রাজধানীর পল্লবীর ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের মধ্যে এক দম্পতি ও তাদের দুই সন্তান রয়েছে।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে ঋণসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিল। প্রাথমিকভাবে হতাশা থেকে আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে না।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজধানীর পল্লবীর ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের মধ্যে এক দম্পতি ও তাদের দুই সন্তান রয়েছে।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে ঋণসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিল। প্রাথমিকভাবে হতাশা থেকে আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে না।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজধানীর পল্লবীর ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের মধ্যে এক দম্পতি ও তাদের দুই সন্তান রয়েছে।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে ঋণসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিল। প্রাথমিকভাবে হতাশা থেকে আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে না।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রাজধানীর পল্লবীর ওয়াপদা বিহারী ক্যাম্প এলাকার একটি বাসা থেকে একই পরিবারের চারজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মরদেহগুলো উদ্ধার করা হয়।
পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আলমগীর জাহান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নিহতদের মধ্যে এক দম্পতি ও তাদের দুই সন্তান রয়েছে।
তিনি বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ও সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেছে। সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত শেষে মরদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি। তবে স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানিয়েছে, পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে ঋণসংক্রান্ত সমস্যায় ভুগছিল। প্রাথমিকভাবে হতাশা থেকে আত্মহত্যার ঘটনা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে না।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!