আসন্ন গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে কিংবা বিপক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে তারা গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য দেওয়া ও সচেতন করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বা ‘না’-এর পক্ষে ভোট প্রদানের জন্য জনগণকে কোনোভাবেই আহ্বান জানাতে পারবেন না।
ইসি জানায়, এ ধরনের প্রচারণা গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। যা গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইন মেনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে।
আসন্ন গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে কিংবা বিপক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে তারা গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য দেওয়া ও সচেতন করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বা ‘না’-এর পক্ষে ভোট প্রদানের জন্য জনগণকে কোনোভাবেই আহ্বান জানাতে পারবেন না।
ইসি জানায়, এ ধরনের প্রচারণা গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। যা গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইন মেনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে।
আসন্ন গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে কিংবা বিপক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে তারা গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য দেওয়া ও সচেতন করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বা ‘না’-এর পক্ষে ভোট প্রদানের জন্য জনগণকে কোনোভাবেই আহ্বান জানাতে পারবেন না।
ইসি জানায়, এ ধরনের প্রচারণা গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। যা গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইন মেনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে।
আসন্ন গণভোটে সরকারি চাকরিজীবীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’-এর পক্ষে কিংবা বিপক্ষে কোনো ধরনের প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে তারা গণভোট সম্পর্কে জনগণকে তথ্য দেওয়া ও সচেতন করতে পারবেন।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) ইসির উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে এ নির্দেশনা জানানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োজিত কোনো ব্যক্তি গণভোট বিষয়ে জনগণকে অবহিত ও সচেতন করতে পারবেন। তবে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে বা ‘না’-এর পক্ষে ভোট প্রদানের জন্য জনগণকে কোনোভাবেই আহ্বান জানাতে পারবেন না।
ইসি জানায়, এ ধরনের প্রচারণা গণভোটের ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারে। যা গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫-এর ধারা ২১ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ৮৬ অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্ট সবাইকে আইন মেনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!