
বিশ্বখ্যাত সাময়িকী টাইম ২০২৬ সালের ‘১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তি’র তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে বিশ্বনেতা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তালিকায় আরও রয়েছেন বালেন্দ্র শাহ, পোপ লিও চতুর্দশ, মার্ক কার্নি, মেটে ফ্রেডেরিকসেন, ক্লাউদিয়া শেনবাউম, নান্দি নাদাইতওয়া, শি জিনপিং, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি, সানায়ে তাকাইচি এবং হেনা ভিরকুনেন।
তারেক রহমান সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিন লিখেছে, মাত্র কয়েক মাস আগেও তিনি লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সবুজঘেরা এলাকায় নির্বাসিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অবস্থান করছিলেন। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন-বিশেষ করে শেখ হাসিনার পতনের পর দৃশ্যপট আমূল বদলে যায়।
বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে তিনি দ্রুতই জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রীয় চরিত্রে পরিণত হন। প্রায় ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকার পর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে নেতৃত্বের অবস্থান সুসংহত করেন তিনি।
এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি তার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারায় পুনরায় ফিরে আসেন। তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তবে দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তার মৃত্যু তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জীবনে গভীর শোক বয়ে আনে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশের প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করাই তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
বর্তমানে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণ বেকারত্ব এবং আঞ্চলিক সম্পর্ক-বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন-এসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব সংকট দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।’

বিশ্বখ্যাত সাময়িকী টাইম ২০২৬ সালের ‘১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তি’র তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে বিশ্বনেতা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তালিকায় আরও রয়েছেন বালেন্দ্র শাহ, পোপ লিও চতুর্দশ, মার্ক কার্নি, মেটে ফ্রেডেরিকসেন, ক্লাউদিয়া শেনবাউম, নান্দি নাদাইতওয়া, শি জিনপিং, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি, সানায়ে তাকাইচি এবং হেনা ভিরকুনেন।
তারেক রহমান সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিন লিখেছে, মাত্র কয়েক মাস আগেও তিনি লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সবুজঘেরা এলাকায় নির্বাসিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অবস্থান করছিলেন। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন-বিশেষ করে শেখ হাসিনার পতনের পর দৃশ্যপট আমূল বদলে যায়।
বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে তিনি দ্রুতই জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রীয় চরিত্রে পরিণত হন। প্রায় ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকার পর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে নেতৃত্বের অবস্থান সুসংহত করেন তিনি।
এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি তার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারায় পুনরায় ফিরে আসেন। তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তবে দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তার মৃত্যু তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জীবনে গভীর শোক বয়ে আনে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশের প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করাই তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
বর্তমানে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণ বেকারত্ব এবং আঞ্চলিক সম্পর্ক-বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন-এসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব সংকট দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।’

বিশ্বখ্যাত সাময়িকী টাইম ২০২৬ সালের ‘১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তি’র তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে বিশ্বনেতা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তালিকায় আরও রয়েছেন বালেন্দ্র শাহ, পোপ লিও চতুর্দশ, মার্ক কার্নি, মেটে ফ্রেডেরিকসেন, ক্লাউদিয়া শেনবাউম, নান্দি নাদাইতওয়া, শি জিনপিং, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি, সানায়ে তাকাইচি এবং হেনা ভিরকুনেন।
তারেক রহমান সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিন লিখেছে, মাত্র কয়েক মাস আগেও তিনি লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সবুজঘেরা এলাকায় নির্বাসিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অবস্থান করছিলেন। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন-বিশেষ করে শেখ হাসিনার পতনের পর দৃশ্যপট আমূল বদলে যায়।
বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে তিনি দ্রুতই জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রীয় চরিত্রে পরিণত হন। প্রায় ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকার পর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে নেতৃত্বের অবস্থান সুসংহত করেন তিনি।
এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি তার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারায় পুনরায় ফিরে আসেন। তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তবে দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তার মৃত্যু তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জীবনে গভীর শোক বয়ে আনে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশের প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করাই তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
বর্তমানে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণ বেকারত্ব এবং আঞ্চলিক সম্পর্ক-বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন-এসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব সংকট দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।’

বিশ্বখ্যাত সাময়িকী টাইম ২০২৬ সালের ‘১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তি’র তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে বিশ্বনেতা ও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
তালিকায় আরও রয়েছেন বালেন্দ্র শাহ, পোপ লিও চতুর্দশ, মার্ক কার্নি, মেটে ফ্রেডেরিকসেন, ক্লাউদিয়া শেনবাউম, নান্দি নাদাইতওয়া, শি জিনপিং, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, রাফায়েল মারিয়ানো গ্রসি, সানায়ে তাকাইচি এবং হেনা ভিরকুনেন।
তারেক রহমান সম্পর্কে টাইম ম্যাগাজিন লিখেছে, মাত্র কয়েক মাস আগেও তিনি লন্ডনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সবুজঘেরা এলাকায় নির্বাসিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে অবস্থান করছিলেন। তবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তন-বিশেষ করে শেখ হাসিনার পতনের পর দৃশ্যপট আমূল বদলে যায়।
বিএনপির তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান থেকে তিনি দ্রুতই জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রীয় চরিত্রে পরিণত হন। প্রায় ১৭ বছর দেশের বাইরে থাকার পর ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচনে ভূমিধস বিজয়ের মাধ্যমে নেতৃত্বের অবস্থান সুসংহত করেন তিনি।
এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে তিনি তার পরিবারের রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের ধারায় পুনরায় ফিরে আসেন। তার মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তবে দেশে ফেরার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় তার মৃত্যু তারেক রহমানের ব্যক্তিগত জীবনে গভীর শোক বয়ে আনে।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে টাইম ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, দেশের প্রায় ১৭ কোটি ৫০ লাখ মানুষের ঐক্য প্রতিষ্ঠা ও অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করাই তার প্রধান লক্ষ্য। তিনি এই শোককে শক্তিতে রূপান্তর করে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
বর্তমানে বাংলাদেশ উচ্চ মূল্যস্ফীতি, তরুণ বেকারত্ব এবং আঞ্চলিক সম্পর্ক-বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েন-এসব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। এসব সংকট দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে, ঐক্যবদ্ধ হতে হবে, যাতে মানুষ তাদের রাজনৈতিক অধিকার ফিরে পায়।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!