
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায় ঘোষণার আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে হাজতখানা থেকে ইনুকে এজলাসে আনা হয়। দুপুর ২টার কিছু আগে আদালত রায় পড়া শুরু করেন।
এজলাসে তোলার সময় ইনু পুলিশ সদস্যদের তার হাত না ধরতে বলেন। পরে সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি ও কফি রঙের জুতা পরিহিত অবস্থায় তিনি আসামির কাঠগড়ায় বসে রায় শোনেন।
এর আগে গত ২২ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেন। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে গত ১৪ মে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও ফারুক আহাম্মদ। অন্যদিকে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও সিফাত মাহমুদ।
শুনানিতে প্রসিকিউশনের দাবি ছিল, ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। অন্যদিকে আসামিপক্ষ অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি দাবি করে তাকে খালাস দেওয়ার আবেদন জানায়।
সব পক্ষের শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায় ঘোষণার আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে হাজতখানা থেকে ইনুকে এজলাসে আনা হয়। দুপুর ২টার কিছু আগে আদালত রায় পড়া শুরু করেন।
এজলাসে তোলার সময় ইনু পুলিশ সদস্যদের তার হাত না ধরতে বলেন। পরে সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি ও কফি রঙের জুতা পরিহিত অবস্থায় তিনি আসামির কাঠগড়ায় বসে রায় শোনেন।
এর আগে গত ২২ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেন। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে গত ১৪ মে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও ফারুক আহাম্মদ। অন্যদিকে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও সিফাত মাহমুদ।
শুনানিতে প্রসিকিউশনের দাবি ছিল, ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। অন্যদিকে আসামিপক্ষ অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি দাবি করে তাকে খালাস দেওয়ার আবেদন জানায়।
সব পক্ষের শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায় ঘোষণার আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে হাজতখানা থেকে ইনুকে এজলাসে আনা হয়। দুপুর ২টার কিছু আগে আদালত রায় পড়া শুরু করেন।
এজলাসে তোলার সময় ইনু পুলিশ সদস্যদের তার হাত না ধরতে বলেন। পরে সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি ও কফি রঙের জুতা পরিহিত অবস্থায় তিনি আসামির কাঠগড়ায় বসে রায় শোনেন।
এর আগে গত ২২ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেন। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে গত ১৪ মে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও ফারুক আহাম্মদ। অন্যদিকে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও সিফাত মাহমুদ।
শুনানিতে প্রসিকিউশনের দাবি ছিল, ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। অন্যদিকে আসামিপক্ষ অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি দাবি করে তাকে খালাস দেওয়ার আবেদন জানায়।
সব পক্ষের শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে হত্যাসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক তথ্যমন্ত্রী ও জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জাসদ) সভাপতি হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং জেলা ও দায়রা জজ নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায় ঘোষণার আগে দুপুর পৌনে ২টার দিকে হাজতখানা থেকে ইনুকে এজলাসে আনা হয়। দুপুর ২টার কিছু আগে আদালত রায় পড়া শুরু করেন।
এজলাসে তোলার সময় ইনু পুলিশ সদস্যদের তার হাত না ধরতে বলেন। পরে সাদা পায়জামা-পাঞ্জাবি ও কফি রঙের জুতা পরিহিত অবস্থায় তিনি আসামির কাঠগড়ায় বসে রায় শোনেন।
এর আগে গত ২২ জুন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ মামলার রায় ঘোষণার জন্য ৩০ জুন দিন ধার্য করেন। প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষের দীর্ঘ শুনানি শেষে গত ১৪ মে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ (সিএভি) রাখা হয়েছিল।
রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে অংশ নেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম, প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম ও ফারুক আহাম্মদ। অন্যদিকে আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুনসুরুল হক চৌধুরী ও সিফাত মাহমুদ।
শুনানিতে প্রসিকিউশনের দাবি ছিল, ইনুর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং তার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড হওয়া উচিত। অন্যদিকে আসামিপক্ষ অভিযোগ প্রমাণিত হয়নি দাবি করে তাকে খালাস দেওয়ার আবেদন জানায়।
সব পক্ষের শুনানি শেষে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ হাসানুল হক ইনুকে ১০ বছরের কারাদণ্ডের রায় দেন।
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!