
রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা। ভোর থেকেই টিকিটের জন্য দীর্ঘ লাইন, চিকিৎসকের সিরিয়াল, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রিপোর্ট পেতে দিনের পর দিন অপেক্ষায় দুর্ভোগ বাড়ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ধারণক্ষমতার তুলনায় ১০ থেকে ১৫ গুণ বেশি রোগীর চাপ সামলাতে হচ্ছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, মাত্র ১০ টাকার টিকিট সংগ্রহ করতে ভোর থেকেই হাসপাতালের সামনে শত শত রোগী ও স্বজনের ভিড়। টিকিট পাওয়ার পরও চিকিৎসক দেখানো, ইসিজি ও অন্যান্য পরীক্ষা, এমনকি রিপোর্ট সংগ্রহ করতেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই দিনে রিপোর্ট না পাওয়ায় রোগীদের বারবার হাসপাতালে আসতে হচ্ছে।
গাজীপুর, সাভার ও ডেমরাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগী ও স্বজনরা জানান, একটি সাধারণ ছানি অপারেশনের জন্যও মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। নির্ধারিত দিনে চিকিৎসককে দেখাতে না পারলে পুরো প্রক্রিয়াই আবার নতুন করে শুরু করতে হচ্ছে।
রোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করলেও অনেক সময় প্রভাব খাটিয়ে বা পরিচয়ের ভিত্তিতে কেউ কেউ আগে সেবা পাচ্ছেন। তবে এ অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. রেজওয়ানুর রহমান সোহেল বলেন, এটি দেশের একমাত্র ২৫০ শয্যার তৃতীয় স্তরের বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি নতুন এবং প্রায় দুই হাজার পুরোনো রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে প্রতিটি চিকিৎসককে দৈনিক ১২০ থেকে ১৫০ জন পর্যন্ত রোগী দেখতে হয়।
তিনি জানান, প্রতিদিন প্রায় ২০০টি ইসিজি করা হয়। রোগীদের স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হওয়ায় রিপোর্ট দিতে সময় লাগে।
রোগীর চাপ কমাতে জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি হাসপাতালটিকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করতে ১০ তলা নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি। সূত্র; ঢাকা পোস্ট

রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা। ভোর থেকেই টিকিটের জন্য দীর্ঘ লাইন, চিকিৎসকের সিরিয়াল, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রিপোর্ট পেতে দিনের পর দিন অপেক্ষায় দুর্ভোগ বাড়ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ধারণক্ষমতার তুলনায় ১০ থেকে ১৫ গুণ বেশি রোগীর চাপ সামলাতে হচ্ছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, মাত্র ১০ টাকার টিকিট সংগ্রহ করতে ভোর থেকেই হাসপাতালের সামনে শত শত রোগী ও স্বজনের ভিড়। টিকিট পাওয়ার পরও চিকিৎসক দেখানো, ইসিজি ও অন্যান্য পরীক্ষা, এমনকি রিপোর্ট সংগ্রহ করতেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই দিনে রিপোর্ট না পাওয়ায় রোগীদের বারবার হাসপাতালে আসতে হচ্ছে।
গাজীপুর, সাভার ও ডেমরাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগী ও স্বজনরা জানান, একটি সাধারণ ছানি অপারেশনের জন্যও মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। নির্ধারিত দিনে চিকিৎসককে দেখাতে না পারলে পুরো প্রক্রিয়াই আবার নতুন করে শুরু করতে হচ্ছে।
রোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করলেও অনেক সময় প্রভাব খাটিয়ে বা পরিচয়ের ভিত্তিতে কেউ কেউ আগে সেবা পাচ্ছেন। তবে এ অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. রেজওয়ানুর রহমান সোহেল বলেন, এটি দেশের একমাত্র ২৫০ শয্যার তৃতীয় স্তরের বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি নতুন এবং প্রায় দুই হাজার পুরোনো রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে প্রতিটি চিকিৎসককে দৈনিক ১২০ থেকে ১৫০ জন পর্যন্ত রোগী দেখতে হয়।
তিনি জানান, প্রতিদিন প্রায় ২০০টি ইসিজি করা হয়। রোগীদের স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হওয়ায় রিপোর্ট দিতে সময় লাগে।
রোগীর চাপ কমাতে জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি হাসপাতালটিকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করতে ১০ তলা নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি। সূত্র; ঢাকা পোস্ট

রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা। ভোর থেকেই টিকিটের জন্য দীর্ঘ লাইন, চিকিৎসকের সিরিয়াল, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রিপোর্ট পেতে দিনের পর দিন অপেক্ষায় দুর্ভোগ বাড়ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ধারণক্ষমতার তুলনায় ১০ থেকে ১৫ গুণ বেশি রোগীর চাপ সামলাতে হচ্ছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, মাত্র ১০ টাকার টিকিট সংগ্রহ করতে ভোর থেকেই হাসপাতালের সামনে শত শত রোগী ও স্বজনের ভিড়। টিকিট পাওয়ার পরও চিকিৎসক দেখানো, ইসিজি ও অন্যান্য পরীক্ষা, এমনকি রিপোর্ট সংগ্রহ করতেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই দিনে রিপোর্ট না পাওয়ায় রোগীদের বারবার হাসপাতালে আসতে হচ্ছে।
গাজীপুর, সাভার ও ডেমরাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগী ও স্বজনরা জানান, একটি সাধারণ ছানি অপারেশনের জন্যও মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। নির্ধারিত দিনে চিকিৎসককে দেখাতে না পারলে পুরো প্রক্রিয়াই আবার নতুন করে শুরু করতে হচ্ছে।
রোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করলেও অনেক সময় প্রভাব খাটিয়ে বা পরিচয়ের ভিত্তিতে কেউ কেউ আগে সেবা পাচ্ছেন। তবে এ অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. রেজওয়ানুর রহমান সোহেল বলেন, এটি দেশের একমাত্র ২৫০ শয্যার তৃতীয় স্তরের বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি নতুন এবং প্রায় দুই হাজার পুরোনো রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে প্রতিটি চিকিৎসককে দৈনিক ১২০ থেকে ১৫০ জন পর্যন্ত রোগী দেখতে হয়।
তিনি জানান, প্রতিদিন প্রায় ২০০টি ইসিজি করা হয়। রোগীদের স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হওয়ায় রিপোর্ট দিতে সময় লাগে।
রোগীর চাপ কমাতে জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি হাসপাতালটিকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করতে ১০ তলা নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি। সূত্র; ঢাকা পোস্ট

রাজধানীর জাতীয় চক্ষুবিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে গিয়ে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন রোগীরা। ভোর থেকেই টিকিটের জন্য দীর্ঘ লাইন, চিকিৎসকের সিরিয়াল, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রিপোর্ট পেতে দিনের পর দিন অপেক্ষায় দুর্ভোগ বাড়ছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ধারণক্ষমতার তুলনায় ১০ থেকে ১৫ গুণ বেশি রোগীর চাপ সামলাতে হচ্ছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, মাত্র ১০ টাকার টিকিট সংগ্রহ করতে ভোর থেকেই হাসপাতালের সামনে শত শত রোগী ও স্বজনের ভিড়। টিকিট পাওয়ার পরও চিকিৎসক দেখানো, ইসিজি ও অন্যান্য পরীক্ষা, এমনকি রিপোর্ট সংগ্রহ করতেও দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই দিনে রিপোর্ট না পাওয়ায় রোগীদের বারবার হাসপাতালে আসতে হচ্ছে।
গাজীপুর, সাভার ও ডেমরাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা রোগী ও স্বজনরা জানান, একটি সাধারণ ছানি অপারেশনের জন্যও মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হচ্ছে। নির্ধারিত দিনে চিকিৎসককে দেখাতে না পারলে পুরো প্রক্রিয়াই আবার নতুন করে শুরু করতে হচ্ছে।
রোগীদের অভিযোগ, দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করলেও অনেক সময় প্রভাব খাটিয়ে বা পরিচয়ের ভিত্তিতে কেউ কেউ আগে সেবা পাচ্ছেন। তবে এ অভিযোগ স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. রেজওয়ানুর রহমান সোহেল বলেন, এটি দেশের একমাত্র ২৫০ শয্যার তৃতীয় স্তরের বিশেষায়িত চক্ষু হাসপাতাল। প্রতিদিন গড়ে তিন হাজারের বেশি নতুন এবং প্রায় দুই হাজার পুরোনো রোগী চিকিৎসা নিতে আসেন। ফলে প্রতিটি চিকিৎসককে দৈনিক ১২০ থেকে ১৫০ জন পর্যন্ত রোগী দেখতে হয়।
তিনি জানান, প্রতিদিন প্রায় ২০০টি ইসিজি করা হয়। রোগীদের স্বাস্থ্যগত জটিলতার কারণে অনেক ক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরীক্ষা ও পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হওয়ায় রিপোর্ট দিতে সময় লাগে।
রোগীর চাপ কমাতে জেলা হাসপাতাল ও মেডিকেল কলেজে কার্যকর রেফারেল ব্যবস্থা চালুর পাশাপাশি হাসপাতালটিকে ৫০০ শয্যায় উন্নীত করতে ১০ তলা নতুন ভবন নির্মাণের কাজ চলছে বলেও জানান তিনি। সূত্র; ঢাকা পোস্ট
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!