
সবাই তো আর পাকা রাঁধুনী নয়। কিন্তু বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেককেই নিজের রান্নাটা নিজে করে খেতে হয়। অনেকের ঘাড়ে আবার বাড়ির সবার খাবার রান্না করার দায়িত্বও থাকে। দেখা যায়, রান্না করতে গিয়ে অনেকটা সময় খরচ হয়ে যায়। কিন্তু সহজ কিছু কৌশল জানা থাকলে অল্প সময়েও রান্না সেরে ফেলা সম্ভব। আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক রান্নাঘরের কাজ সহজ করার কয়েকটি উপায়-
দ্রুত পানি ফোটান
পাস্তা, ভাত বা অন্য যেকোনো কিছু সেদ্ধ করার জন্য পানি ফোটাতে ইলেকট্রিক কেটলি ব্যবহার করুন, এতে প্রস্তুতির অনেকটা সময় বাঁচবে। শুধু রান্নার সময় পানিটা ঢেলে নিলেই হবে। নয়তো চুলায় পানি ফোটাতে দিলে বেশি সময় প্রয়োজন হবে। তাই সময় বাঁচাতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
রান্নার সময়ই পরিষ্কার করুন
অনেকে সব কাজ জমিয়ে একসঙ্গে করতে শুরু করেন। তাতে আরও অগোছালো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বরং রান্নার সময়ই ধোয়ার কাজটা শেষ করে ফেলুন। রান্না করতে গিয়ে যেসব পাত্র অপরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো তখনই ধুয়ে ফেলনু। সেইসঙ্গে রান্নাঘরের কাউন্টার, বেসিনও পরিষ্কার করে রাখুন। এতে আলাদা করে সময় খরচ করতে হবে না।
খাবারের জন্য সস তৈরি করুন
যেকোনো সাধারণ মানের খাবারও সস মিশিয়ে খেলে সুস্বাদু হয়ে ওঠে। তাই বাড়িতে সস তৈরি করে রাখতে পারেন। এতে রান্নার সময় আলাদা করে সস তৈরির প্রয়োজন হবে না। বিভিন্ন ধরনের সস তৈরি করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন, যা রেস্তোরাঁর মতো করে খাবার দ্রুত তৈরি করতেও সাহায্য করবে।
ভেষজ উপকরণের প্রস্তুতি
আদার বা রসুনের মতো ভেষজ উপকরণ ব্লেন্ড করে তার সঙ্গে তেল মিশিয়ে আইস কিউব ট্রেতে জমিয়ে রাখুন। এরপর যখনই প্রয়োজন হবে, পরিমাণ অনুযায়ী সহজে ব্যবহার করা যাবে। এতে বারবার বাটাবাটির ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন, সেইসঙ্গে বাঁচবে সময়ও। কাজ সহজ হয়ে যাবে অনেকটাই।

সবাই তো আর পাকা রাঁধুনী নয়। কিন্তু বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেককেই নিজের রান্নাটা নিজে করে খেতে হয়। অনেকের ঘাড়ে আবার বাড়ির সবার খাবার রান্না করার দায়িত্বও থাকে। দেখা যায়, রান্না করতে গিয়ে অনেকটা সময় খরচ হয়ে যায়। কিন্তু সহজ কিছু কৌশল জানা থাকলে অল্প সময়েও রান্না সেরে ফেলা সম্ভব। আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক রান্নাঘরের কাজ সহজ করার কয়েকটি উপায়-
দ্রুত পানি ফোটান
পাস্তা, ভাত বা অন্য যেকোনো কিছু সেদ্ধ করার জন্য পানি ফোটাতে ইলেকট্রিক কেটলি ব্যবহার করুন, এতে প্রস্তুতির অনেকটা সময় বাঁচবে। শুধু রান্নার সময় পানিটা ঢেলে নিলেই হবে। নয়তো চুলায় পানি ফোটাতে দিলে বেশি সময় প্রয়োজন হবে। তাই সময় বাঁচাতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
রান্নার সময়ই পরিষ্কার করুন
অনেকে সব কাজ জমিয়ে একসঙ্গে করতে শুরু করেন। তাতে আরও অগোছালো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বরং রান্নার সময়ই ধোয়ার কাজটা শেষ করে ফেলুন। রান্না করতে গিয়ে যেসব পাত্র অপরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো তখনই ধুয়ে ফেলনু। সেইসঙ্গে রান্নাঘরের কাউন্টার, বেসিনও পরিষ্কার করে রাখুন। এতে আলাদা করে সময় খরচ করতে হবে না।
খাবারের জন্য সস তৈরি করুন
যেকোনো সাধারণ মানের খাবারও সস মিশিয়ে খেলে সুস্বাদু হয়ে ওঠে। তাই বাড়িতে সস তৈরি করে রাখতে পারেন। এতে রান্নার সময় আলাদা করে সস তৈরির প্রয়োজন হবে না। বিভিন্ন ধরনের সস তৈরি করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন, যা রেস্তোরাঁর মতো করে খাবার দ্রুত তৈরি করতেও সাহায্য করবে।
ভেষজ উপকরণের প্রস্তুতি
আদার বা রসুনের মতো ভেষজ উপকরণ ব্লেন্ড করে তার সঙ্গে তেল মিশিয়ে আইস কিউব ট্রেতে জমিয়ে রাখুন। এরপর যখনই প্রয়োজন হবে, পরিমাণ অনুযায়ী সহজে ব্যবহার করা যাবে। এতে বারবার বাটাবাটির ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন, সেইসঙ্গে বাঁচবে সময়ও। কাজ সহজ হয়ে যাবে অনেকটাই।

সবাই তো আর পাকা রাঁধুনী নয়। কিন্তু বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেককেই নিজের রান্নাটা নিজে করে খেতে হয়। অনেকের ঘাড়ে আবার বাড়ির সবার খাবার রান্না করার দায়িত্বও থাকে। দেখা যায়, রান্না করতে গিয়ে অনেকটা সময় খরচ হয়ে যায়। কিন্তু সহজ কিছু কৌশল জানা থাকলে অল্প সময়েও রান্না সেরে ফেলা সম্ভব। আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক রান্নাঘরের কাজ সহজ করার কয়েকটি উপায়-
দ্রুত পানি ফোটান
পাস্তা, ভাত বা অন্য যেকোনো কিছু সেদ্ধ করার জন্য পানি ফোটাতে ইলেকট্রিক কেটলি ব্যবহার করুন, এতে প্রস্তুতির অনেকটা সময় বাঁচবে। শুধু রান্নার সময় পানিটা ঢেলে নিলেই হবে। নয়তো চুলায় পানি ফোটাতে দিলে বেশি সময় প্রয়োজন হবে। তাই সময় বাঁচাতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
রান্নার সময়ই পরিষ্কার করুন
অনেকে সব কাজ জমিয়ে একসঙ্গে করতে শুরু করেন। তাতে আরও অগোছালো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বরং রান্নার সময়ই ধোয়ার কাজটা শেষ করে ফেলুন। রান্না করতে গিয়ে যেসব পাত্র অপরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো তখনই ধুয়ে ফেলনু। সেইসঙ্গে রান্নাঘরের কাউন্টার, বেসিনও পরিষ্কার করে রাখুন। এতে আলাদা করে সময় খরচ করতে হবে না।
খাবারের জন্য সস তৈরি করুন
যেকোনো সাধারণ মানের খাবারও সস মিশিয়ে খেলে সুস্বাদু হয়ে ওঠে। তাই বাড়িতে সস তৈরি করে রাখতে পারেন। এতে রান্নার সময় আলাদা করে সস তৈরির প্রয়োজন হবে না। বিভিন্ন ধরনের সস তৈরি করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন, যা রেস্তোরাঁর মতো করে খাবার দ্রুত তৈরি করতেও সাহায্য করবে।
ভেষজ উপকরণের প্রস্তুতি
আদার বা রসুনের মতো ভেষজ উপকরণ ব্লেন্ড করে তার সঙ্গে তেল মিশিয়ে আইস কিউব ট্রেতে জমিয়ে রাখুন। এরপর যখনই প্রয়োজন হবে, পরিমাণ অনুযায়ী সহজে ব্যবহার করা যাবে। এতে বারবার বাটাবাটির ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন, সেইসঙ্গে বাঁচবে সময়ও। কাজ সহজ হয়ে যাবে অনেকটাই।

সবাই তো আর পাকা রাঁধুনী নয়। কিন্তু বর্তমান ব্যস্ত জীবনে অনেককেই নিজের রান্নাটা নিজে করে খেতে হয়। অনেকের ঘাড়ে আবার বাড়ির সবার খাবার রান্না করার দায়িত্বও থাকে। দেখা যায়, রান্না করতে গিয়ে অনেকটা সময় খরচ হয়ে যায়। কিন্তু সহজ কিছু কৌশল জানা থাকলে অল্প সময়েও রান্না সেরে ফেলা সম্ভব। আজ চলুন জেনে নেওয়া যাক রান্নাঘরের কাজ সহজ করার কয়েকটি উপায়-
দ্রুত পানি ফোটান
পাস্তা, ভাত বা অন্য যেকোনো কিছু সেদ্ধ করার জন্য পানি ফোটাতে ইলেকট্রিক কেটলি ব্যবহার করুন, এতে প্রস্তুতির অনেকটা সময় বাঁচবে। শুধু রান্নার সময় পানিটা ঢেলে নিলেই হবে। নয়তো চুলায় পানি ফোটাতে দিলে বেশি সময় প্রয়োজন হবে। তাই সময় বাঁচাতে এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে পারেন।
রান্নার সময়ই পরিষ্কার করুন
অনেকে সব কাজ জমিয়ে একসঙ্গে করতে শুরু করেন। তাতে আরও অগোছালো হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বরং রান্নার সময়ই ধোয়ার কাজটা শেষ করে ফেলুন। রান্না করতে গিয়ে যেসব পাত্র অপরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে, সেগুলো তখনই ধুয়ে ফেলনু। সেইসঙ্গে রান্নাঘরের কাউন্টার, বেসিনও পরিষ্কার করে রাখুন। এতে আলাদা করে সময় খরচ করতে হবে না।
খাবারের জন্য সস তৈরি করুন
যেকোনো সাধারণ মানের খাবারও সস মিশিয়ে খেলে সুস্বাদু হয়ে ওঠে। তাই বাড়িতে সস তৈরি করে রাখতে পারেন। এতে রান্নার সময় আলাদা করে সস তৈরির প্রয়োজন হবে না। বিভিন্ন ধরনের সস তৈরি করে ফ্রিজে সংরক্ষণ করুন, যা রেস্তোরাঁর মতো করে খাবার দ্রুত তৈরি করতেও সাহায্য করবে।
ভেষজ উপকরণের প্রস্তুতি
আদার বা রসুনের মতো ভেষজ উপকরণ ব্লেন্ড করে তার সঙ্গে তেল মিশিয়ে আইস কিউব ট্রেতে জমিয়ে রাখুন। এরপর যখনই প্রয়োজন হবে, পরিমাণ অনুযায়ী সহজে ব্যবহার করা যাবে। এতে বারবার বাটাবাটির ঝামেলা থেকে মুক্তি পাবেন, সেইসঙ্গে বাঁচবে সময়ও। কাজ সহজ হয়ে যাবে অনেকটাই।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!