
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন অভিযাত্রার সূচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দায়িত্ব ছাড়ার আগে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, দেড় যুগ পর দেশে একটি জাতীয় নির্বাচন এবং ব্যাপক সাংবিধানিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে সর্বসম্মত জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করেছিল এবং দেশের সর্বত্র ঈদের আমেজ ছিল—যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে যারা জয়ী হয়েছেন তাদের অভিনন্দন জানাই। যারা পরাজিত হয়েছেন তাদেরও অভিনন্দন। হার-জিতই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। যারা জয়ী হয়েছেন তারা মোট ভোটের প্রায় অর্ধেক পেয়েছেন, আর যারা জয়ী হননি তারাও প্রায় অর্ধেক ভোট পেয়েছেন-এটি গণতন্ত্রের শক্তির বহিঃপ্রকাশ।’
তিনি উল্লেখ করেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের দায়িত্বের সমাপ্তি ঘটবে।
ড. ইউনূস বলেন, ‘চব্বিশের জুলাই মাসে বাংলাদেশের মানুষ এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মুক্তি, আকাঙ্ক্ষা ও মর্যাদার দাবি জানিয়েছিল। তখন দেশ গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে ছিল। রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে আমাকে তিনটি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল—সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন।’
তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচার প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের ঊর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সরকার জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না পারে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতা হস্তান্তর নয়-এটি নতুন বাংলাদেশের জন্ম।’ জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণী, শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।
তিনি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। দেড় বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল মঙ্গলবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নতুন মন্ত্রিসভার শপথের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন অভিযাত্রার সূচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দায়িত্ব ছাড়ার আগে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, দেড় যুগ পর দেশে একটি জাতীয় নির্বাচন এবং ব্যাপক সাংবিধানিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে সর্বসম্মত জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করেছিল এবং দেশের সর্বত্র ঈদের আমেজ ছিল—যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে যারা জয়ী হয়েছেন তাদের অভিনন্দন জানাই। যারা পরাজিত হয়েছেন তাদেরও অভিনন্দন। হার-জিতই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। যারা জয়ী হয়েছেন তারা মোট ভোটের প্রায় অর্ধেক পেয়েছেন, আর যারা জয়ী হননি তারাও প্রায় অর্ধেক ভোট পেয়েছেন-এটি গণতন্ত্রের শক্তির বহিঃপ্রকাশ।’
তিনি উল্লেখ করেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের দায়িত্বের সমাপ্তি ঘটবে।
ড. ইউনূস বলেন, ‘চব্বিশের জুলাই মাসে বাংলাদেশের মানুষ এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মুক্তি, আকাঙ্ক্ষা ও মর্যাদার দাবি জানিয়েছিল। তখন দেশ গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে ছিল। রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে আমাকে তিনটি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল—সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন।’
তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচার প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের ঊর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সরকার জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না পারে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতা হস্তান্তর নয়-এটি নতুন বাংলাদেশের জন্ম।’ জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণী, শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।
তিনি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। দেড় বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল মঙ্গলবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নতুন মন্ত্রিসভার শপথের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন অভিযাত্রার সূচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দায়িত্ব ছাড়ার আগে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, দেড় যুগ পর দেশে একটি জাতীয় নির্বাচন এবং ব্যাপক সাংবিধানিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে সর্বসম্মত জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করেছিল এবং দেশের সর্বত্র ঈদের আমেজ ছিল—যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে যারা জয়ী হয়েছেন তাদের অভিনন্দন জানাই। যারা পরাজিত হয়েছেন তাদেরও অভিনন্দন। হার-জিতই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। যারা জয়ী হয়েছেন তারা মোট ভোটের প্রায় অর্ধেক পেয়েছেন, আর যারা জয়ী হননি তারাও প্রায় অর্ধেক ভোট পেয়েছেন-এটি গণতন্ত্রের শক্তির বহিঃপ্রকাশ।’
তিনি উল্লেখ করেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের দায়িত্বের সমাপ্তি ঘটবে।
ড. ইউনূস বলেন, ‘চব্বিশের জুলাই মাসে বাংলাদেশের মানুষ এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মুক্তি, আকাঙ্ক্ষা ও মর্যাদার দাবি জানিয়েছিল। তখন দেশ গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে ছিল। রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে আমাকে তিনটি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল—সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন।’
তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচার প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের ঊর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সরকার জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না পারে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতা হস্তান্তর নয়-এটি নতুন বাংলাদেশের জন্ম।’ জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণী, শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।
তিনি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। দেড় বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল মঙ্গলবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নতুন মন্ত্রিসভার শপথের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার নতুন অভিযাত্রার সূচনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দায়িত্ব ছাড়ার আগে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, দেড় যুগ পর দেশে একটি জাতীয় নির্বাচন এবং ব্যাপক সাংবিধানিক পরিবর্তনের লক্ষ্যে সর্বসম্মত জুলাই সনদের ওপর গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করেছিল এবং দেশের সর্বত্র ঈদের আমেজ ছিল—যা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।
নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সকলকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচনে যারা জয়ী হয়েছেন তাদের অভিনন্দন জানাই। যারা পরাজিত হয়েছেন তাদেরও অভিনন্দন। হার-জিতই গণতন্ত্রের সৌন্দর্য। যারা জয়ী হয়েছেন তারা মোট ভোটের প্রায় অর্ধেক পেয়েছেন, আর যারা জয়ী হননি তারাও প্রায় অর্ধেক ভোট পেয়েছেন-এটি গণতন্ত্রের শক্তির বহিঃপ্রকাশ।’
তিনি উল্লেখ করেন, নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাধ্যমে অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের দায়িত্বের সমাপ্তি ঘটবে।
ড. ইউনূস বলেন, ‘চব্বিশের জুলাই মাসে বাংলাদেশের মানুষ এক অভূতপূর্ব অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে মুক্তি, আকাঙ্ক্ষা ও মর্যাদার দাবি জানিয়েছিল। তখন দেশ গভীর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংকটে ছিল। রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেই প্রেক্ষাপটে আমাকে তিনটি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল—সংস্কার, বিচার এবং নির্বাচন।’
তিনি বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ, দুর্নীতি ও অনিয়মের বিচার প্রক্রিয়াকে রাজনৈতিক প্রতিশোধের ঊর্ধ্বে রাখার চেষ্টা করা হয়েছে। পাশাপাশি ভঙ্গুর প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক, বাণিজ্যিক ও আর্থিক সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সরকার জনগণের ইচ্ছার বিরুদ্ধে দাঁড়াতে না পারে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘এই নির্বাচন কেবল ক্ষমতা হস্তান্তর নয়-এটি নতুন বাংলাদেশের জন্ম।’ জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণ-তরুণী, শহীদ ও আহতদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান তিনি।
তিনি নির্বাচন কমিশন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। দেড় বছর পর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। আগামীকাল মঙ্গলবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও নতুন মন্ত্রিসভার শপথের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্বকাল।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!