প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের উন্নয়নই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রে মতের পার্থক্য থাকবেই, কিন্তু দেশের মানুষের উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা যা করবো স্বচ্ছভাবে করবো, কোনো লুকোচুরি নেই।’
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়ার ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা বগুড়া সফরে এসে তিনি এই জনসভায় ভাষণ দেন।
জনসভায় তারেক রহমান ৫ আগস্ট স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। জনগণের পক্ষ থেকে আমরা আমাদের স্বচ্ছ প্রস্তাবনা সেখানে জমা দিয়েছি।’ তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, যখন অন্য কোনো দল ‘সংস্কার’ শব্দটি উচ্চারণের সাহস পায়নি, তখন বিএনপি ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি দিয়েছিল। গত ১৬ বছরে ধ্বংসপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যাংকিং ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্গঠনে এই সংস্কার জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আপনাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে তার প্রত্যেকটি কাজ শুরু করেছি। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানীর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এসব কাজ বাস্তবায়ন হলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।’
অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান নিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বল্প খরচে দেশের তরুণ সমাজের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। ইনশাআল্লাহ, শিগগির আপনারা সুখবর পাবেন।’ এছাড়াও কৃষিখাতের উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘খাল খনন কর্মসূচি’ আবার দেশব্যাপী শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান, যা কৃষকের ফসল রক্ষা এবং খরা মৌসুমে পানির অভাব দূর করতে সহায়ক হবে।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বগুড়ায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জেলা জজ আদালতে নবনির্মিত ভবন ও ‘ই-বেইল বন্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন, এবং বহুল প্রতীক্ষিত বগুড়া সিটি করপোরেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। বগুড়াকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা করে তিনি এর নামফলক উন্মোচন করেন।
এরপর তিনি গাবতলীর বাগবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা পরিদর্শন করেন এবং শহীদ জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সন্ধ্যায় বগুড়া প্রেস ক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে বগুড়াসহ সমগ্র উত্তরবঙ্গজুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনা ও জোয়ার দেখা যায়। আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ ছাপিয়ে জনস্রোত শহরের প্রধান সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের উন্নয়নই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রে মতের পার্থক্য থাকবেই, কিন্তু দেশের মানুষের উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা যা করবো স্বচ্ছভাবে করবো, কোনো লুকোচুরি নেই।’
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়ার ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা বগুড়া সফরে এসে তিনি এই জনসভায় ভাষণ দেন।
জনসভায় তারেক রহমান ৫ আগস্ট স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। জনগণের পক্ষ থেকে আমরা আমাদের স্বচ্ছ প্রস্তাবনা সেখানে জমা দিয়েছি।’ তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, যখন অন্য কোনো দল ‘সংস্কার’ শব্দটি উচ্চারণের সাহস পায়নি, তখন বিএনপি ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি দিয়েছিল। গত ১৬ বছরে ধ্বংসপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যাংকিং ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্গঠনে এই সংস্কার জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আপনাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে তার প্রত্যেকটি কাজ শুরু করেছি। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানীর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এসব কাজ বাস্তবায়ন হলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।’
অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান নিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বল্প খরচে দেশের তরুণ সমাজের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। ইনশাআল্লাহ, শিগগির আপনারা সুখবর পাবেন।’ এছাড়াও কৃষিখাতের উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘খাল খনন কর্মসূচি’ আবার দেশব্যাপী শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান, যা কৃষকের ফসল রক্ষা এবং খরা মৌসুমে পানির অভাব দূর করতে সহায়ক হবে।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বগুড়ায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জেলা জজ আদালতে নবনির্মিত ভবন ও ‘ই-বেইল বন্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন, এবং বহুল প্রতীক্ষিত বগুড়া সিটি করপোরেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। বগুড়াকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা করে তিনি এর নামফলক উন্মোচন করেন।
এরপর তিনি গাবতলীর বাগবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা পরিদর্শন করেন এবং শহীদ জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সন্ধ্যায় বগুড়া প্রেস ক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে বগুড়াসহ সমগ্র উত্তরবঙ্গজুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনা ও জোয়ার দেখা যায়। আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ ছাপিয়ে জনস্রোত শহরের প্রধান সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের উন্নয়নই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রে মতের পার্থক্য থাকবেই, কিন্তু দেশের মানুষের উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা যা করবো স্বচ্ছভাবে করবো, কোনো লুকোচুরি নেই।’
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়ার ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা বগুড়া সফরে এসে তিনি এই জনসভায় ভাষণ দেন।
জনসভায় তারেক রহমান ৫ আগস্ট স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। জনগণের পক্ষ থেকে আমরা আমাদের স্বচ্ছ প্রস্তাবনা সেখানে জমা দিয়েছি।’ তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, যখন অন্য কোনো দল ‘সংস্কার’ শব্দটি উচ্চারণের সাহস পায়নি, তখন বিএনপি ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি দিয়েছিল। গত ১৬ বছরে ধ্বংসপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যাংকিং ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্গঠনে এই সংস্কার জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আপনাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে তার প্রত্যেকটি কাজ শুরু করেছি। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানীর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এসব কাজ বাস্তবায়ন হলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।’
অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান নিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বল্প খরচে দেশের তরুণ সমাজের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। ইনশাআল্লাহ, শিগগির আপনারা সুখবর পাবেন।’ এছাড়াও কৃষিখাতের উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘খাল খনন কর্মসূচি’ আবার দেশব্যাপী শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান, যা কৃষকের ফসল রক্ষা এবং খরা মৌসুমে পানির অভাব দূর করতে সহায়ক হবে।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বগুড়ায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জেলা জজ আদালতে নবনির্মিত ভবন ও ‘ই-বেইল বন্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন, এবং বহুল প্রতীক্ষিত বগুড়া সিটি করপোরেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। বগুড়াকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা করে তিনি এর নামফলক উন্মোচন করেন।
এরপর তিনি গাবতলীর বাগবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা পরিদর্শন করেন এবং শহীদ জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সন্ধ্যায় বগুড়া প্রেস ক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে বগুড়াসহ সমগ্র উত্তরবঙ্গজুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনা ও জোয়ার দেখা যায়। আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ ছাপিয়ে জনস্রোত শহরের প্রধান সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের মানুষের উন্নয়নই বর্তমান সরকারের মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রে মতের পার্থক্য থাকবেই, কিন্তু দেশের মানুষের উন্নয়নের প্রশ্নে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ। আমরা যা করবো স্বচ্ছভাবে করবো, কোনো লুকোচুরি নেই।’
সোমবার (২০ এপ্রিল) বিকেলে বগুড়ার ঐতিহাসিক আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো নিজ জেলা বগুড়া সফরে এসে তিনি এই জনসভায় ভাষণ দেন।
জনসভায় তারেক রহমান ৫ আগস্ট স্বৈরাচারমুক্ত হওয়ার পর দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও উন্নয়নমূলক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, ‘স্বৈরাচারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সংস্কার কমিশন গঠন করেছে। জনগণের পক্ষ থেকে আমরা আমাদের স্বচ্ছ প্রস্তাবনা সেখানে জমা দিয়েছি।’ তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, যখন অন্য কোনো দল ‘সংস্কার’ শব্দটি উচ্চারণের সাহস পায়নি, তখন বিএনপি ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচি দিয়েছিল। গত ১৬ বছরে ধ্বংসপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যাংকিং ও যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনর্গঠনে এই সংস্কার জরুরি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনে সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপি আপনাদের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, আমরা পর্যায়ক্রমিকভাবে তার প্রত্যেকটি কাজ শুরু করেছি। ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানীর ব্যবস্থা করা হচ্ছে। এসব কাজ বাস্তবায়ন হলে দেশের খেটে খাওয়া মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।’
অর্থনীতি ও কর্মসংস্থান নিয়ে তিনি বলেন, ‘স্বল্প খরচে দেশের তরুণ সমাজের জন্য বিদেশে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে আমরা বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করেছি। ইনশাআল্লাহ, শিগগির আপনারা সুখবর পাবেন।’ এছাড়াও কৃষিখাতের উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ‘খাল খনন কর্মসূচি’ আবার দেশব্যাপী শুরু করার ঘোষণা দেন তিনি। আগামী পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে তিনি জানান, যা কৃষকের ফসল রক্ষা এবং খরা মৌসুমে পানির অভাব দূর করতে সহায়ক হবে।
এর আগে সকালে ঢাকা থেকে সড়কপথে বগুড়ায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন তিনি। কর্মসূচির মধ্যে ছিল জেলা জজ আদালতে নবনির্মিত ভবন ও ‘ই-বেইল বন্ড’ কার্যক্রমের উদ্বোধন, এবং বহুল প্রতীক্ষিত বগুড়া সিটি করপোরেশনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। বগুড়াকে দেশের ১৩তম সিটি করপোরেশন হিসেবে ঘোষণা করে তিনি এর নামফলক উন্মোচন করেন।
এরপর তিনি গাবতলীর বাগবাড়ীতে পৈতৃক ভিটা পরিদর্শন করেন এবং শহীদ জিয়াউর রহমান গ্রাম হাসপাতালে জাতীয় টিকাদান কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড ও খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। সন্ধ্যায় বগুড়া প্রেস ক্লাবের নতুন ভবন উদ্বোধন শেষে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওয়ানা হন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে বগুড়াসহ সমগ্র উত্তরবঙ্গজুড়ে ব্যাপক উদ্দীপনা ও জোয়ার দেখা যায়। আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ ছাপিয়ে জনস্রোত শহরের প্রধান সড়কগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। জনসভায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানও উপস্থিত ছিলেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!