
ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নে সার্ভিস ও রিটেইল পর্যায়ে কোনো অসুবিধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআইওবি)-এর নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, এনইআইআর নিয়ে সমস্যা দেখছে কেবল সেই সব ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, যারা অবৈধ আমদানির সঙ্গে জড়িত। তাদের সংখ্যা খুব বেশি নয়-হয়তো ২০ থেকে ৩০ জন হবে। অথচ সারা বিশ্বে ২০০-এর বেশি মোবাইল ব্র্যান্ড রয়েছে, যারা বৈধভাবে ব্যবসা করছে এবং ভালো আয়ও করছে। তারা চাইলে দেশেই কারখানা স্থাপন করে আরও ৫০০ থেকে ৭০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। এতে কেউ বাধা দিচ্ছে না।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা হোটেলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল-‘এনইআইআর-এর হাত ধরে শুরু হোক নিরাপদ বাংলাদেশ’।
মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, উদ্যোক্তারা চান সাধারণ মানুষ কম দামে মোবাইল ফোন কিনুক। এনইআইআর বাস্তবায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন রাষ্ট্রীয় রাজস্ব আদায় বাড়বে, অন্যদিকে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তিও আরও শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়া চৌধুরি জানান, বর্তমানে দেশে ১২ হাজার ৯৫২টি অনুমোদিত স্মার্টফোন বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে ৪ হাজার ২৭০টি গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। তবে আন-অফিশিয়াল ও রিফারবিশডসহ অবৈধ ফোনের বাজারের কারণে সরকার প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। এনইআইআর কার্যকর হলে শহর থেকে গ্রাম—সব স্তরের ভোক্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশের মোবাইল ফোন শিল্পে স্বচ্ছতা জোরদার, ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে এমআইওবি নেতারা এনইআইআর ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব, ভোক্তা সুবিধা এবং দেশের মোবাইল ফোন ইকোসিস্টেমে এর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। একই সঙ্গে এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কার্যালয়ে সংঘটিত ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
এমআইওবি জানায়, সরকার ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা কার্যকর করার পাশাপাশি স্মার্টফোন আমদানি শুল্ক হ্রাসের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সময়োপযোগী ও ইতিবাচক। সংগঠনটির মতে, এসব নীতিগত উদ্যোগ বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং বৈধ ব্যবসাকে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আলোচনায় বলা হয়, এনইআইআর কার্যকর হলে অবৈধ, নকল ও চুরি হওয়া মোবাইল ফোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। একই সঙ্গে অবৈধ আইএমইআই ব্যবহার বন্ধ হওয়ায় ফোন ক্লোনিং, প্রতারণা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
এমআইওবি’র তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে ১৮টি স্মার্টফোন ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিষ্ঠানে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। এ খাতে সরাসরি প্রায় ৫০ হাজার দক্ষ শ্রমিক এবং ডিলার, ডিএসআর, সার্ভিস ও খুচরা বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত আরও প্রায় ৫০ হাজার মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ নারী শ্রমিক।
সংগঠনটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এনইআইআর বাস্তবায়নের বিরোধিতা করে একটি সীমিত গোষ্ঠী সহিংস ও বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দেশের প্রায় ১২ হাজার মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীর মধ্যে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার অবৈধ ব্যবসায়ী এসব কর্মকাণ্ডে যুক্ত। এর মধ্যে বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুর, বহিরাগত এনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, শিশুদের ব্যবহার করে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা এবং বৈধ দোকান জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এমআইওবি সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেন, ‘এনইআইআর বাস্তবায়ন দেশের মোবাইল ফোন শিল্পে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। আমরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। একই সঙ্গে যেকোনো সহিংস ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। নীতিগত ধারাবাহিকতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকলে স্মার্টফোন শিল্প ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।’

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নে সার্ভিস ও রিটেইল পর্যায়ে কোনো অসুবিধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআইওবি)-এর নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, এনইআইআর নিয়ে সমস্যা দেখছে কেবল সেই সব ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, যারা অবৈধ আমদানির সঙ্গে জড়িত। তাদের সংখ্যা খুব বেশি নয়-হয়তো ২০ থেকে ৩০ জন হবে। অথচ সারা বিশ্বে ২০০-এর বেশি মোবাইল ব্র্যান্ড রয়েছে, যারা বৈধভাবে ব্যবসা করছে এবং ভালো আয়ও করছে। তারা চাইলে দেশেই কারখানা স্থাপন করে আরও ৫০০ থেকে ৭০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। এতে কেউ বাধা দিচ্ছে না।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা হোটেলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল-‘এনইআইআর-এর হাত ধরে শুরু হোক নিরাপদ বাংলাদেশ’।
মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, উদ্যোক্তারা চান সাধারণ মানুষ কম দামে মোবাইল ফোন কিনুক। এনইআইআর বাস্তবায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন রাষ্ট্রীয় রাজস্ব আদায় বাড়বে, অন্যদিকে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তিও আরও শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়া চৌধুরি জানান, বর্তমানে দেশে ১২ হাজার ৯৫২টি অনুমোদিত স্মার্টফোন বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে ৪ হাজার ২৭০টি গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। তবে আন-অফিশিয়াল ও রিফারবিশডসহ অবৈধ ফোনের বাজারের কারণে সরকার প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। এনইআইআর কার্যকর হলে শহর থেকে গ্রাম—সব স্তরের ভোক্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশের মোবাইল ফোন শিল্পে স্বচ্ছতা জোরদার, ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে এমআইওবি নেতারা এনইআইআর ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব, ভোক্তা সুবিধা এবং দেশের মোবাইল ফোন ইকোসিস্টেমে এর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। একই সঙ্গে এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কার্যালয়ে সংঘটিত ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
এমআইওবি জানায়, সরকার ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা কার্যকর করার পাশাপাশি স্মার্টফোন আমদানি শুল্ক হ্রাসের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সময়োপযোগী ও ইতিবাচক। সংগঠনটির মতে, এসব নীতিগত উদ্যোগ বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং বৈধ ব্যবসাকে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আলোচনায় বলা হয়, এনইআইআর কার্যকর হলে অবৈধ, নকল ও চুরি হওয়া মোবাইল ফোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। একই সঙ্গে অবৈধ আইএমইআই ব্যবহার বন্ধ হওয়ায় ফোন ক্লোনিং, প্রতারণা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
এমআইওবি’র তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে ১৮টি স্মার্টফোন ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিষ্ঠানে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। এ খাতে সরাসরি প্রায় ৫০ হাজার দক্ষ শ্রমিক এবং ডিলার, ডিএসআর, সার্ভিস ও খুচরা বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত আরও প্রায় ৫০ হাজার মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ নারী শ্রমিক।
সংগঠনটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এনইআইআর বাস্তবায়নের বিরোধিতা করে একটি সীমিত গোষ্ঠী সহিংস ও বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দেশের প্রায় ১২ হাজার মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীর মধ্যে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার অবৈধ ব্যবসায়ী এসব কর্মকাণ্ডে যুক্ত। এর মধ্যে বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুর, বহিরাগত এনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, শিশুদের ব্যবহার করে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা এবং বৈধ দোকান জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এমআইওবি সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেন, ‘এনইআইআর বাস্তবায়ন দেশের মোবাইল ফোন শিল্পে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। আমরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। একই সঙ্গে যেকোনো সহিংস ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। নীতিগত ধারাবাহিকতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকলে স্মার্টফোন শিল্প ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।’

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নে সার্ভিস ও রিটেইল পর্যায়ে কোনো অসুবিধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআইওবি)-এর নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, এনইআইআর নিয়ে সমস্যা দেখছে কেবল সেই সব ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, যারা অবৈধ আমদানির সঙ্গে জড়িত। তাদের সংখ্যা খুব বেশি নয়-হয়তো ২০ থেকে ৩০ জন হবে। অথচ সারা বিশ্বে ২০০-এর বেশি মোবাইল ব্র্যান্ড রয়েছে, যারা বৈধভাবে ব্যবসা করছে এবং ভালো আয়ও করছে। তারা চাইলে দেশেই কারখানা স্থাপন করে আরও ৫০০ থেকে ৭০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। এতে কেউ বাধা দিচ্ছে না।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা হোটেলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল-‘এনইআইআর-এর হাত ধরে শুরু হোক নিরাপদ বাংলাদেশ’।
মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, উদ্যোক্তারা চান সাধারণ মানুষ কম দামে মোবাইল ফোন কিনুক। এনইআইআর বাস্তবায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন রাষ্ট্রীয় রাজস্ব আদায় বাড়বে, অন্যদিকে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তিও আরও শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়া চৌধুরি জানান, বর্তমানে দেশে ১২ হাজার ৯৫২টি অনুমোদিত স্মার্টফোন বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে ৪ হাজার ২৭০টি গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। তবে আন-অফিশিয়াল ও রিফারবিশডসহ অবৈধ ফোনের বাজারের কারণে সরকার প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। এনইআইআর কার্যকর হলে শহর থেকে গ্রাম—সব স্তরের ভোক্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশের মোবাইল ফোন শিল্পে স্বচ্ছতা জোরদার, ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে এমআইওবি নেতারা এনইআইআর ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব, ভোক্তা সুবিধা এবং দেশের মোবাইল ফোন ইকোসিস্টেমে এর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। একই সঙ্গে এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কার্যালয়ে সংঘটিত ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
এমআইওবি জানায়, সরকার ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা কার্যকর করার পাশাপাশি স্মার্টফোন আমদানি শুল্ক হ্রাসের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সময়োপযোগী ও ইতিবাচক। সংগঠনটির মতে, এসব নীতিগত উদ্যোগ বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং বৈধ ব্যবসাকে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আলোচনায় বলা হয়, এনইআইআর কার্যকর হলে অবৈধ, নকল ও চুরি হওয়া মোবাইল ফোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। একই সঙ্গে অবৈধ আইএমইআই ব্যবহার বন্ধ হওয়ায় ফোন ক্লোনিং, প্রতারণা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
এমআইওবি’র তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে ১৮টি স্মার্টফোন ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিষ্ঠানে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। এ খাতে সরাসরি প্রায় ৫০ হাজার দক্ষ শ্রমিক এবং ডিলার, ডিএসআর, সার্ভিস ও খুচরা বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত আরও প্রায় ৫০ হাজার মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ নারী শ্রমিক।
সংগঠনটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এনইআইআর বাস্তবায়নের বিরোধিতা করে একটি সীমিত গোষ্ঠী সহিংস ও বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দেশের প্রায় ১২ হাজার মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীর মধ্যে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার অবৈধ ব্যবসায়ী এসব কর্মকাণ্ডে যুক্ত। এর মধ্যে বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুর, বহিরাগত এনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, শিশুদের ব্যবহার করে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা এবং বৈধ দোকান জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এমআইওবি সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেন, ‘এনইআইআর বাস্তবায়ন দেশের মোবাইল ফোন শিল্পে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। আমরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। একই সঙ্গে যেকোনো সহিংস ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। নীতিগত ধারাবাহিকতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকলে স্মার্টফোন শিল্প ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।’

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) বাস্তবায়নে সার্ভিস ও রিটেইল পর্যায়ে কোনো অসুবিধা নেই বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন (এমআইওবি)-এর নির্বাহী কমিটির সদস্য ও স্মার্ট টেকনোলজিস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, এনইআইআর নিয়ে সমস্যা দেখছে কেবল সেই সব ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, যারা অবৈধ আমদানির সঙ্গে জড়িত। তাদের সংখ্যা খুব বেশি নয়-হয়তো ২০ থেকে ৩০ জন হবে। অথচ সারা বিশ্বে ২০০-এর বেশি মোবাইল ব্র্যান্ড রয়েছে, যারা বৈধভাবে ব্যবসা করছে এবং ভালো আয়ও করছে। তারা চাইলে দেশেই কারখানা স্থাপন করে আরও ৫০০ থেকে ৭০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারে। এতে কেউ বাধা দিচ্ছে না।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল ঢাকা হোটেলে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ছিল-‘এনইআইআর-এর হাত ধরে শুরু হোক নিরাপদ বাংলাদেশ’।
মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম আরও বলেন, উদ্যোক্তারা চান সাধারণ মানুষ কম দামে মোবাইল ফোন কিনুক। এনইআইআর বাস্তবায়নের মাধ্যমে একদিকে যেমন রাষ্ট্রীয় রাজস্ব আদায় বাড়বে, অন্যদিকে দেশের ডিজিটাল অর্থনীতির ভিত্তিও আরও শক্তিশালী হবে। তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের জন্য সবাইকে নিজ নিজ জায়গা থেকে এগিয়ে আসতে হবে এবং সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরে শাওমি বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার জিয়া চৌধুরি জানান, বর্তমানে দেশে ১২ হাজার ৯৫২টি অনুমোদিত স্মার্টফোন বিক্রয়কেন্দ্র রয়েছে, যার মধ্যে ৪ হাজার ২৭০টি গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত। তবে আন-অফিশিয়াল ও রিফারবিশডসহ অবৈধ ফোনের বাজারের কারণে সরকার প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছে। এনইআইআর কার্যকর হলে শহর থেকে গ্রাম—সব স্তরের ভোক্তার নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশের মোবাইল ফোন শিল্পে স্বচ্ছতা জোরদার, ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিতকরণ এবং একটি নিরাপদ ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে এমআইওবি নেতারা এনইআইআর ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রভাব, ভোক্তা সুবিধা এবং দেশের মোবাইল ফোন ইকোসিস্টেমে এর ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। একই সঙ্গে এনইআইআর বাস্তবায়নকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) কার্যালয়ে সংঘটিত ভাঙচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয় এবং এ ধরনের সহিংস কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়।
এমআইওবি জানায়, সরকার ১ জানুয়ারি থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা কার্যকর করার পাশাপাশি স্মার্টফোন আমদানি শুল্ক হ্রাসের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা সময়োপযোগী ও ইতিবাচক। সংগঠনটির মতে, এসব নীতিগত উদ্যোগ বাজারে শৃঙ্খলা ফেরাতে এবং বৈধ ব্যবসাকে উৎসাহিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
আলোচনায় বলা হয়, এনইআইআর কার্যকর হলে অবৈধ, নকল ও চুরি হওয়া মোবাইল ফোন শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে। একই সঙ্গে অবৈধ আইএমইআই ব্যবহার বন্ধ হওয়ায় ফোন ক্লোনিং, প্রতারণা এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে।
এমআইওবি’র তথ্যমতে, বর্তমানে দেশে ১৮টি স্মার্টফোন ম্যানুফ্যাকচারিং প্রতিষ্ঠানে দেশি-বিদেশি মিলিয়ে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি বিনিয়োগ হয়েছে। এ খাতে সরাসরি প্রায় ৫০ হাজার দক্ষ শ্রমিক এবং ডিলার, ডিএসআর, সার্ভিস ও খুচরা বিক্রয়ের সঙ্গে যুক্ত আরও প্রায় ৫০ হাজার মানুষের পরোক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৩০ শতাংশ নারী শ্রমিক।
সংগঠনটি গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে জানায়, এনইআইআর বাস্তবায়নের বিরোধিতা করে একটি সীমিত গোষ্ঠী সহিংস ও বিশৃঙ্খল কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েছে। দেশের প্রায় ১২ হাজার মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীর মধ্যে মাত্র এক থেকে দেড় হাজার অবৈধ ব্যবসায়ী এসব কর্মকাণ্ডে যুক্ত। এর মধ্যে বিটিআরসি কার্যালয়ে ভাঙচুর, বহিরাগত এনে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, শিশুদের ব্যবহার করে সহানুভূতি আদায়ের চেষ্টা এবং বৈধ দোকান জোরপূর্বক বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এমআইওবি সভাপতি জাকারিয়া শহীদ বলেন, ‘এনইআইআর বাস্তবায়ন দেশের মোবাইল ফোন শিল্পে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও ভোক্তা সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি সময়োপযোগী উদ্যোগ। আমরা সরকারের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাই। একই সঙ্গে যেকোনো সহিংস ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। নীতিগত ধারাবাহিকতা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ বজায় থাকলে স্মার্টফোন শিল্প ভবিষ্যতে দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে।’
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!