
পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির আভাস মিললেও ‘সব ধরনের পরিস্থিতির’ জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইরান-এমনটাই জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। ফলে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়লেও অঞ্চলজুড়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ার পর বুধবার (১৫ এপ্রিল) আসিম মুনির–এর তেহরান সফরকে কেন্দ্র করে পারমাণবিক ইস্যুতে নতুন করে অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র ফেলো–আবাস আসলানি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সদিচ্ছা থাকলে পারমাণবিক ইস্যুর সমাধান সম্ভব। তার ভাষ্য, ‘ওয়াশিংটন যদি সত্যিই কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়, তবে তেহরান স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রস্তুত। তাই এ খাতে অগ্রগতির খবর অস্বাভাবিক নয়।’
তবে আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিললেও তেহরান পুরোপুরি আশাবাদী হতে পারছে না। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে ইরানি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং বন্দরগুলোতে চলমান নৌ-অবরোধ পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।
আবাস আসলানি বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে গভীর অবিশ্বাস রয়ে গেছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।’
বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরান দ্বিমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি। একদিকে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখা হয়েছে, অন্যদিকে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের জন্য প্রস্তুতিও জোরদার করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২২ এপ্রিল বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। তার আগেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কোনো স্থায়ী সমাধান আসে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কৌতূহল বাড়ছে। তবে ইরান-এর বার্তা স্পষ্ট-আলোচনার টেবিলে যেমন তারা প্রস্তুত, তেমনি প্রয়োজন হলে সংঘাতে ফিরতেও দ্বিধা করবে না।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির আভাস মিললেও ‘সব ধরনের পরিস্থিতির’ জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইরান-এমনটাই জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। ফলে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়লেও অঞ্চলজুড়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ার পর বুধবার (১৫ এপ্রিল) আসিম মুনির–এর তেহরান সফরকে কেন্দ্র করে পারমাণবিক ইস্যুতে নতুন করে অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র ফেলো–আবাস আসলানি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সদিচ্ছা থাকলে পারমাণবিক ইস্যুর সমাধান সম্ভব। তার ভাষ্য, ‘ওয়াশিংটন যদি সত্যিই কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়, তবে তেহরান স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রস্তুত। তাই এ খাতে অগ্রগতির খবর অস্বাভাবিক নয়।’
তবে আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিললেও তেহরান পুরোপুরি আশাবাদী হতে পারছে না। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে ইরানি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং বন্দরগুলোতে চলমান নৌ-অবরোধ পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।
আবাস আসলানি বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে গভীর অবিশ্বাস রয়ে গেছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।’
বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরান দ্বিমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি। একদিকে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখা হয়েছে, অন্যদিকে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের জন্য প্রস্তুতিও জোরদার করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২২ এপ্রিল বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। তার আগেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কোনো স্থায়ী সমাধান আসে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কৌতূহল বাড়ছে। তবে ইরান-এর বার্তা স্পষ্ট-আলোচনার টেবিলে যেমন তারা প্রস্তুত, তেমনি প্রয়োজন হলে সংঘাতে ফিরতেও দ্বিধা করবে না।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির আভাস মিললেও ‘সব ধরনের পরিস্থিতির’ জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইরান-এমনটাই জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। ফলে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়লেও অঞ্চলজুড়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ার পর বুধবার (১৫ এপ্রিল) আসিম মুনির–এর তেহরান সফরকে কেন্দ্র করে পারমাণবিক ইস্যুতে নতুন করে অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র ফেলো–আবাস আসলানি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সদিচ্ছা থাকলে পারমাণবিক ইস্যুর সমাধান সম্ভব। তার ভাষ্য, ‘ওয়াশিংটন যদি সত্যিই কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়, তবে তেহরান স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রস্তুত। তাই এ খাতে অগ্রগতির খবর অস্বাভাবিক নয়।’
তবে আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিললেও তেহরান পুরোপুরি আশাবাদী হতে পারছে না। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে ইরানি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং বন্দরগুলোতে চলমান নৌ-অবরোধ পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।
আবাস আসলানি বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে গভীর অবিশ্বাস রয়ে গেছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।’
বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরান দ্বিমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি। একদিকে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখা হয়েছে, অন্যদিকে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের জন্য প্রস্তুতিও জোরদার করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২২ এপ্রিল বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। তার আগেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কোনো স্থায়ী সমাধান আসে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কৌতূহল বাড়ছে। তবে ইরান-এর বার্তা স্পষ্ট-আলোচনার টেবিলে যেমন তারা প্রস্তুত, তেমনি প্রয়োজন হলে সংঘাতে ফিরতেও দ্বিধা করবে না।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় চলমান আলোচনায় কিছুটা অগ্রগতির আভাস মিললেও ‘সব ধরনের পরিস্থিতির’ জন্য প্রস্তুত রয়েছে ইরান-এমনটাই জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। ফলে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়লেও অঞ্চলজুড়ে অনিশ্চয়তা কাটছে না।
গত সপ্তাহে ইসলামাবাদে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ার পর বুধবার (১৫ এপ্রিল) আসিম মুনির–এর তেহরান সফরকে কেন্দ্র করে পারমাণবিক ইস্যুতে নতুন করে অগ্রগতির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর মিডল ইস্ট স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের সিনিয়র ফেলো–আবাস আসলানি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সদিচ্ছা থাকলে পারমাণবিক ইস্যুর সমাধান সম্ভব। তার ভাষ্য, ‘ওয়াশিংটন যদি সত্যিই কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে চায়, তবে তেহরান স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রস্তুত। তাই এ খাতে অগ্রগতির খবর অস্বাভাবিক নয়।’
তবে আলোচনায় অগ্রগতির ইঙ্গিত মিললেও তেহরান পুরোপুরি আশাবাদী হতে পারছে না। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন করে ইরানি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এবং বন্দরগুলোতে চলমান নৌ-অবরোধ পরিস্থিতিকে জটিল করে তুলছে।
আবাস আসলানি বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে গভীর অবিশ্বাস রয়ে গেছে। একদিকে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলছে, অন্যদিকে অর্থনৈতিক ও সামরিক চাপ অব্যাহত রেখেছে।’
বর্তমান প্রেক্ষাপটে ইরান দ্বিমুখী কৌশল গ্রহণ করেছে বলেও জানান তিনি। একদিকে কূটনৈতিক আলোচনার পথ খোলা রাখা হয়েছে, অন্যদিকে সম্ভাব্য সামরিক সংঘাতের জন্য প্রস্তুতিও জোরদার করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২২ এপ্রিল বর্তমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ শেষ হতে যাচ্ছে। তার আগেই পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় কোনো স্থায়ী সমাধান আসে কি না, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে কৌতূহল বাড়ছে। তবে ইরান-এর বার্তা স্পষ্ট-আলোচনার টেবিলে যেমন তারা প্রস্তুত, তেমনি প্রয়োজন হলে সংঘাতে ফিরতেও দ্বিধা করবে না।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!