-1770707381619-421582592.png&w=1920&q=75)
নির্বাচন মানেই সাধারণত দল, প্রতীক, জোট আর প্রতিশ্রুতির প্রতিযোগিতা। কিন্তু নীলফামারীতে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ভিন্ন এক ধারণ- উন্নয়নকে সামনে রেখে নাগরিকদের ঐক্য। সেই ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে ‘নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ’।
আয়োজকদের দাবি, এটি কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। বরং জেলার মানুষকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। প্রকৌশলী, চিকিৎসক, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, উদ্যোক্তা, চাকরিজীবী- নানা পেশার মানুষ এখানে একসাথে বসছেন একটি প্রশ্ন নিয়ে- 'আগামী পাঁচ বছরে নীলফামারী কোথায় দাঁড়াবে?'
অবহেলার ইতিহাস, প্রত্যাশার সূচনা
উত্তরের এই জনপদ দীর্ঘদিন ধরেই অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক পিছিয়ে পড়ার অভিযোগ বহন করছে। শিল্প নেই বললেই চলে, কর্মসংস্থান সীমিত, বিশেষায়িত চিকিৎসা পেতে যেতে হয় রংপুরে, উচ্চশিক্ষার জন্য দিনাজপুর বা ঢাকায় ছুটতে হয় তরুণদের।
স্থানীয়দের ভাষায়, সরকার পাল্টায়, প্রতিশ্রুতি পাল্টায়, কিন্তু বাস্তবতা খুব বেশি বদলায় না। এই বাস্তবতার পরিবর্তনই মঞ্চটির মূল লক্ষ্য।
একজন উদ্যোক্তা, একজন নাগরিক উদ্যোগের মুখ
মঞ্চের আহ্বায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেনিন। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। পেশাগত জীবনে প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিতি যেমন আছে, তেমনি শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ করছেন দীর্ঘদিন। তাঁর নীলসাগর গ্রুপ স্থানীয়ভাবে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রান্তিক মানুষের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে যাচ্ছে বহুদিন ধরে। নীলফামারীর কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর এবং নীলসাগর গ্রুপের অবদান অসামান্য।
-1770708015459-865502649.jpeg)
নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেনিন মনে করেন, একটি জনপদের উন্নয়নে সবচেয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি।
তিনি বলেন, 'ভোটের আগে নাগরিকদের উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণ করা গেলে নির্বাচিত প্রতিনিধি সেই পরিকল্পনার প্রতি দায়বদ্ধ থাকবেন। আর এবার আমরা তেমনি একজন যোগ্য প্রতিনিধি পাবো বলে আমার বিশ্বাস। যিনি সৎ, যোগ্য, মেধাবী এবং নীলফামারীর উন্নয়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। একজন প্রৌকশলী ও শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে সার্বিক দিক বিবেচনা করে আমরা মনে করছি নীলফামারী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী জনাব শানরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন হবেন সেই যোগ্য জনপ্রতিনিধি।'

তার বক্তব্য পরিষ্কার- নির্বাচন হোক উন্নয়নের ভিত্তিতে, ব্যক্তি বা দলের আনুগত্যের ভিত্তিতে নয়।
নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ ইতিমধ্যে কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করেছে-
শিল্প ও কর্মসংস্থান
আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামো
কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান
কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প
যোগাযোগ ও নগর পরিকল্পনা
ভোট আর উন্নয়নকে এক সূত্রে বাঁধার
চেষ্টা বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে সাধারণত দলীয় পরিচয়ই মুখ্য থাকে। নীলফামারীর এই উদ্যোগ সেই ধারাকে কিছুটা বদলানোর চেষ্টা করছে। এখানে লক্ষ্য ব্যক্তি নয়, পরিকল্পনা; প্রতীক নয়, কর্মপরিকল্পনা।
মঞ্চের উদ্যোক্তাদের ধারণা, যদি নাগরিকরা আগে উন্নয়নের দাবি নির্ধারণ করেন, তবে নির্বাচিত প্রতিনিধি ব্যক্তিগত বা দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে অন্তত কিছু বিষয়ে বাধ্য থাকবেন।
অর্থাৎ, এই উদ্যোগের মূল বার্তা- নির্বাচনে জয়ী হওয়া মানেই শুধু সংসদে যাওয়া নয়, একটি নির্দিষ্ট উন্নয়ন চুক্তির দায়িত্ব নেওয়া।
নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত
নীলফামারীতে এটি কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নভিত্তিক নাগরিক ঐক্যের আলোচনা শুরু হয়েছে। যদি ভোটের আগে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে জনমত তৈরি হয়, তাহলে নির্বাচনের ফলাফল শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, উন্নয়নের দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করতে পারে।
সেই কারণেই নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ এখন কেবল একটি সংগঠন নয়, বরং একটি প্রশ্ন- ভোট কি প্রতীকের জন্য, নাকি উন্নত ভবিষ্যতের জন্য?
-1770707381619-421582592.png&w=1920&q=75)
নির্বাচন মানেই সাধারণত দল, প্রতীক, জোট আর প্রতিশ্রুতির প্রতিযোগিতা। কিন্তু নীলফামারীতে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ভিন্ন এক ধারণ- উন্নয়নকে সামনে রেখে নাগরিকদের ঐক্য। সেই ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে ‘নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ’।
আয়োজকদের দাবি, এটি কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। বরং জেলার মানুষকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। প্রকৌশলী, চিকিৎসক, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, উদ্যোক্তা, চাকরিজীবী- নানা পেশার মানুষ এখানে একসাথে বসছেন একটি প্রশ্ন নিয়ে- 'আগামী পাঁচ বছরে নীলফামারী কোথায় দাঁড়াবে?'
অবহেলার ইতিহাস, প্রত্যাশার সূচনা
উত্তরের এই জনপদ দীর্ঘদিন ধরেই অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক পিছিয়ে পড়ার অভিযোগ বহন করছে। শিল্প নেই বললেই চলে, কর্মসংস্থান সীমিত, বিশেষায়িত চিকিৎসা পেতে যেতে হয় রংপুরে, উচ্চশিক্ষার জন্য দিনাজপুর বা ঢাকায় ছুটতে হয় তরুণদের।
স্থানীয়দের ভাষায়, সরকার পাল্টায়, প্রতিশ্রুতি পাল্টায়, কিন্তু বাস্তবতা খুব বেশি বদলায় না। এই বাস্তবতার পরিবর্তনই মঞ্চটির মূল লক্ষ্য।
একজন উদ্যোক্তা, একজন নাগরিক উদ্যোগের মুখ
মঞ্চের আহ্বায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেনিন। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। পেশাগত জীবনে প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিতি যেমন আছে, তেমনি শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ করছেন দীর্ঘদিন। তাঁর নীলসাগর গ্রুপ স্থানীয়ভাবে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রান্তিক মানুষের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে যাচ্ছে বহুদিন ধরে। নীলফামারীর কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর এবং নীলসাগর গ্রুপের অবদান অসামান্য।
-1770708015459-865502649.jpeg)
নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেনিন মনে করেন, একটি জনপদের উন্নয়নে সবচেয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি।
তিনি বলেন, 'ভোটের আগে নাগরিকদের উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণ করা গেলে নির্বাচিত প্রতিনিধি সেই পরিকল্পনার প্রতি দায়বদ্ধ থাকবেন। আর এবার আমরা তেমনি একজন যোগ্য প্রতিনিধি পাবো বলে আমার বিশ্বাস। যিনি সৎ, যোগ্য, মেধাবী এবং নীলফামারীর উন্নয়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। একজন প্রৌকশলী ও শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে সার্বিক দিক বিবেচনা করে আমরা মনে করছি নীলফামারী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী জনাব শানরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন হবেন সেই যোগ্য জনপ্রতিনিধি।'

তার বক্তব্য পরিষ্কার- নির্বাচন হোক উন্নয়নের ভিত্তিতে, ব্যক্তি বা দলের আনুগত্যের ভিত্তিতে নয়।
নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ ইতিমধ্যে কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করেছে-
শিল্প ও কর্মসংস্থান
আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামো
কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান
কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প
যোগাযোগ ও নগর পরিকল্পনা
ভোট আর উন্নয়নকে এক সূত্রে বাঁধার
চেষ্টা বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে সাধারণত দলীয় পরিচয়ই মুখ্য থাকে। নীলফামারীর এই উদ্যোগ সেই ধারাকে কিছুটা বদলানোর চেষ্টা করছে। এখানে লক্ষ্য ব্যক্তি নয়, পরিকল্পনা; প্রতীক নয়, কর্মপরিকল্পনা।
মঞ্চের উদ্যোক্তাদের ধারণা, যদি নাগরিকরা আগে উন্নয়নের দাবি নির্ধারণ করেন, তবে নির্বাচিত প্রতিনিধি ব্যক্তিগত বা দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে অন্তত কিছু বিষয়ে বাধ্য থাকবেন।
অর্থাৎ, এই উদ্যোগের মূল বার্তা- নির্বাচনে জয়ী হওয়া মানেই শুধু সংসদে যাওয়া নয়, একটি নির্দিষ্ট উন্নয়ন চুক্তির দায়িত্ব নেওয়া।
নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত
নীলফামারীতে এটি কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নভিত্তিক নাগরিক ঐক্যের আলোচনা শুরু হয়েছে। যদি ভোটের আগে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে জনমত তৈরি হয়, তাহলে নির্বাচনের ফলাফল শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, উন্নয়নের দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করতে পারে।
সেই কারণেই নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ এখন কেবল একটি সংগঠন নয়, বরং একটি প্রশ্ন- ভোট কি প্রতীকের জন্য, নাকি উন্নত ভবিষ্যতের জন্য?
-1770707381619-421582592.png&w=1920&q=75)
নির্বাচন মানেই সাধারণত দল, প্রতীক, জোট আর প্রতিশ্রুতির প্রতিযোগিতা। কিন্তু নীলফামারীতে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ভিন্ন এক ধারণ- উন্নয়নকে সামনে রেখে নাগরিকদের ঐক্য। সেই ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে ‘নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ’।
আয়োজকদের দাবি, এটি কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। বরং জেলার মানুষকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। প্রকৌশলী, চিকিৎসক, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, উদ্যোক্তা, চাকরিজীবী- নানা পেশার মানুষ এখানে একসাথে বসছেন একটি প্রশ্ন নিয়ে- 'আগামী পাঁচ বছরে নীলফামারী কোথায় দাঁড়াবে?'
অবহেলার ইতিহাস, প্রত্যাশার সূচনা
উত্তরের এই জনপদ দীর্ঘদিন ধরেই অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক পিছিয়ে পড়ার অভিযোগ বহন করছে। শিল্প নেই বললেই চলে, কর্মসংস্থান সীমিত, বিশেষায়িত চিকিৎসা পেতে যেতে হয় রংপুরে, উচ্চশিক্ষার জন্য দিনাজপুর বা ঢাকায় ছুটতে হয় তরুণদের।
স্থানীয়দের ভাষায়, সরকার পাল্টায়, প্রতিশ্রুতি পাল্টায়, কিন্তু বাস্তবতা খুব বেশি বদলায় না। এই বাস্তবতার পরিবর্তনই মঞ্চটির মূল লক্ষ্য।
একজন উদ্যোক্তা, একজন নাগরিক উদ্যোগের মুখ
মঞ্চের আহ্বায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেনিন। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। পেশাগত জীবনে প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিতি যেমন আছে, তেমনি শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ করছেন দীর্ঘদিন। তাঁর নীলসাগর গ্রুপ স্থানীয়ভাবে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রান্তিক মানুষের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে যাচ্ছে বহুদিন ধরে। নীলফামারীর কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর এবং নীলসাগর গ্রুপের অবদান অসামান্য।
-1770708015459-865502649.jpeg)
নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেনিন মনে করেন, একটি জনপদের উন্নয়নে সবচেয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি।
তিনি বলেন, 'ভোটের আগে নাগরিকদের উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণ করা গেলে নির্বাচিত প্রতিনিধি সেই পরিকল্পনার প্রতি দায়বদ্ধ থাকবেন। আর এবার আমরা তেমনি একজন যোগ্য প্রতিনিধি পাবো বলে আমার বিশ্বাস। যিনি সৎ, যোগ্য, মেধাবী এবং নীলফামারীর উন্নয়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। একজন প্রৌকশলী ও শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে সার্বিক দিক বিবেচনা করে আমরা মনে করছি নীলফামারী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী জনাব শানরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন হবেন সেই যোগ্য জনপ্রতিনিধি।'

তার বক্তব্য পরিষ্কার- নির্বাচন হোক উন্নয়নের ভিত্তিতে, ব্যক্তি বা দলের আনুগত্যের ভিত্তিতে নয়।
নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ ইতিমধ্যে কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করেছে-
শিল্প ও কর্মসংস্থান
আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামো
কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান
কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প
যোগাযোগ ও নগর পরিকল্পনা
ভোট আর উন্নয়নকে এক সূত্রে বাঁধার
চেষ্টা বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে সাধারণত দলীয় পরিচয়ই মুখ্য থাকে। নীলফামারীর এই উদ্যোগ সেই ধারাকে কিছুটা বদলানোর চেষ্টা করছে। এখানে লক্ষ্য ব্যক্তি নয়, পরিকল্পনা; প্রতীক নয়, কর্মপরিকল্পনা।
মঞ্চের উদ্যোক্তাদের ধারণা, যদি নাগরিকরা আগে উন্নয়নের দাবি নির্ধারণ করেন, তবে নির্বাচিত প্রতিনিধি ব্যক্তিগত বা দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে অন্তত কিছু বিষয়ে বাধ্য থাকবেন।
অর্থাৎ, এই উদ্যোগের মূল বার্তা- নির্বাচনে জয়ী হওয়া মানেই শুধু সংসদে যাওয়া নয়, একটি নির্দিষ্ট উন্নয়ন চুক্তির দায়িত্ব নেওয়া।
নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত
নীলফামারীতে এটি কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নভিত্তিক নাগরিক ঐক্যের আলোচনা শুরু হয়েছে। যদি ভোটের আগে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে জনমত তৈরি হয়, তাহলে নির্বাচনের ফলাফল শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, উন্নয়নের দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করতে পারে।
সেই কারণেই নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ এখন কেবল একটি সংগঠন নয়, বরং একটি প্রশ্ন- ভোট কি প্রতীকের জন্য, নাকি উন্নত ভবিষ্যতের জন্য?
-1770707381619-421582592.png&w=1920&q=75)
নির্বাচন মানেই সাধারণত দল, প্রতীক, জোট আর প্রতিশ্রুতির প্রতিযোগিতা। কিন্তু নীলফামারীতে এবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছে ভিন্ন এক ধারণ- উন্নয়নকে সামনে রেখে নাগরিকদের ঐক্য। সেই ভাবনা থেকেই গড়ে উঠেছে ‘নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ’।
আয়োজকদের দাবি, এটি কোনো রাজনৈতিক সংগঠন নয়। বরং জেলার মানুষকে নিয়ে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার একটি নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। প্রকৌশলী, চিকিৎসক, শিক্ষক, আইনজীবী, সাংবাদিক, উদ্যোক্তা, চাকরিজীবী- নানা পেশার মানুষ এখানে একসাথে বসছেন একটি প্রশ্ন নিয়ে- 'আগামী পাঁচ বছরে নীলফামারী কোথায় দাঁড়াবে?'
অবহেলার ইতিহাস, প্রত্যাশার সূচনা
উত্তরের এই জনপদ দীর্ঘদিন ধরেই অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক পিছিয়ে পড়ার অভিযোগ বহন করছে। শিল্প নেই বললেই চলে, কর্মসংস্থান সীমিত, বিশেষায়িত চিকিৎসা পেতে যেতে হয় রংপুরে, উচ্চশিক্ষার জন্য দিনাজপুর বা ঢাকায় ছুটতে হয় তরুণদের।
স্থানীয়দের ভাষায়, সরকার পাল্টায়, প্রতিশ্রুতি পাল্টায়, কিন্তু বাস্তবতা খুব বেশি বদলায় না। এই বাস্তবতার পরিবর্তনই মঞ্চটির মূল লক্ষ্য।
একজন উদ্যোক্তা, একজন নাগরিক উদ্যোগের মুখ
মঞ্চের আহ্বায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেনিন। তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। পেশাগত জীবনে প্রকৌশলী হিসেবে পরিচিতি যেমন আছে, তেমনি শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবেও কাজ করছেন দীর্ঘদিন। তাঁর নীলসাগর গ্রুপ স্থানীয়ভাবে শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও প্রান্তিক মানুষের সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে যাচ্ছে বহুদিন ধরে। নীলফামারীর কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর এবং নীলসাগর গ্রুপের অবদান অসামান্য।
-1770708015459-865502649.jpeg)
নীলসাগর গ্রুপের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী আহসান হাবীব লেনিন মনে করেন, একটি জনপদের উন্নয়নে সবচেয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন একজন যোগ্য জনপ্রতিনিধি।
তিনি বলেন, 'ভোটের আগে নাগরিকদের উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণ করা গেলে নির্বাচিত প্রতিনিধি সেই পরিকল্পনার প্রতি দায়বদ্ধ থাকবেন। আর এবার আমরা তেমনি একজন যোগ্য প্রতিনিধি পাবো বলে আমার বিশ্বাস। যিনি সৎ, যোগ্য, মেধাবী এবং নীলফামারীর উন্নয়নে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। একজন প্রৌকশলী ও শিল্প উদ্যোক্তা হিসেবে সার্বিক দিক বিবেচনা করে আমরা মনে করছি নীলফামারী-২ আসনে বিএনপির প্রার্থী জনাব শানরিন ইসলাম চৌধুরী তুহিন হবেন সেই যোগ্য জনপ্রতিনিধি।'

তার বক্তব্য পরিষ্কার- নির্বাচন হোক উন্নয়নের ভিত্তিতে, ব্যক্তি বা দলের আনুগত্যের ভিত্তিতে নয়।
নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ ইতিমধ্যে কয়েকটি অগ্রাধিকার খাত চিহ্নিত করেছে-
শিল্প ও কর্মসংস্থান
আধুনিক চিকিৎসা অবকাঠামো
কারিগরি ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান
কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাত শিল্প
যোগাযোগ ও নগর পরিকল্পনা
ভোট আর উন্নয়নকে এক সূত্রে বাঁধার
চেষ্টা বাংলাদেশের নির্বাচনী সংস্কৃতিতে সাধারণত দলীয় পরিচয়ই মুখ্য থাকে। নীলফামারীর এই উদ্যোগ সেই ধারাকে কিছুটা বদলানোর চেষ্টা করছে। এখানে লক্ষ্য ব্যক্তি নয়, পরিকল্পনা; প্রতীক নয়, কর্মপরিকল্পনা।
মঞ্চের উদ্যোক্তাদের ধারণা, যদি নাগরিকরা আগে উন্নয়নের দাবি নির্ধারণ করেন, তবে নির্বাচিত প্রতিনিধি ব্যক্তিগত বা দলীয় রাজনীতির বাইরে গিয়ে অন্তত কিছু বিষয়ে বাধ্য থাকবেন।
অর্থাৎ, এই উদ্যোগের মূল বার্তা- নির্বাচনে জয়ী হওয়া মানেই শুধু সংসদে যাওয়া নয়, একটি নির্দিষ্ট উন্নয়ন চুক্তির দায়িত্ব নেওয়া।
নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির ইঙ্গিত
নীলফামারীতে এটি কতটা প্রভাব ফেলবে, তা সময়ই বলবে। তবে একটি বিষয় স্পষ্ট, স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নভিত্তিক নাগরিক ঐক্যের আলোচনা শুরু হয়েছে। যদি ভোটের আগে উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে জনমত তৈরি হয়, তাহলে নির্বাচনের ফলাফল শুধু ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, উন্নয়নের দিকনির্দেশনাও নির্ধারণ করতে পারে।
সেই কারণেই নীলফামারী উন্নয়ন মঞ্চ এখন কেবল একটি সংগঠন নয়, বরং একটি প্রশ্ন- ভোট কি প্রতীকের জন্য, নাকি উন্নত ভবিষ্যতের জন্য?
এখনও কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!