আগামী এক বছরের মধ্যেই দেশের সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি, এখনো বলছি-আমরা চেষ্টা করবো এক বছরের মধ্যে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করতে।’ তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা গেলে রাষ্ট্রীয় কাঠামোও আরও শক্তিশালী হয়। এ লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডিসি সম্মেলনের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের এমন মতবিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাস্তব চিত্র সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচি সফল করতে সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে একসঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না।’
জনগণের ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা ডিসিদের বলেছি জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে হবে। কারণ জনগণই এই দেশের প্রকৃত মালিক। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষই উন্নয়নের মূল শক্তি।’
ডিসি সম্মেলনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের মতবিনিময় আরও বাড়ানো হবে, যাতে মাঠ পর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা যায় এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়।
আগামী এক বছরের মধ্যেই দেশের সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি, এখনো বলছি-আমরা চেষ্টা করবো এক বছরের মধ্যে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করতে।’ তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা গেলে রাষ্ট্রীয় কাঠামোও আরও শক্তিশালী হয়। এ লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডিসি সম্মেলনের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের এমন মতবিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাস্তব চিত্র সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচি সফল করতে সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে একসঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না।’
জনগণের ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা ডিসিদের বলেছি জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে হবে। কারণ জনগণই এই দেশের প্রকৃত মালিক। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষই উন্নয়নের মূল শক্তি।’
ডিসি সম্মেলনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের মতবিনিময় আরও বাড়ানো হবে, যাতে মাঠ পর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা যায় এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়।
আগামী এক বছরের মধ্যেই দেশের সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি, এখনো বলছি-আমরা চেষ্টা করবো এক বছরের মধ্যে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করতে।’ তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা গেলে রাষ্ট্রীয় কাঠামোও আরও শক্তিশালী হয়। এ লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডিসি সম্মেলনের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের এমন মতবিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাস্তব চিত্র সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচি সফল করতে সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে একসঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না।’
জনগণের ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা ডিসিদের বলেছি জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে হবে। কারণ জনগণই এই দেশের প্রকৃত মালিক। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষই উন্নয়নের মূল শক্তি।’
ডিসি সম্মেলনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের মতবিনিময় আরও বাড়ানো হবে, যাতে মাঠ পর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা যায় এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়।
আগামী এক বছরের মধ্যেই দেশের সব ধাপের স্থানীয় সরকার নির্বাচন সম্পন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
মঙ্গলবার (৫ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক (ডিসি) সম্মেলনের ষষ্ঠ অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আগেও বলেছি, এখনো বলছি-আমরা চেষ্টা করবো এক বছরের মধ্যে আগামী স্থানীয় সরকার নির্বাচনগুলো সম্পন্ন করতে।’ তিনি বলেন, স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা গেলে রাষ্ট্রীয় কাঠামোও আরও শক্তিশালী হয়। এ লক্ষ্যেই সরকার কাজ করছে এবং জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনায় বিষয়টি বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ডিসি সম্মেলনের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, মাঠ প্রশাসনের সঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের এমন মতবিনিময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ফলপ্রসূ। এতে উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে বাস্তব চিত্র সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণ সহজ হয়।
উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসকদের সক্রিয় ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, সরকারি উন্নয়ন কর্মসূচি সফল করতে সংসদ সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং প্রশাসনকে একসঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমাদের সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচিগুলো বাস্তবায়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের সম্পৃক্ততা ছাড়া কোনো উন্নয়ন টেকসই হয় না।’
জনগণের ভূমিকা তুলে ধরে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা ডিসিদের বলেছি জনগণকে সঙ্গে নিয়েই কাজ করতে হবে। কারণ জনগণই এই দেশের প্রকৃত মালিক। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষই উন্নয়নের মূল শক্তি।’
ডিসি সম্মেলনকে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের মতবিনিময় আরও বাড়ানো হবে, যাতে মাঠ পর্যায়ের সমস্যা দ্রুত সমাধান করা যায় এবং উন্নয়ন কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!