ইকুয়েডরে গির্জায় ধর্মীয় বক্তব্য দেওয়ার সময় মাথার পেছনে বড় আকারের একটি ঝুলন্ত ক্রুশ ভেঙে পড়ে এক ক্যাথলিক পাদ্রীর মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই তিনি জীবন ও মৃত্যুর ক্ষণস্থায়িত্ব নিয়ে প্রার্থনাসভায় উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন।
নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত পাদ্রীর নাম ফাদার প্যাট্রিসিও আলফ্রেডো সানচেজ মোলিনারি। তিনি ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিল শহরের আওয়ার লেডি অব পারপেচুয়াল হেল্প গির্জার পারিশ পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত শনিবারের এ দুর্ঘটনার পর তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে আর্চডায়োসিস অব গুয়ায়াকিল।
গির্জার সরাসরি সম্প্রচারেও (লাইভস্ট্রিম) পুরো ঘটনাটি ধরা পড়ে। পরে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলেও এনবিসি নিউজের পর্যালোচনা করা ফুটেজে দেখা যায়, বেদির পেছনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনাসভা পরিচালনা করছিলেন পাদ্রী মোলিনারি। এ সময় দেয়ালে ঝোলানো বিশাল কাঠের ক্রুশটি হঠাৎ খুলে তাঁর মাথার পেছনে পড়ে।
আঘাতের পর তিনি আর উঠে দাঁড়াতে পারেননি। এ সময় উপস্থিত ভক্তদের কান্না ও আতঙ্কের চিৎকার শোনা যায়। তাঁকে উদ্ধারের জন্য অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। তবে চিকিৎসক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।
ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই মোলিনারি জীবন ও মৃত্যুর অনিশ্চয়তা নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় অপচয় না করে ঈশ্বর ও প্রিয়জনদের সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একদিন আমরা সবাই মারা যাব। তিনি আরও বলেন, কখনো কখনো আমরা যেসব কাজে সময় ব্যয় করি, সেগুলো ঈশ্বরকে সময় দেওয়ার মতো অর্থবহ হয় না।
এরপর তিনি আশীর্বাদের প্রার্থনা শুরু করতেই পেছনের ক্রুশটি ভেঙে পড়ে।
আর্চডায়োসিস অব গুয়ায়াকিল এক শোকবার্তায় ফাদার মোলিনারির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তবে ভারী ক্রুশটি কীভাবে দেয়াল থেকে খুলে পড়েছিল, সে বিষয়ে গির্জা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
ইকুয়েডরে গির্জায় ধর্মীয় বক্তব্য দেওয়ার সময় মাথার পেছনে বড় আকারের একটি ঝুলন্ত ক্রুশ ভেঙে পড়ে এক ক্যাথলিক পাদ্রীর মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই তিনি জীবন ও মৃত্যুর ক্ষণস্থায়িত্ব নিয়ে প্রার্থনাসভায় উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন।
নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত পাদ্রীর নাম ফাদার প্যাট্রিসিও আলফ্রেডো সানচেজ মোলিনারি। তিনি ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিল শহরের আওয়ার লেডি অব পারপেচুয়াল হেল্প গির্জার পারিশ পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত শনিবারের এ দুর্ঘটনার পর তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে আর্চডায়োসিস অব গুয়ায়াকিল।
গির্জার সরাসরি সম্প্রচারেও (লাইভস্ট্রিম) পুরো ঘটনাটি ধরা পড়ে। পরে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলেও এনবিসি নিউজের পর্যালোচনা করা ফুটেজে দেখা যায়, বেদির পেছনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনাসভা পরিচালনা করছিলেন পাদ্রী মোলিনারি। এ সময় দেয়ালে ঝোলানো বিশাল কাঠের ক্রুশটি হঠাৎ খুলে তাঁর মাথার পেছনে পড়ে।
আঘাতের পর তিনি আর উঠে দাঁড়াতে পারেননি। এ সময় উপস্থিত ভক্তদের কান্না ও আতঙ্কের চিৎকার শোনা যায়। তাঁকে উদ্ধারের জন্য অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। তবে চিকিৎসক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।
ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই মোলিনারি জীবন ও মৃত্যুর অনিশ্চয়তা নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় অপচয় না করে ঈশ্বর ও প্রিয়জনদের সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একদিন আমরা সবাই মারা যাব। তিনি আরও বলেন, কখনো কখনো আমরা যেসব কাজে সময় ব্যয় করি, সেগুলো ঈশ্বরকে সময় দেওয়ার মতো অর্থবহ হয় না।
এরপর তিনি আশীর্বাদের প্রার্থনা শুরু করতেই পেছনের ক্রুশটি ভেঙে পড়ে।
আর্চডায়োসিস অব গুয়ায়াকিল এক শোকবার্তায় ফাদার মোলিনারির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তবে ভারী ক্রুশটি কীভাবে দেয়াল থেকে খুলে পড়েছিল, সে বিষয়ে গির্জা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
ইকুয়েডরে গির্জায় ধর্মীয় বক্তব্য দেওয়ার সময় মাথার পেছনে বড় আকারের একটি ঝুলন্ত ক্রুশ ভেঙে পড়ে এক ক্যাথলিক পাদ্রীর মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই তিনি জীবন ও মৃত্যুর ক্ষণস্থায়িত্ব নিয়ে প্রার্থনাসভায় উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন।
নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত পাদ্রীর নাম ফাদার প্যাট্রিসিও আলফ্রেডো সানচেজ মোলিনারি। তিনি ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিল শহরের আওয়ার লেডি অব পারপেচুয়াল হেল্প গির্জার পারিশ পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত শনিবারের এ দুর্ঘটনার পর তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে আর্চডায়োসিস অব গুয়ায়াকিল।
গির্জার সরাসরি সম্প্রচারেও (লাইভস্ট্রিম) পুরো ঘটনাটি ধরা পড়ে। পরে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলেও এনবিসি নিউজের পর্যালোচনা করা ফুটেজে দেখা যায়, বেদির পেছনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনাসভা পরিচালনা করছিলেন পাদ্রী মোলিনারি। এ সময় দেয়ালে ঝোলানো বিশাল কাঠের ক্রুশটি হঠাৎ খুলে তাঁর মাথার পেছনে পড়ে।
আঘাতের পর তিনি আর উঠে দাঁড়াতে পারেননি। এ সময় উপস্থিত ভক্তদের কান্না ও আতঙ্কের চিৎকার শোনা যায়। তাঁকে উদ্ধারের জন্য অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। তবে চিকিৎসক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।
ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই মোলিনারি জীবন ও মৃত্যুর অনিশ্চয়তা নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় অপচয় না করে ঈশ্বর ও প্রিয়জনদের সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একদিন আমরা সবাই মারা যাব। তিনি আরও বলেন, কখনো কখনো আমরা যেসব কাজে সময় ব্যয় করি, সেগুলো ঈশ্বরকে সময় দেওয়ার মতো অর্থবহ হয় না।
এরপর তিনি আশীর্বাদের প্রার্থনা শুরু করতেই পেছনের ক্রুশটি ভেঙে পড়ে।
আর্চডায়োসিস অব গুয়ায়াকিল এক শোকবার্তায় ফাদার মোলিনারির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তবে ভারী ক্রুশটি কীভাবে দেয়াল থেকে খুলে পড়েছিল, সে বিষয়ে গির্জা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
ইকুয়েডরে গির্জায় ধর্মীয় বক্তব্য দেওয়ার সময় মাথার পেছনে বড় আকারের একটি ঝুলন্ত ক্রুশ ভেঙে পড়ে এক ক্যাথলিক পাদ্রীর মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই তিনি জীবন ও মৃত্যুর ক্ষণস্থায়িত্ব নিয়ে প্রার্থনাসভায় উপস্থিত ভক্তদের উদ্দেশে বক্তব্য দিচ্ছিলেন।
নিউইয়র্ক পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিহত পাদ্রীর নাম ফাদার প্যাট্রিসিও আলফ্রেডো সানচেজ মোলিনারি। তিনি ইকুয়েডরের গুয়ায়াকিল শহরের আওয়ার লেডি অব পারপেচুয়াল হেল্প গির্জার পারিশ পুরোহিত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। গত শনিবারের এ দুর্ঘটনার পর তাঁর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে আর্চডায়োসিস অব গুয়ায়াকিল।
গির্জার সরাসরি সম্প্রচারেও (লাইভস্ট্রিম) পুরো ঘটনাটি ধরা পড়ে। পরে ভিডিওটি সরিয়ে নেওয়া হলেও এনবিসি নিউজের পর্যালোচনা করা ফুটেজে দেখা যায়, বেদির পেছনে দাঁড়িয়ে প্রার্থনাসভা পরিচালনা করছিলেন পাদ্রী মোলিনারি। এ সময় দেয়ালে ঝোলানো বিশাল কাঠের ক্রুশটি হঠাৎ খুলে তাঁর মাথার পেছনে পড়ে।
আঘাতের পর তিনি আর উঠে দাঁড়াতে পারেননি। এ সময় উপস্থিত ভক্তদের কান্না ও আতঙ্কের চিৎকার শোনা যায়। তাঁকে উদ্ধারের জন্য অ্যাম্বুলেন্স ডাকা হয়। তবে চিকিৎসক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাঁকে মৃত ঘোষণা করে।
ঘটনার কিছুক্ষণ আগেই মোলিনারি জীবন ও মৃত্যুর অনিশ্চয়তা নিয়ে বক্তব্য দিচ্ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সময় অপচয় না করে ঈশ্বর ও প্রিয়জনদের সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, একদিন আমরা সবাই মারা যাব। তিনি আরও বলেন, কখনো কখনো আমরা যেসব কাজে সময় ব্যয় করি, সেগুলো ঈশ্বরকে সময় দেওয়ার মতো অর্থবহ হয় না।
এরপর তিনি আশীর্বাদের প্রার্থনা শুরু করতেই পেছনের ক্রুশটি ভেঙে পড়ে।
আর্চডায়োসিস অব গুয়ায়াকিল এক শোকবার্তায় ফাদার মোলিনারির মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। তবে ভারী ক্রুশটি কীভাবে দেয়াল থেকে খুলে পড়েছিল, সে বিষয়ে গির্জা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনও স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!