে তেল সরবরাহের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানকে সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রিন অয়েল অ্যান্ড পোলট্রি ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং প্রধান অয়েল মিলস লিমিটেড ২০ লাখ লিটার করে তেল সরবরাহ করবে। মজুমদার ব্রান অয়েল মিলস লিমিটেড ও মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড সরবরাহ করবে ৩০ লাখ লিটার করে।
এর মধ্যে মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ৩০ লাখ লিটার তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বাকি তিন প্রতিষ্ঠানও দরপত্রে সুপারিশ করা পরিমাণ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করবে।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য ৯ হাজার মেট্রিক টন ছোলা ও এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্রান তেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে ছোলা আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র এবং রাইস ব্রান তেল স্থানীয় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে কেনা হবে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপস্থাপিত পৃথক দুটি প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৯ হাজার মেট্রিক টন ছোলা কিনতে ব্যয় হবে ৭৬ কোটি ২১ লাখ ১২ হাজার ৮০০ টাকা। মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) ও করসহ প্রতি কেজি ছোলার দাম পড়বে ৮৪ টাকা ৬৭ পয়সা।
ছোলা সরবরাহের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়া রাজ্যের হরশাম এলাকার প্রতিষ্ঠান অস্ট-গ্রেইন এক্সপোর্টসকে সুপারিশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির কাছ থেকে ছোলা কেনার প্রস্তাবও অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করেছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি।
অন্যদিকে, ২ লিটার ধারণক্ষমতার পিইটি বোতলে এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্রান তেল কেনা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ১৮১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। ভ্যাট ও করসহ প্রতি লিটার তেলের দাম পড়বে ১৮১ টাকা ৫০ পয়সা।
দরপত্রের মাধ্যমে তেল সরবরাহের জন্য চারটি প্রতিষ্ঠানকে সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে গ্রিন অয়েল অ্যান্ড পোলট্রি ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ এবং প্রধান অয়েল মিলস লিমিটেড ২০ লাখ লিটার করে তেল সরবরাহ করবে। মজুমদার ব্রান অয়েল মিলস লিমিটেড ও মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেড সরবরাহ করবে ৩০ লাখ লিটার করে।
এর মধ্যে মজুমদার প্রোডাক্টস লিমিটেডের ৩০ লাখ লিটার তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৪ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। বাকি তিন প্রতিষ্ঠানও দরপত্রে সুপারিশ করা পরিমাণ অনুযায়ী তেল সরবরাহ করবে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!