-1794026973101-692631293.jpg&w=1920&q=75)
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১-৫ নভেম্বর) অধিকাংশ সূচকের পতনের পাশাপাশি কমেছে বাজার মূলধন। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৯২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। তবে এ সময়ে দৈনিক গড় লেনদেন ও মোট লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। একই সঙ্গে দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানির সংখ্যাও ছিল বেশি।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এ মূলধন ছিল ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৯২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বা শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।
এদিকে, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ হাজার ৪১৩ দশমিক ০৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচকটি ছিল ৫ হাজার ৪১৭ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইএক্স কমেছে ৪ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ০৮ শতাংশ।
অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১৮ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ কমে ২ হাজার ৬৮ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইএস সূচক ২ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪৭ দশমিক ৭১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এ ছাড়া ডিএসইর এসএমই সূচক ডিএসএমইএক্স ২৫ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ৯৪৫ দশমিক ১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেন
সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৫২৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল ৪৫০ কোটি ৭ লাখ টাকা। সে হিসাবে দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ১৭ দশমিক ০৫ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ২ হাজার ৬৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ২৫০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেনও বেড়েছে ১৭ দশমিক ০৫ শতাংশ।
এ সময়ে শেয়ার ও ইউনিটের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার। আগের সপ্তাহে এ পরিমাণ ছিল ৮৭ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার।
দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানি বেশি
বাজারের সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে ১৭৮টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে দর কমেছে ১৬৩টির। এ ছাড়া ৪৪টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত ছিল এবং ২৬টি কোম্পানির কোনো শেয়ার লেনদেন হয়নি।
বিভিন্ন বাজারে লেনদেন
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর ব্লক মার্কেটে ১১৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, এসএমই মার্কেটে ১৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা, অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং সরকারি সিকিউরিটিজে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।
-1794026973101-692631293.jpg&w=1920&q=75)
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১-৫ নভেম্বর) অধিকাংশ সূচকের পতনের পাশাপাশি কমেছে বাজার মূলধন। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৯২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। তবে এ সময়ে দৈনিক গড় লেনদেন ও মোট লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। একই সঙ্গে দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানির সংখ্যাও ছিল বেশি।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এ মূলধন ছিল ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৯২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বা শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।
এদিকে, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ হাজার ৪১৩ দশমিক ০৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচকটি ছিল ৫ হাজার ৪১৭ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইএক্স কমেছে ৪ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ০৮ শতাংশ।
অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১৮ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ কমে ২ হাজার ৬৮ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইএস সূচক ২ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪৭ দশমিক ৭১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এ ছাড়া ডিএসইর এসএমই সূচক ডিএসএমইএক্স ২৫ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ৯৪৫ দশমিক ১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেন
সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৫২৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল ৪৫০ কোটি ৭ লাখ টাকা। সে হিসাবে দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ১৭ দশমিক ০৫ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ২ হাজার ৬৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ২৫০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেনও বেড়েছে ১৭ দশমিক ০৫ শতাংশ।
এ সময়ে শেয়ার ও ইউনিটের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার। আগের সপ্তাহে এ পরিমাণ ছিল ৮৭ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার।
দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানি বেশি
বাজারের সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে ১৭৮টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে দর কমেছে ১৬৩টির। এ ছাড়া ৪৪টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত ছিল এবং ২৬টি কোম্পানির কোনো শেয়ার লেনদেন হয়নি।
বিভিন্ন বাজারে লেনদেন
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর ব্লক মার্কেটে ১১৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, এসএমই মার্কেটে ১৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা, অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং সরকারি সিকিউরিটিজে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।
-1794026973101-692631293.jpg&w=1920&q=75)
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১-৫ নভেম্বর) অধিকাংশ সূচকের পতনের পাশাপাশি কমেছে বাজার মূলধন। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৯২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। তবে এ সময়ে দৈনিক গড় লেনদেন ও মোট লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। একই সঙ্গে দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানির সংখ্যাও ছিল বেশি।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এ মূলধন ছিল ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৯২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বা শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।
এদিকে, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ হাজার ৪১৩ দশমিক ০৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচকটি ছিল ৫ হাজার ৪১৭ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইএক্স কমেছে ৪ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ০৮ শতাংশ।
অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১৮ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ কমে ২ হাজার ৬৮ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইএস সূচক ২ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪৭ দশমিক ৭১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এ ছাড়া ডিএসইর এসএমই সূচক ডিএসএমইএক্স ২৫ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ৯৪৫ দশমিক ১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেন
সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৫২৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল ৪৫০ কোটি ৭ লাখ টাকা। সে হিসাবে দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ১৭ দশমিক ০৫ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ২ হাজার ৬৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ২৫০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেনও বেড়েছে ১৭ দশমিক ০৫ শতাংশ।
এ সময়ে শেয়ার ও ইউনিটের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার। আগের সপ্তাহে এ পরিমাণ ছিল ৮৭ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার।
দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানি বেশি
বাজারের সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে ১৭৮টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে দর কমেছে ১৬৩টির। এ ছাড়া ৪৪টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত ছিল এবং ২৬টি কোম্পানির কোনো শেয়ার লেনদেন হয়নি।
বিভিন্ন বাজারে লেনদেন
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর ব্লক মার্কেটে ১১৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, এসএমই মার্কেটে ১৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা, অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং সরকারি সিকিউরিটিজে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।
-1794026973101-692631293.jpg&w=1920&q=75)
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বিদায়ী সপ্তাহে (১-৫ নভেম্বর) অধিকাংশ সূচকের পতনের পাশাপাশি কমেছে বাজার মূলধন। সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমেছে ৯২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা। তবে এ সময়ে দৈনিক গড় লেনদেন ও মোট লেনদেনের পরিমাণ বেড়েছে। একই সঙ্গে দরপতনের তুলনায় দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানির সংখ্যাও ছিল বেশি।
ডিএসইর সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় এ তথ্য জানা গেছে।
পর্যালোচনায় দেখা যায়, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৫৫৩ কোটি টাকা। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে এ মূলধন ছিল ৬ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭৬ কোটি টাকা। সে হিসাবে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজার মূলধন কমেছে ৯২২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা বা শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ।
এদিকে, সপ্তাহ শেষে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ৫ হাজার ৪১৩ দশমিক ০৪ পয়েন্টে অবস্থান করছে। আগের সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে সূচকটি ছিল ৫ হাজার ৪১৭ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে। অর্থাৎ এক সপ্তাহে ডিএসইএক্স কমেছে ৪ দশমিক ৪০ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ০৮ শতাংশ।
অন্যদিকে, ডিএসই-৩০ সূচক ১৮ দশমিক ২৩ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ৮৭ শতাংশ কমে ২ হাজার ৬৮ দশমিক ৬৩ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। ডিএসইএস সূচক ২ দশমিক ৯৬ পয়েন্ট বা শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ৪৭ দশমিক ৭১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।
এ ছাড়া ডিএসইর এসএমই সূচক ডিএসএমইএক্স ২৫ দশমিক ৬২ পয়েন্ট বা ২ দশমিক ৬৪ শতাংশ কমে ৯৪৫ দশমিক ১৯ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে।
বেড়েছে দৈনিক গড় লেনদেন
সাপ্তাহিক বাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে দৈনিক গড় লেনদেন হয়েছে ৫২৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা। আগের সপ্তাহে এর পরিমাণ ছিল ৪৫০ কোটি ৭ লাখ টাকা। সে হিসাবে দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে ১৭ দশমিক ০৫ শতাংশ।
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইতে মোট ২ হাজার ৬৩৩ কোটি ৯৬ লাখ টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছে। আগের সপ্তাহে মোট লেনদেনের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ২৫০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। সে হিসাবে মোট লেনদেনও বেড়েছে ১৭ দশমিক ০৫ শতাংশ।
এ সময়ে শেয়ার ও ইউনিটের মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৯ কোটি ৭৪ লাখ ৫০ হাজার। আগের সপ্তাহে এ পরিমাণ ছিল ৮৭ কোটি ১৩ লাখ ৩০ হাজার।
দরবৃদ্ধি পাওয়া কোম্পানি বেশি
বাজারের সার্বিক চিত্রে দেখা যায়, বিদায়ী সপ্তাহে ডিএসইতে ১৭৮টি কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে। বিপরীতে দর কমেছে ১৬৩টির। এ ছাড়া ৪৪টি কোম্পানির শেয়ারদর অপরিবর্তিত ছিল এবং ২৬টি কোম্পানির কোনো শেয়ার লেনদেন হয়নি।
বিভিন্ন বাজারে লেনদেন
সপ্তাহজুড়ে ডিএসইর ব্লক মার্কেটে ১১৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা, এসএমই মার্কেটে ১৮ কোটি ৯২ লাখ টাকা, অল্টারনেটিভ ট্রেডিং বোর্ডে (এটিবি) ৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এবং সরকারি সিকিউরিটিজে ১৪ লাখ ৭০ হাজার টাকার লেনদেন হয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!