
চলমান বিপিএল ২০২৬-এ দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে রংপুর রাইডার্স। গ্রুপ পর্বে পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে দলটি। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রামকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সিংহাসন দখল করে সোহান-লিটনদের দল।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম রংপুরকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দেয়। জবাবে ৭ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে রংপুর।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা ভালো হয়নি লিটন কুমার দাসের। তিনি ৮ বলে ১০ রান করে আউট হন। এরপর কাইল মায়ার্সের সঙ্গে জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেন ডেভিড মালান। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ২৩ বলে ফিফটি তুলে নেন মায়ার্স। তবে অর্ধশতক পূর্ণ করার পরই ক্যাচ আউট হন তিনি।
এরপর তাওহীদ হৃদয়ও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৫ বলে ১৭ রান করে ফেরেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। চাপের মুহূর্তে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল শাহ। খুশদিল শাহ ১২ বলে ২২ রান করে রান আউট হলেও মাহমুদউল্লাহর ১৯ বলে অপরাজিত ৩০ রানের কার্যকর ইনিংসে ভর করে জয় নিশ্চিত করে রংপুর।
চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। এ ছাড়া আবু হায়দার ও আমের জামাল একটি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করেছিল চট্টগ্রাম। তবে ওপেনার নাঈম শেখ ১৫ বলে ১৬ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। মাহমুদুল হাসান জয়ও ইনিংস বড় করতে পারেননি; ৭ বলে ১২ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর হাসান নাওয়াজকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস গড়েন ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন। ৩৩ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। ২ ছক্কা ও ৬ বাউন্ডারিতে ৪১ বলে ৫৮ রান করে আউট হন এই ইংলিশ ব্যাটার। দলীয় ৬ রান যোগ হতেই নাওয়াজও ফেরেন; ৩ ছক্কা ও ২ বাউন্ডারিতে ৩৮ বলে ৪৬ রান করেন তিনি।
মাঝপথে আসিফ আলী ২ বলে ১ রান করে আউট হলে ছন্দ হারায় চট্টগ্রাম। তবে শেষ দিকে আমের জামালের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। শেখ মাহেদীর ৭ বলে ১৩ রান এবং আমের জামালের ১০ বলে অপরাজিত ১৯ রানে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম।

চলমান বিপিএল ২০২৬-এ দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে রংপুর রাইডার্স। গ্রুপ পর্বে পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে দলটি। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রামকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সিংহাসন দখল করে সোহান-লিটনদের দল।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম রংপুরকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দেয়। জবাবে ৭ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে রংপুর।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা ভালো হয়নি লিটন কুমার দাসের। তিনি ৮ বলে ১০ রান করে আউট হন। এরপর কাইল মায়ার্সের সঙ্গে জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেন ডেভিড মালান। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ২৩ বলে ফিফটি তুলে নেন মায়ার্স। তবে অর্ধশতক পূর্ণ করার পরই ক্যাচ আউট হন তিনি।
এরপর তাওহীদ হৃদয়ও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৫ বলে ১৭ রান করে ফেরেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। চাপের মুহূর্তে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল শাহ। খুশদিল শাহ ১২ বলে ২২ রান করে রান আউট হলেও মাহমুদউল্লাহর ১৯ বলে অপরাজিত ৩০ রানের কার্যকর ইনিংসে ভর করে জয় নিশ্চিত করে রংপুর।
চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। এ ছাড়া আবু হায়দার ও আমের জামাল একটি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করেছিল চট্টগ্রাম। তবে ওপেনার নাঈম শেখ ১৫ বলে ১৬ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। মাহমুদুল হাসান জয়ও ইনিংস বড় করতে পারেননি; ৭ বলে ১২ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর হাসান নাওয়াজকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস গড়েন ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন। ৩৩ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। ২ ছক্কা ও ৬ বাউন্ডারিতে ৪১ বলে ৫৮ রান করে আউট হন এই ইংলিশ ব্যাটার। দলীয় ৬ রান যোগ হতেই নাওয়াজও ফেরেন; ৩ ছক্কা ও ২ বাউন্ডারিতে ৩৮ বলে ৪৬ রান করেন তিনি।
মাঝপথে আসিফ আলী ২ বলে ১ রান করে আউট হলে ছন্দ হারায় চট্টগ্রাম। তবে শেষ দিকে আমের জামালের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। শেখ মাহেদীর ৭ বলে ১৩ রান এবং আমের জামালের ১০ বলে অপরাজিত ১৯ রানে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম।

চলমান বিপিএল ২০২৬-এ দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে রংপুর রাইডার্স। গ্রুপ পর্বে পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে দলটি। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রামকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সিংহাসন দখল করে সোহান-লিটনদের দল।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম রংপুরকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দেয়। জবাবে ৭ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে রংপুর।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা ভালো হয়নি লিটন কুমার দাসের। তিনি ৮ বলে ১০ রান করে আউট হন। এরপর কাইল মায়ার্সের সঙ্গে জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেন ডেভিড মালান। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ২৩ বলে ফিফটি তুলে নেন মায়ার্স। তবে অর্ধশতক পূর্ণ করার পরই ক্যাচ আউট হন তিনি।
এরপর তাওহীদ হৃদয়ও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৫ বলে ১৭ রান করে ফেরেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। চাপের মুহূর্তে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল শাহ। খুশদিল শাহ ১২ বলে ২২ রান করে রান আউট হলেও মাহমুদউল্লাহর ১৯ বলে অপরাজিত ৩০ রানের কার্যকর ইনিংসে ভর করে জয় নিশ্চিত করে রংপুর।
চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। এ ছাড়া আবু হায়দার ও আমের জামাল একটি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করেছিল চট্টগ্রাম। তবে ওপেনার নাঈম শেখ ১৫ বলে ১৬ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। মাহমুদুল হাসান জয়ও ইনিংস বড় করতে পারেননি; ৭ বলে ১২ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর হাসান নাওয়াজকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস গড়েন ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন। ৩৩ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। ২ ছক্কা ও ৬ বাউন্ডারিতে ৪১ বলে ৫৮ রান করে আউট হন এই ইংলিশ ব্যাটার। দলীয় ৬ রান যোগ হতেই নাওয়াজও ফেরেন; ৩ ছক্কা ও ২ বাউন্ডারিতে ৩৮ বলে ৪৬ রান করেন তিনি।
মাঝপথে আসিফ আলী ২ বলে ১ রান করে আউট হলে ছন্দ হারায় চট্টগ্রাম। তবে শেষ দিকে আমের জামালের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। শেখ মাহেদীর ৭ বলে ১৩ রান এবং আমের জামালের ১০ বলে অপরাজিত ১৯ রানে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম।

চলমান বিপিএল ২০২৬-এ দুর্দান্ত ছন্দে রয়েছে রংপুর রাইডার্স। গ্রুপ পর্বে পাঁচ ম্যাচের চারটিতে জয় তুলে নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠেছে দলটি। সোমবার (৫ জানুয়ারি) দিনের দ্বিতীয় ম্যাচে চট্টগ্রামকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সিংহাসন দখল করে সোহান-লিটনদের দল।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রাম রংপুরকে ১৭০ রানের লক্ষ্য দেয়। জবাবে ৭ বল ও ৫ উইকেট হাতে রেখেই জয় নিশ্চিত করে রংপুর।
লক্ষ্য তাড়ায় নেমে শুরুটা ভালো হয়নি লিটন কুমার দাসের। তিনি ৮ বলে ১০ রান করে আউট হন। এরপর কাইল মায়ার্সের সঙ্গে জুটি গড়ে ইনিংস এগিয়ে নেন ডেভিড মালান। আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ২৩ বলে ফিফটি তুলে নেন মায়ার্স। তবে অর্ধশতক পূর্ণ করার পরই ক্যাচ আউট হন তিনি।
এরপর তাওহীদ হৃদয়ও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৫ বলে ১৭ রান করে ফেরেন এই মিডল অর্ডার ব্যাটার। চাপের মুহূর্তে দলের হাল ধরেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ ও খুশদিল শাহ। খুশদিল শাহ ১২ বলে ২২ রান করে রান আউট হলেও মাহমুদউল্লাহর ১৯ বলে অপরাজিত ৩০ রানের কার্যকর ইনিংসে ভর করে জয় নিশ্চিত করে রংপুর।
চট্টগ্রামের হয়ে সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম। এ ছাড়া আবু হায়দার ও আমের জামাল একটি করে উইকেট শিকার করেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করেছিল চট্টগ্রাম। তবে ওপেনার নাঈম শেখ ১৫ বলে ১৬ রান করে এলবিডব্লিউ হয়ে ফেরেন। মাহমুদুল হাসান জয়ও ইনিংস বড় করতে পারেননি; ৭ বলে ১২ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর হাসান নাওয়াজকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস গড়েন ওপেনার অ্যাডাম রসিংটন। ৩৩ বলে ফিফটি তুলে নেন তিনি। ২ ছক্কা ও ৬ বাউন্ডারিতে ৪১ বলে ৫৮ রান করে আউট হন এই ইংলিশ ব্যাটার। দলীয় ৬ রান যোগ হতেই নাওয়াজও ফেরেন; ৩ ছক্কা ও ২ বাউন্ডারিতে ৩৮ বলে ৪৬ রান করেন তিনি।
মাঝপথে আসিফ আলী ২ বলে ১ রান করে আউট হলে ছন্দ হারায় চট্টগ্রাম। তবে শেষ দিকে আমের জামালের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে ঘুরে দাঁড়ায় দলটি। শেখ মাহেদীর ৭ বলে ১৩ রান এবং আমের জামালের ১০ বলে অপরাজিত ১৯ রানে ভর করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯ রান সংগ্রহ করে চট্টগ্রাম।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!