
রমজান মাসে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। সারাদিন পানি ও অন্যান্য তরল খাদ্য থেকে বিরত থাকা, খাদ্যাভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন, কম শারীরিক পরিশ্রম এবং আঁশজাতীয় খাবারের ঘাটতির কারণে এ সমস্যা প্রকট হতে পারে, বিশেষ করে যারা স্বাভাবিক সময়েও কম পানি পান করেন বা অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত, তাদের ক্ষেত্রে রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্য আরও বেড়ে যেতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য বলতে বোঝায় দীর্ঘ সময় ধরে (সাধারণত অন্তত ১২ সপ্তাহ, যা টানা না-ও হতে পারে) মলত্যাগে বাধা সৃষ্টি হওয়া বা স্বাভাবিকের তুলনায় কষ্টসাধ্য মলত্যাগ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, যেসব লক্ষণগুলোর অন্তত দুটি উপস্থিত থাকলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা যায় তা হলো- মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ করতে হওয়া এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগা (মোট সময়ের ২৫ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে), মলত্যাগ সম্পূর্ণ না হওয়ার অনুভূতি থাকা, মলত্যাগের পথে বাধা অনুভব করা, অথবা সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ হওয়া।
রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রথমেই রোগীকে আশ্বস্ত করা জরুরি। অনেক সময় সামান্য খাদ্য ও জীবনযাপনের পরিবর্তনেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে, বিশেষ করে সেহরির পর বা সকালে মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো। টয়লেটে বসার সময় হাঁটু সামান্য ভাঁজ করে (স্কোয়াটিং ভঙ্গিতে) বসলে মলত্যাগ সহজ হয়। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি আঁশজাতীয় খাদ্য, শাকসবজি ও ফলমূলের পরিমাণ বাড়াতে হবে। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি অন্ত্রের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে সহায়ক। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ল্যাকটুলোজ বা ম্যাগনেসিয়ামজাতীয় মল নরম রাখার ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৪ গ্রাম আঁশ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, এক কাপ পাতাকপিতে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে, তাহলে প্রয়োজন মেটাতে প্রায় ৬ কাপ লাগতে পারে। এক কাপ মটরশুঁটিতে প্রায় ৮ গ্রাম আঁশ থাকে। সেই হিসেবে ৩ কাপ যথেষ্ট। এক কাপ গাজরে প্রায় ৫ গ্রাম আঁশ থাকে। প্রায় ৫ কাপ গাজর থেকে চাহিদা পূরণ হতে পারে। একটি কলায় গড়ে ৩ গ্রাম আঁশ থাকে, অর্থাৎ প্রায় ৮টি কলা সমপরিমাণ আঁশ দিতে পারে। একটি মাঝারি আকারের আপেলে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে। সেই হিসেবে ৬টি আপেল থেকে ২৪ গ্রাম আঁশ পাওয়া সম্ভব। তবে বাস্তবে একক কোনো খাবার থেকে পুরো আঁশের চাহিদা পূরণ না করে বিভিন্ন উৎস থেকে সমন্বিতভাবে আঁশ গ্রহণ করাই উত্তম।
সমাধান হিসেবে সেহরি ও ইফতারে পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত খাবার, শাকসবজি, ফলমূল এবং ইসবগুলের ভুষি গ্রহণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাদ্য গ্রহণে গুরুত্ব দিতে হবে। সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা তীব্র আকার ধারণ করলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
লেখক : শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশু বিভাগ
হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, মগবাজার, ঢাকা
চেম্বার : পপুলার ফার্মেসি, বড় মগবাজার চৌরাস্তা, ঢাকা
যোগাযোগ : ০১৭১৫২৮৫৫৫৫৯

রমজান মাসে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। সারাদিন পানি ও অন্যান্য তরল খাদ্য থেকে বিরত থাকা, খাদ্যাভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন, কম শারীরিক পরিশ্রম এবং আঁশজাতীয় খাবারের ঘাটতির কারণে এ সমস্যা প্রকট হতে পারে, বিশেষ করে যারা স্বাভাবিক সময়েও কম পানি পান করেন বা অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত, তাদের ক্ষেত্রে রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্য আরও বেড়ে যেতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য বলতে বোঝায় দীর্ঘ সময় ধরে (সাধারণত অন্তত ১২ সপ্তাহ, যা টানা না-ও হতে পারে) মলত্যাগে বাধা সৃষ্টি হওয়া বা স্বাভাবিকের তুলনায় কষ্টসাধ্য মলত্যাগ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, যেসব লক্ষণগুলোর অন্তত দুটি উপস্থিত থাকলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা যায় তা হলো- মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ করতে হওয়া এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগা (মোট সময়ের ২৫ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে), মলত্যাগ সম্পূর্ণ না হওয়ার অনুভূতি থাকা, মলত্যাগের পথে বাধা অনুভব করা, অথবা সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ হওয়া।
রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রথমেই রোগীকে আশ্বস্ত করা জরুরি। অনেক সময় সামান্য খাদ্য ও জীবনযাপনের পরিবর্তনেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে, বিশেষ করে সেহরির পর বা সকালে মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো। টয়লেটে বসার সময় হাঁটু সামান্য ভাঁজ করে (স্কোয়াটিং ভঙ্গিতে) বসলে মলত্যাগ সহজ হয়। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি আঁশজাতীয় খাদ্য, শাকসবজি ও ফলমূলের পরিমাণ বাড়াতে হবে। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি অন্ত্রের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে সহায়ক। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ল্যাকটুলোজ বা ম্যাগনেসিয়ামজাতীয় মল নরম রাখার ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৪ গ্রাম আঁশ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, এক কাপ পাতাকপিতে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে, তাহলে প্রয়োজন মেটাতে প্রায় ৬ কাপ লাগতে পারে। এক কাপ মটরশুঁটিতে প্রায় ৮ গ্রাম আঁশ থাকে। সেই হিসেবে ৩ কাপ যথেষ্ট। এক কাপ গাজরে প্রায় ৫ গ্রাম আঁশ থাকে। প্রায় ৫ কাপ গাজর থেকে চাহিদা পূরণ হতে পারে। একটি কলায় গড়ে ৩ গ্রাম আঁশ থাকে, অর্থাৎ প্রায় ৮টি কলা সমপরিমাণ আঁশ দিতে পারে। একটি মাঝারি আকারের আপেলে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে। সেই হিসেবে ৬টি আপেল থেকে ২৪ গ্রাম আঁশ পাওয়া সম্ভব। তবে বাস্তবে একক কোনো খাবার থেকে পুরো আঁশের চাহিদা পূরণ না করে বিভিন্ন উৎস থেকে সমন্বিতভাবে আঁশ গ্রহণ করাই উত্তম।
সমাধান হিসেবে সেহরি ও ইফতারে পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত খাবার, শাকসবজি, ফলমূল এবং ইসবগুলের ভুষি গ্রহণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাদ্য গ্রহণে গুরুত্ব দিতে হবে। সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা তীব্র আকার ধারণ করলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
লেখক : শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশু বিভাগ
হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, মগবাজার, ঢাকা
চেম্বার : পপুলার ফার্মেসি, বড় মগবাজার চৌরাস্তা, ঢাকা
যোগাযোগ : ০১৭১৫২৮৫৫৫৫৯

রমজান মাসে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। সারাদিন পানি ও অন্যান্য তরল খাদ্য থেকে বিরত থাকা, খাদ্যাভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন, কম শারীরিক পরিশ্রম এবং আঁশজাতীয় খাবারের ঘাটতির কারণে এ সমস্যা প্রকট হতে পারে, বিশেষ করে যারা স্বাভাবিক সময়েও কম পানি পান করেন বা অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত, তাদের ক্ষেত্রে রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্য আরও বেড়ে যেতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য বলতে বোঝায় দীর্ঘ সময় ধরে (সাধারণত অন্তত ১২ সপ্তাহ, যা টানা না-ও হতে পারে) মলত্যাগে বাধা সৃষ্টি হওয়া বা স্বাভাবিকের তুলনায় কষ্টসাধ্য মলত্যাগ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, যেসব লক্ষণগুলোর অন্তত দুটি উপস্থিত থাকলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা যায় তা হলো- মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ করতে হওয়া এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগা (মোট সময়ের ২৫ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে), মলত্যাগ সম্পূর্ণ না হওয়ার অনুভূতি থাকা, মলত্যাগের পথে বাধা অনুভব করা, অথবা সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ হওয়া।
রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রথমেই রোগীকে আশ্বস্ত করা জরুরি। অনেক সময় সামান্য খাদ্য ও জীবনযাপনের পরিবর্তনেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে, বিশেষ করে সেহরির পর বা সকালে মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো। টয়লেটে বসার সময় হাঁটু সামান্য ভাঁজ করে (স্কোয়াটিং ভঙ্গিতে) বসলে মলত্যাগ সহজ হয়। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি আঁশজাতীয় খাদ্য, শাকসবজি ও ফলমূলের পরিমাণ বাড়াতে হবে। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি অন্ত্রের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে সহায়ক। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ল্যাকটুলোজ বা ম্যাগনেসিয়ামজাতীয় মল নরম রাখার ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৪ গ্রাম আঁশ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, এক কাপ পাতাকপিতে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে, তাহলে প্রয়োজন মেটাতে প্রায় ৬ কাপ লাগতে পারে। এক কাপ মটরশুঁটিতে প্রায় ৮ গ্রাম আঁশ থাকে। সেই হিসেবে ৩ কাপ যথেষ্ট। এক কাপ গাজরে প্রায় ৫ গ্রাম আঁশ থাকে। প্রায় ৫ কাপ গাজর থেকে চাহিদা পূরণ হতে পারে। একটি কলায় গড়ে ৩ গ্রাম আঁশ থাকে, অর্থাৎ প্রায় ৮টি কলা সমপরিমাণ আঁশ দিতে পারে। একটি মাঝারি আকারের আপেলে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে। সেই হিসেবে ৬টি আপেল থেকে ২৪ গ্রাম আঁশ পাওয়া সম্ভব। তবে বাস্তবে একক কোনো খাবার থেকে পুরো আঁশের চাহিদা পূরণ না করে বিভিন্ন উৎস থেকে সমন্বিতভাবে আঁশ গ্রহণ করাই উত্তম।
সমাধান হিসেবে সেহরি ও ইফতারে পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত খাবার, শাকসবজি, ফলমূল এবং ইসবগুলের ভুষি গ্রহণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাদ্য গ্রহণে গুরুত্ব দিতে হবে। সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা তীব্র আকার ধারণ করলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
লেখক : শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশু বিভাগ
হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, মগবাজার, ঢাকা
চেম্বার : পপুলার ফার্মেসি, বড় মগবাজার চৌরাস্তা, ঢাকা
যোগাযোগ : ০১৭১৫২৮৫৫৫৫৯

রমজান মাসে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা তুলনামূলকভাবে বেশি দেখা যায়। সারাদিন পানি ও অন্যান্য তরল খাদ্য থেকে বিরত থাকা, খাদ্যাভ্যাসে হঠাৎ পরিবর্তন, কম শারীরিক পরিশ্রম এবং আঁশজাতীয় খাবারের ঘাটতির কারণে এ সমস্যা প্রকট হতে পারে, বিশেষ করে যারা স্বাভাবিক সময়েও কম পানি পান করেন বা অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে অভ্যস্ত, তাদের ক্ষেত্রে রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্য আরও বেড়ে যেতে পারে।
কোষ্ঠকাঠিন্য বলতে বোঝায় দীর্ঘ সময় ধরে (সাধারণত অন্তত ১২ সপ্তাহ, যা টানা না-ও হতে পারে) মলত্যাগে বাধা সৃষ্টি হওয়া বা স্বাভাবিকের তুলনায় কষ্টসাধ্য মলত্যাগ। চিকিৎসাবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে, যেসব লক্ষণগুলোর অন্তত দুটি উপস্থিত থাকলে তাকে কোষ্ঠকাঠিন্য বলা যায় তা হলো- মলত্যাগের সময় অতিরিক্ত জোর প্রয়োগ করতে হওয়া এবং স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগা (মোট সময়ের ২৫ শতাংশের বেশি ক্ষেত্রে), মলত্যাগ সম্পূর্ণ না হওয়ার অনুভূতি থাকা, মলত্যাগের পথে বাধা অনুভব করা, অথবা সপ্তাহে তিনবারের কম মলত্যাগ হওয়া।
রমজানে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ ও চিকিৎসার ক্ষেত্রে প্রথমেই রোগীকে আশ্বস্ত করা জরুরি। অনেক সময় সামান্য খাদ্য ও জীবনযাপনের পরিবর্তনেই সমস্যার সমাধান সম্ভব। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে, বিশেষ করে সেহরির পর বা সকালে মলত্যাগের অভ্যাস গড়ে তোলা ভালো। টয়লেটে বসার সময় হাঁটু সামান্য ভাঁজ করে (স্কোয়াটিং ভঙ্গিতে) বসলে মলত্যাগ সহজ হয়। ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি আঁশজাতীয় খাদ্য, শাকসবজি ও ফলমূলের পরিমাণ বাড়াতে হবে। নিয়মিত হালকা ব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি অন্ত্রের স্বাভাবিক গতি বজায় রাখতে সহায়ক। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শে ল্যাকটুলোজ বা ম্যাগনেসিয়ামজাতীয় মল নরম রাখার ওষুধ সেবন করা যেতে পারে।
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রতিদিন গড়ে প্রায় ২৪ গ্রাম আঁশ গ্রহণের পরামর্শ দেওয়া হয়। উদাহরণস্বরূপ, এক কাপ পাতাকপিতে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে, তাহলে প্রয়োজন মেটাতে প্রায় ৬ কাপ লাগতে পারে। এক কাপ মটরশুঁটিতে প্রায় ৮ গ্রাম আঁশ থাকে। সেই হিসেবে ৩ কাপ যথেষ্ট। এক কাপ গাজরে প্রায় ৫ গ্রাম আঁশ থাকে। প্রায় ৫ কাপ গাজর থেকে চাহিদা পূরণ হতে পারে। একটি কলায় গড়ে ৩ গ্রাম আঁশ থাকে, অর্থাৎ প্রায় ৮টি কলা সমপরিমাণ আঁশ দিতে পারে। একটি মাঝারি আকারের আপেলে প্রায় ৪ গ্রাম আঁশ থাকে। সেই হিসেবে ৬টি আপেল থেকে ২৪ গ্রাম আঁশ পাওয়া সম্ভব। তবে বাস্তবে একক কোনো খাবার থেকে পুরো আঁশের চাহিদা পূরণ না করে বিভিন্ন উৎস থেকে সমন্বিতভাবে আঁশ গ্রহণ করাই উত্তম।
সমাধান হিসেবে সেহরি ও ইফতারে পর্যাপ্ত আঁশযুক্ত খাবার, শাকসবজি, ফলমূল এবং ইসবগুলের ভুষি গ্রহণ করা যেতে পারে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি ও তরল খাদ্য গ্রহণে গুরুত্ব দিতে হবে। সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হলে বা তীব্র আকার ধারণ করলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
লেখক : শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ, শিশু বিভাগ
হলি ফ্যামিলি হাসপাতাল, মগবাজার, ঢাকা
চেম্বার : পপুলার ফার্মেসি, বড় মগবাজার চৌরাস্তা, ঢাকা
যোগাযোগ : ০১৭১৫২৮৫৫৫৫৯
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!