
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ১০ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করা হবে।
শনিবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি করে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, প্রস্তাবিত স্পোর্টস কমপ্লেক্সগুলোতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর আদলে আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
সমাবেশে কুমিল্লা বিমানবন্দর চালুসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়।
এ সময় কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী জেলার সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এছাড়া কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবুসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতারা বক্তব্য দেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ১০ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করা হবে।
শনিবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি করে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, প্রস্তাবিত স্পোর্টস কমপ্লেক্সগুলোতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর আদলে আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
সমাবেশে কুমিল্লা বিমানবন্দর চালুসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়।
এ সময় কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী জেলার সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এছাড়া কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবুসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতারা বক্তব্য দেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ১০ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করা হবে।
শনিবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি করে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, প্রস্তাবিত স্পোর্টস কমপ্লেক্সগুলোতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর আদলে আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
সমাবেশে কুমিল্লা বিমানবন্দর চালুসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়।
এ সময় কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী জেলার সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এছাড়া কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবুসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতারা বক্তব্য দেন।

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে ১০ লেনে উন্নীত করার ঘোষণা দিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক ১০ লেনে উন্নীত করা হবে।
শনিবার বিকেলে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে আয়োজিত এক নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মন্ত্রী বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক সম্প্রসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি বিভাগীয় শহরে প্রায় ১ হাজার ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে একটি করে আধুনিক স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, প্রস্তাবিত স্পোর্টস কমপ্লেক্সগুলোতে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি)-এর আদলে আধুনিক ক্রীড়া অবকাঠামো ও প্রশিক্ষণের সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা থাকবে।
সমাবেশে কুমিল্লা বিমানবন্দর চালুসহ জেলার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরা হয়।
এ সময় কুমিল্লা-৬ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুল হক চৌধুরী জেলার সার্বিক উন্নয়ন পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। এছাড়া কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মোস্তাক মিয়া, কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান উৎবাতুল বারী আবুসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেতারা বক্তব্য দেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!