-1775205857214-834778117.jpg&w=1920&q=75)
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একগুচ্ছ ব্যয় সংকোচনমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অফিস সময় কমানোসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
অফিস ও ব্যাংকের সময়সূচি
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী কার্যদিবস থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ব্যাংকের লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত, তবে আনুষঙ্গিক কাজ শেষে বিকেল ৪টায় ব্যাংক বন্ধ হবে।
বাজার ও বিপণিবিতান
সব মার্কেট, দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে। তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান ও খাবারের দোকানসহ জরুরি সেবাগুলো এ নির্দেশনার বাইরে থাকবে। বিষয়টি তদারকি করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা ও পরিবহন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে পৃথক নির্দেশনা শিগগিরই দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যানজট কমানো ও জ্বালানি সাশ্রয়ে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ‘ইলেকট্রিক বাস’ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে।
আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা
জ্বালানি সংকটের কারণে বিয়ে বা সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ব্যয় সংকোচন
জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সরকারি বাজেট থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাস সরকারি নতুন যানবাহন ও কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা বন্ধ থাকবে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ ও অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের ৫০ শতাংশ স্থগিত করা হয়েছে। সভা-সেমিনারের আপ্যায়ন ব্যয়ও অর্ধেকে নামানো হয়েছে।
জ্বালানি সরবরাহ ও বিকল্প উৎস
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে তেলের সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে। ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও কাজাখস্তান থেকে তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
-1775205857214-834778117.jpg&w=1920&q=75)
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একগুচ্ছ ব্যয় সংকোচনমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অফিস সময় কমানোসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
অফিস ও ব্যাংকের সময়সূচি
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী কার্যদিবস থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ব্যাংকের লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত, তবে আনুষঙ্গিক কাজ শেষে বিকেল ৪টায় ব্যাংক বন্ধ হবে।
বাজার ও বিপণিবিতান
সব মার্কেট, দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে। তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান ও খাবারের দোকানসহ জরুরি সেবাগুলো এ নির্দেশনার বাইরে থাকবে। বিষয়টি তদারকি করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা ও পরিবহন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে পৃথক নির্দেশনা শিগগিরই দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যানজট কমানো ও জ্বালানি সাশ্রয়ে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ‘ইলেকট্রিক বাস’ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে।
আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা
জ্বালানি সংকটের কারণে বিয়ে বা সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ব্যয় সংকোচন
জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সরকারি বাজেট থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাস সরকারি নতুন যানবাহন ও কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা বন্ধ থাকবে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ ও অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের ৫০ শতাংশ স্থগিত করা হয়েছে। সভা-সেমিনারের আপ্যায়ন ব্যয়ও অর্ধেকে নামানো হয়েছে।
জ্বালানি সরবরাহ ও বিকল্প উৎস
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে তেলের সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে। ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও কাজাখস্তান থেকে তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
-1775205857214-834778117.jpg&w=1920&q=75)
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একগুচ্ছ ব্যয় সংকোচনমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অফিস সময় কমানোসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
অফিস ও ব্যাংকের সময়সূচি
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী কার্যদিবস থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ব্যাংকের লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত, তবে আনুষঙ্গিক কাজ শেষে বিকেল ৪টায় ব্যাংক বন্ধ হবে।
বাজার ও বিপণিবিতান
সব মার্কেট, দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে। তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান ও খাবারের দোকানসহ জরুরি সেবাগুলো এ নির্দেশনার বাইরে থাকবে। বিষয়টি তদারকি করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা ও পরিবহন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে পৃথক নির্দেশনা শিগগিরই দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যানজট কমানো ও জ্বালানি সাশ্রয়ে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ‘ইলেকট্রিক বাস’ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে।
আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা
জ্বালানি সংকটের কারণে বিয়ে বা সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ব্যয় সংকোচন
জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সরকারি বাজেট থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাস সরকারি নতুন যানবাহন ও কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা বন্ধ থাকবে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ ও অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের ৫০ শতাংশ স্থগিত করা হয়েছে। সভা-সেমিনারের আপ্যায়ন ব্যয়ও অর্ধেকে নামানো হয়েছে।
জ্বালানি সরবরাহ ও বিকল্প উৎস
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে তেলের সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে। ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও কাজাখস্তান থেকে তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
-1775205857214-834778117.jpg&w=1920&q=75)
মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় একগুচ্ছ ব্যয় সংকোচনমূলক সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, অফিস সময় কমানোসহ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ে বিভিন্ন নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) রাতে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
অফিস ও ব্যাংকের সময়সূচি
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী কার্যদিবস থেকে দেশের সব সরকারি ও বেসরকারি অফিস সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে। ব্যাংকের লেনদেন চলবে সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত, তবে আনুষঙ্গিক কাজ শেষে বিকেল ৪টায় ব্যাংক বন্ধ হবে।
বাজার ও বিপণিবিতান
সব মার্কেট, দোকানপাট ও শপিং মল সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে। তবে কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান ও খাবারের দোকানসহ জরুরি সেবাগুলো এ নির্দেশনার বাইরে থাকবে। বিষয়টি তদারকি করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।
শিক্ষা ও পরিবহন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিয়ে পৃথক নির্দেশনা শিগগিরই দেবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। যানজট কমানো ও জ্বালানি সাশ্রয়ে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ‘ইলেকট্রিক বাস’ আমদানির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাণিজ্যিক ক্ষেত্রেও নতুন ইলেকট্রিক বাস আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়েছে।
আলোকসজ্জায় নিষেধাজ্ঞা
জ্বালানি সংকটের কারণে বিয়ে বা সামাজিক অনুষ্ঠানে আলোকসজ্জা না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ব্যয় সংকোচন
জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও গ্যাস খাতে সরকারি বাজেট থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয় কমানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী তিন মাস সরকারি নতুন যানবাহন ও কম্পিউটার সরঞ্জাম কেনা বন্ধ থাকবে। এছাড়া সরকারি কর্মকর্তাদের বিদেশ ভ্রমণ ও অভ্যন্তরীণ প্রশিক্ষণের ৫০ শতাংশ স্থগিত করা হয়েছে। সভা-সেমিনারের আপ্যায়ন ব্যয়ও অর্ধেকে নামানো হয়েছে।
জ্বালানি সরবরাহ ও বিকল্প উৎস
মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতিতে তেলের সরবরাহ অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে। ইতোমধ্যে মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও কাজাখস্তান থেকে তেল আমদানির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
সরকার জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি অব্যাহত থাকবে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!